ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতা
প্র্রদোষকুমার বাগচী
আজকের কলকাতার সঙ্গে কোম্পানির আমালের কলকাতার প্রায় কোনও মিল নেই। তাকে খুঁজতে গেলে নানা ধরনের সোর্স মেটেরিয়াল দেখতে হয়। সেই দুষ্কর কাজটিই করা হয়েছে ‘কোম্পানীর আমলের কলকাতা’ শীর্ষক বইতে। কোম্পানি বলতে ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’কেই বোঝায়। বিলাতের রাণীর সনদ বলে ১৬০০ সালে এর জন্ম। সেই কোম্পানির বাণিজ্যকুঠি কি করে কলকাতায় গড়ে উঠল এবং পরবর্তীকালে কিভাবে কলকাতাই হলো ভারতের রাজধানী সে কথা চমৎকারভাবে আলোচিত হয়েছে। আলোচনা প্রসঙ্গে উঠে এসেছে সেকালের বাবুদের কথা, পর্তুগিজ ভাষার আধিপত্যের কথা, কলকাতা পুলিশের আদিপর্ব থেকে রাইটার্স বিল্ডিংসের ইতিবৃত্ত, ক্যালকাটা পাবলিক লাইব্রেরির স্মৃতিকথা সহ নানা জানা অজানা কৌতুহলোদ্দীপক রচনা। নামের সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই লেখা হয়েছে বইটি। কেবল কোম্পানির উত্থান পতনের কথাই বলা হয়নি, তুলে আনা হয়েছে কলাকাতার পালটে যাবার ইতিহাসও। এমনকি সিপাহী বিদ্রোহের দামামা যখন বাজছে, সেই অস্থির সময়ে কিভাবে গড়ে উঠল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তার গোড়ার কথাও পাঠককে আকৃষ্ট করবে।
কোম্পানির আমলের কলকাতা
জলধর মল্লিক। ন্যাশনাল বুক এজেন্সি। ১২এ বঙ্কিম চ্যাটার্জি স্ট্রিট। কলকাতা—৭০০ ০৭৩। ৩৩০ টাকা।
Comments :0