ইজরায়েলের সেনা যৌন নির্যাতন চালিয়েছে ত্রাণকর্মীদের ওপর। প্যালেস্তাইনের গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর চেষ্টা করায় বিবস্ত্র হতে বাধ্য করেছে মহিলাদের।
দিনকয়েক ইজরায়েলের সেনার হাতে বন্দি থাকার পর দেশে ফিরে এমন মারাত্মক অভিযোগ তুললেন অস্ট্রেলিয়ার একাধিক নাগরিক।
প্যালেস্তাইনে ত্রাণে সব রাস্তা আটকে রেখেছে ইজরায়েল। বিশ্বজুড়ে গাজার বাসিন্দাদের জন্য আন্তর্জাতিক সংহতি মঞ্চ হয়েছে ‘সুমুদ ফ্লোটিলা‘। সমুদ্রপথে জলযানে ত্রাণ নিয়ে স্বেচ্ছেসেবী কর্মীরা যাচ্ছেন গাজায়। এই ত্রাণকর্মীদের দফায় দফায় বাধা দিয়েছে ইজরায়েল। পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ এবং তাঁর সঙ্গীদের আটক করে রাখা হয়েছিল।
মে’র মাঝামাঝি আরেক দল ত্রাণকর্মীকে আটক করে ইজরায়েল। তার মধ্যে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তথ্যচিত্র নির্মাতা জুলিয়েট ল্যামন্ট। গত রবিবার দেশে ফেরেন তিনি।
ল্যামন্ট বলেছেন, ‘‘চারদিন বন্দি থাকার সময় মারধর করা হয়েছে বারবার। কিন্তু যৌন নির্যাতনও করা হয়েছে। আমাদের জলযান আটকে দিয়েছিল ইজরায়েলি সেনা। তাদের প্রিজন বোটে অন্ধকার জায়গায় রাখা হয় আমাদের।’’
অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশকর্মী ভায়োলেট কোকো বলেছেন, ‘‘মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ত্রাণ বোঝাই জলযান থেকে নামিয়ে নেয় ইজরায়েলের সেনা। বন্দুকের সামনে বিবস্ত্র হতে বাধ্য করা হয়। একটি কনটেনারের ভেতরে রাখা হয়। আমরা বুঝতে পারছিলাম না পরের বার কী ধরনের নির্যাতন হবে।’’
বরাবরের মতো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইজরায়েলের সেনা। বলেছে, ত্রাণবাহী জাহাজে অবরোধ গাজায় অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের ন্যূনতম সম্ভাবনা না রাখার জন্য।
Gaza flotilla Rape
গাজা ফ্লোটিলার ত্রাণ কর্মীদের যৌন নির্যাতন ইজরায়েলের সেনার
×
Comments :0