দশ দিনের ‘সময়সীমা‘ ফুরাচ্ছে সোমবার। ফের ইরানকে নোংরা ভাষায় শাসিয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি। তার পালটা তেড়েফুঁড়ে জবাব দিয়ে দিলো ইরান।
এমনিতেই অত্যাধুনিক এফ-ফিফটিন যুদ্ধ বিমান গুলি করে নামিয়েছে ইরান। ট্রাম্প-ইজরায়েল পেশি ফুলালেও তুমুল মস্করা চলছে। এর মধ্যেও অনুগত সংবাদমাধ্যমকে নিয়ে সাফল্য বর্ণনার নতুন রাস্তা নিয়েছেন ট্রাম্প।
অ্যাক্সিওস-কে আমেরিকার প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা বলেছেন যে ‘ইরানে নামানো বিমানের দ্বিতীয় পাইলটকেও সাফল্যের সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাম্প আবার সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘উই গট হিম’। মানে দ্বিতীয় পাইলটকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
কিছু সংবাদমাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে আমেরিকার গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ কিভাবে প্রথা ভেঙে ইরানের গহীন পাহাড়ের খাঁজ থেকে তুলে এনেছে পাইলটদের!
এদিকে ইরানের সেনাবাহিনীর খতম আল আনবিয়া স্কোয়াডের কামান্ডার আলি আলি আবদোল্লাহি সরাসরি আমেরিকা-ইজরায়েলকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালি দেখিয়ে ইরানের কোনও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে হামলা হলে প্রত্যাঘাত মারাত্মক হবে।‘
ইরান বলেছেন, ‘পরপর হেরেও আমেরিকা চূড়ান্ত বোকামির রাস্তা থেকে সরতে নারাজ, এখন ইরানের জাতীয় সম্পদে হামলার হুমকি দিচ্ছে। ইরানের সামরিক বাহিনী সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পুরোপুরি তৈরি।'
মধ্য প্রাচ্যের কিছু সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে যে বুশহর পারমাণবিক প্রকল্প এলাকা থেকে ইরানের ২০০ কর্মীকে উদ্ধার করেছে রাশিয়া। এই প্রকল্প এলাকায় বোমা ফেলেছে আমেরিকা-ইজরায়েল বাহিনী। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, এধরণের বিমানহানা কেবল ইরান নয়, তেজস্ক্রিয় বিকিরণের বিপদে ফেলতে পারে মধ্য প্রাচ্যের বিস্তীর্ণ এলাকাকে।
Trump Hormuz Strait
ট্রাম্পের হরমুজ হুমকিতে ‘অবিরাম প্রত্যাঘাতের‘ হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানে নিহতদের স্মরণে শোকসমাবেশ।
×
Comments :0