Pete Hegseth Iran

ইরানে শাসন বদল লক্ষ্য নয়, বলছেন ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা সচিব

আন্তর্জাতিক

‘ইরানে শাসন বদলাতে যায়নি আমেরিকা। ইরানে অনির্দিষ্টকাল যুদ্ধ করতে যায়নি। ইরান ইরাক নয়।‘ 
তেহরান থেকে পালটা আক্রমণের মুখে সোমবার ওয়াশিংটন থেকে এই ঘোষণা করলেন আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ।
এদিন হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনে হেগসেথ বলেছেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা বা শাসন বদলের জন্য এই যুদ্ধ নয়। আমেরিকার লক্ষ্য নির্দিষ্ট এবং ধ্বংসাত্মক। তা হলো, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের পরিকাঠামোকে ধ্বংস করা। তবে এটাও ঠিক যে ইরানে শাসন বদলাবে।‘
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু করেছে ইজরায়েল-আমেরিকা জোট। তারপরই আমেরিকায় সমীক্ষা চালায় ‘রয়টার্স ইপসোস‘। ফলাফলে দেখা যায় প্রতি চার আমেরিকানের তিনজনই ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর বিরোধিতা করছে। রাজনৈতিক ভাবেও বিপুল খরচ করে যুদ্ধ চালানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ছেন ট্রাম্প। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি ইরানের ইশফাহানে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে বিমান ঘাঁটিতে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে।
তিনদিন ধরে সামরিক সংঘাত চললেও দমে যাওয়ার লক্ষণ দেখাচ্ছে না ইরানে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে হত্যা করেছে আমেরিকা-ইজরায়েল। 
ইরান তার পালটা মধ্য প্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ শানাচ্ছে। ইজরায়েলে পরপর হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা। 
ইরানের সুরক্ষা প্রধান পদে আসীন আলি লারিজানি বলেছেন, ‘‘ট্রাম্পের ভ্রান্ত আকাঙ্ক্ষা গোটা অঞ্চলে অস্থিরতা ডেকে এনেছে। ইরানের নিজেকে সুরক্ষিত রাখার অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার প্রয়োগ করছে ইরান।‘‘
ইজরায়েলের হাফিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ইরান রকেট ও ড্রোন আক্রমণ চালিয়েছে ইরান। এদিকে হেগসেথ বলেছেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেনি। তবে এই যুদ্ধ রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সময়েই শেষ হবে।‘
আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিবের দাবি, এবারের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি‘-র লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি পরিকাঠামো ভেঙে দেওয়া। ইরানের নৌবাহিনী এবং সামরিক পরিকাঠামো ধ্বংস করা।

Comments :0

Login to leave a comment