যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু তারপরও ড্রোন আক্রমণ হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানাচ্ছে যে দক্ষিণ পশ্চিম প্রদেশ ফারসে হারমেস-৯০০ ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে।
ইজরায়েল বুধবার আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়েছে লেবাননে। ইরান ঘিরে আমেরিকা-ইজরায়েলের হুঙ্কার মুখ থুবড়ে পড়েছে। সারা বিশ্বে নিঃসঙ্গ হয়েছে। আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সভ্যতাকে ধ্বংস করার’ হুমকিতে ধিক্কার বিশ্বময়। এমনকি আমেরিকার কংগ্রেসে আনা হয়েছে প্রস্তাব। ট্রাম্পের প্রধান সঙ্গে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিশানা করছেন লেবানননকে।
ইরানে হামলা শুরু করার পর লেবাননেও হামলা চালায় ইজরায়েল। লেবাননের প্রতিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লা পালটা আক্রমণ করে। বিশ্বজুড়ে তারও প্রতিবাদ হচ্ছে। স্পেনের বিদেশমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেজ হামলা বন্ধ করার দাবি তুলেছেন।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেছেন ইজরায়েলের নতুন হামলায় কয়েকশো নাগরিক মারা গিয়েছেন। হাসান নাসেরেদ্দিন বলেছেন, রাজধানী বেইরুটের প্রাণকেন্দ্রে বোমা ফেলেছে ইজরায়েল। লেবাননে এই পর্বের হামলায় গত কয়েকদিনে ১৫৩০ জন নিহত।
ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সমঝোতায় দু’পক্ষই জয়ের দাবি জানাচ্ছে। তবে ট্রাম্পের জয়ের দাবি বিশ্বজুড়ে রসিকতার উপাদান হয়ে উঠেছে। তবে বুধবার সময় গড়াতেই বোঝা গিয়েছে ইরান একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি না মানা সত্ত্বেও পিছাতে হয়েছে ট্রাম্পকে।
ট্রাম্পের শর্ত ছিল যে হরমুজ প্রণালিতে নজরদারি হবে যৌথভাবে। ইরান তার সার্বভৌম অধিকার ছাড়ার আগ্রহ দেখায়নি বিন্দুমাত্র। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে তাদের সামরিক বাহিনীর নজরদারিতেই জাহাজ চলাচল করবে হরমুজ প্রণালিতে। বরাবর তেমনই হয়ে এসেছে।
এদিকে পাকিস্তান আগামী শুক্রবার ইরান এবং আমেরিকার পরতিনিধিদের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
ইরান স্পষ্ট বলেছে যে আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে মধ্য প্রাচ্যে অশান্তি তৈরির নীতি বন্ধ করতে হবে। মধ্য প্রাচ্যে অশান্তির জন্য দায়ী আমেরিকা এবং ইজরায়েল।
Israel Lebanon Iran
ইজরায়েলের হামলায় লেবাননে নিহত শতাধিক, ড্রোন হামলা রুখল ইরান
ইজরায়েলের হামলায় বিধ্বস্ত বেইরুট।
×
Comments :0