পালাতে বলেছে মার্কিন নাগরিকদের। মধ্য প্রাচ্য থেকে পালাতে বলা হলেও কোনও বিমান বা অন্য ব্যবস্থা করতে পারছে না ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
ট্রাম্প যতবার বলছেন যে ইরানের সামরিক পরিকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ঠিক তার পরপরই হামলা করছে ইরান।
বুধবার আমেরিকার সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে যে ট্রাম্প ইরানের ২ হাজার লক্ষ্যস্থানে আঘাত করার দাবি জানিয়েছেন। ইরানের ১৭টি জাহাজ ধ্বংস করারও দাবি করেছেন।
এদিকে রিয়াধের পর দুবাইয়ে আমেরিকার দূতাবাসে ড্রোন হানায় আগুন জ্বলে যায়। দ্রুত দূতাবাসের কর্মীদের উদ্ধার করতে হয়। আমেরিকার অভিযোগ ড্রোন হামলার পিছনে রয়েছে ইরান।
আমেরিকার দাবি আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের উত্তরসূরি বাছতে যে উচ্ছপর্যায়ের বৈঠক চলছিল সেখানেই রকেট ছোঁড়া হয়েছে। ইরান দুপুর পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছু বলেনি। তবে মধ্য প্রাচ্যের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে যে খামেনেইয়ের দ্বিতীয় সন্তান ছাপ্পান্ন বছরের মুজতবাকে দেশের প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। মুজতবার পিছনে সবচেয়ে জোরালো সমর্থন ছিল ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের।
ইরানের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে আমেরিকা-ইজরায়েল অক্ষ। ইরানও পালটা আঘাত করেছে।
মধ্য প্রাচ্যে তিন দেশে দূতাবাস বন্ধ রাখতে হয়েছে আমেরিকাকে। দুবাইয়ে উপদূতাবাস, সৌদি আরবো সিআইএ’র দপ্তর এবং কাতারে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে আক্রমণ করেছে আমেরিকা। আমেরিকার নাগরিকদের উদ্ধার করার কাজেও ব্যাপক জটিলতা দেখা দিয়েছে।
USA Evacuation
পালাতে বলছে, ব্যবস্থা করছে না ট্রাম্প প্রশাসন
×
Comments :0