পেট্রোলে ইথানল ব্যবহারের নীতিতে প্রয়োজন অনুযায়ী বদল আনা উচিত। বাজারে চিনির দাম যখন বাড়ছে পেট্রোলে ইথানলের অনুপাত একই রাখার নীতি বাস্তবসম্মত নয়।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআরআইইআর‘র গবেষণা পত্রে এই মর্মে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সঙ্কটের সময়ে ই-টোয়েন্টির বদলে ই-ফিফটিন পেট্রোল ব্যবহার করা যেতে পারে।
জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে গবেষণা পত্রে বলা হয়েছে, বাজারে চিনির দাম কেজিতে ৪৪ টাকা থেকে বেড়ে ৬৪ টাকা হয়েছে। দাম বেড়েছে ৬৫ শতাংশ হারে। ফলে পেট্রোলে ইথানল মেশানোর নীতিতে এই বাস্তবতা হিসেবে রাখা উচিত।
কৃষি অর্থনীতিবিদ অশোক গুলাটির এই গবেষণা পত্রে প্রস্তাব, আপতত ১৫ শতাংশ ইথানল মেশানো হোক পেট্রোলে। দেশে ইথানল উৎপাদনের ক্ষমতা বিবেচনায় রেখে তা করা হোক। ২০ শতাংশ ইথানল মেশানোর দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নেওয়া হোক। জ্বালানি নীতির সঙ্গে খাদ্য পরিস্থিতির বিরোধ সংক্রান্ত এই গবেষণায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে চিনির দামের সঙ্গে ইথানল নীতির সম্পর্ক রয়েছে। এই সত্যই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার লাগাতার অস্বীকার করেছে।
গবেষকদের বক্তব্য, দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি ইথানলের জিএসটি এবং পরিবহণ বাবদ খরচ করেছে ৭৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই খরচ আগের বছরের ৪৮ হাজার কোটি টাকা থেকে এই খরচ অনেকটা বেড়েছে।
বলা হয়েছে, দেশে ধানের উৎপাদনের বৃদ্ধির হার ৪.৪ শতাংশ, ভুট্টার বৃদ্ধি ১১.৪ শতাংশ, আখের উৎপান বৃদ্ধির হার ৫.১ শতাংশ।
Ethanol ICRIER Research Paper
চিনির চড়া দামের সময়ে ২০% ইথানল নয়, সওয়াল গবেষণাপত্রে
×
Comments :0