মুক্তধারা
ভ্রমণ
বাঙালির ইউরোপনামা
সুপ্রতিক বণিক
৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ৪র্থ বর্ষ
এলো শীতের রুক্ষ শুষ্ক দিন
প্রিয় ত্বকের যত্ন নিতে...
Stephenplatz স্টেশন থেকে বেরিয়েই সামনে St. Stephen’s Cathedral।
প্রায় ৮৭৯ বছরের ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সেই রোমান ক্যাথলিক ক্যাথেড্রাল-টির সামনে দাঁড়িয়ে প্রথম অনুভূতিটা ছিল বিস্ময়। গথিক স্থাপত্যের সেই সূক্ষ্মতা, বিশালতা আর অন্ধকারের মধ্যে আলো-ছায়ার খেলা—মনে হচ্ছিল পাথর দিয়ে কেউ সময়কে স্থির করে দিয়েছে।গল্প যেন নিজে বলতে চাইছে প্রাচীন মিনার এর বিভিন্ন খাঁজের মধ্যে দিয়ে,রাজপথ তার কোণ দিয়ে …মানুষ তাদের ব্যবহার দিয়ে … যিশু তার চিরাচরিত চাহনি দিয়ে ।
ভিতরে ঢুকে আরও একবার থমকে গেলাম। শত শত বছরের ইতিহাস, স্থাপত্যের নিখুঁত কাজ, আর সেই বিশালতার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের অস্তিত্বটাই কিছুক্ষণের জন্য ছোট মনে হয়।
তারপর ক্যাথেড্রাল ছেড়ে বেরিয়ে পড়লাম আশেপাশের রাস্তায়। ভিয়েনার পুরনো বাড়িগুলো, দোকানের জানলা, রাস্তার আলো—প্রতিটি জিনিস যেন একই গল্পকে ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় বলছে। এক কোণ থেকে যে বাড়িটা যেমন, অন্য কোণ থেকে তাকালেই তার চরিত্র বদলে যাচ্ছে।
চোখে পড়ল নিষিদ্ধ নেশার সাজানো চকচকে দোকান যা আবার আমার সাধের শহর আর দেশের কথা বৈপরীত্যের সাথে মনে করিয়ে দিল ।
নাহ ,আমি নেশার সমর্থনে নয়।
আমি আপনাদের জন্য শব্দছবি মাত্র ।আশপাশ দিয়েই দিব্যি ঘোড়ার গাড়ি চলে যাচ্ছে—যেটা শুধু হেরিটেজ বহনকারী চলমান যান নয়, বরং শহরের স্বাভাবিক জীবনেরই অংশ।
চলবে
Comments :0