SFI's extended session

কাল থেকে শুরু এসএফআই'র বর্ধিত অধিবেশন, শেষমুহূর্তে তুঙ্গে প্রস্তুতি

রাজ্য জেলা

এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির বর্ধিত অধিবেশন, উৎসবের আবহে সেজে উঠছে জলপাইগুড়ি।

‘স্কুল বাঁচাও, মূল বাঁচাও’—এই দাবিকে সামনে রেখে এসএফআই রাজ্য কমিটির বর্ধিত অধিবেশনকে ঘিরে উৎসবের আবহে সেজে উঠছে জলপাইগুড়ি। ৭ ও ৮ অক্টোবর জলপাইগড়ি জেলা শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই বর্ধিত অধিবেশন। ৭ অক্টোবর মাদ্রাসা ময়দানে প্রকাশ্য সমাবেশ দিয়ে কর্মসূচি শুরুর পর রবীন্দ্র ভবনে দুই দিনব্যাপী চলবে অধিবেশন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং এসএফআইয়ের রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যেমন চলছে। 
শিক্ষাক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ ও কেন্দ্রীয়করণের বিরুদ্ধে, সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালুর দাবিকে সামনে রেখেই এই অধিবেশন। পিছিয়ে পড়া অংশের ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ, স্কুল পরিচালন কমিটি ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করার দাবিও উঠবে অধিবেশনে।
কয়েকদিন আগে অধিবেশনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবং সাংগঠনিক কাজে জলপাইগুড়িতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন এসএফআইয়ের রাজ্য সভাপতি প্রণয় কার্য্যী ও রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে। তাঁরা অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহিরাগতদের প্রবেশ এবং পুলিশি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ছাত্রদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা চলছে। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে বেসরকারিকরণের পথ প্রশস্ত করার বিরুদ্ধেও সরব হন তাঁরা। তাঁদের দাবি, রাজ্যের ৯৩৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বা বিক্রির দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। সরকারি স্কুলে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবিও জানান তাঁরা।
উত্তরবঙ্গের ছাত্রসমাজের সমস্যাগুলিকে রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই জলপাইগুড়িতে অধিবেশন বলে জানিয়েছেন নেতৃত্ব।
সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন এসএফআই সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য, সভাপতি আদর্শ এম সাজি, রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে, সভাপতি ‌প্রণয় কার্য্যী, জেলার ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব সঙ্গীতা রায়, সভা পরিচালনা করবেন অরিন্দম ঘোষ। পাশাপাশি, ১০ অক্টোবর জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দেশের ছাত্র সমাজকে দিল্লি বুকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়েছে ককরোচ জকাল নতা পার্টি। এই আহ্বানকে সমর্থন জানিয়ে আন্দোলনে সামিল হওয়ার কথা জানিয়েছে বিভিন্ন বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি। তার ঠিক আগেই এই অধিবেশ থেকে নেতৃত্বের তরফে কি বার্তা দেওয়া হয় সেই নিয়েই বাড়ছে উত্তেজনা।

 

Comments :0

Login to leave a comment