DYFI Conference

কারা ভাঙছে আর কারা গড়ছে বুঝতে হবে এখনই, মুর্শিদাবাদে যুব সমাবেশে সেলিম

রাজ্য জেলা

সমাবেশে যুব জনতার একাংশ

এই সময় আন্দোলনের সময়, এই সময় দাবি আদায়ের সময়। এই সময় কে শত্রু কে মিত্র বুঝে নেওয়ার সময়। কারা দেশের সর্বনাশ করছে আর কারা দেশটাকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছে বুঝে নিতে হবে।
শনিবার ডিওয়াইএফআই’র মুর্শিদাবাদ জেলা ২৫ তম সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে একথা বলেন সংগঠন প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এবং সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। 
সেলিম বলেন, কারা মানুষের ঐক্যকে ভাঙছে, দাঙ্গা, হাঙ্গামা, হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আর কারা জাত পাত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে এক করার চেষ্টা করছে, যাতে দেশটা শক্তিশালী হয়, সেটা বুঝে নেওবার সময়। 
তিনি বলেন আমাদের রাজ্যে একটা ধোঁয়াশা ছিল, পর্দা ছিল। কারণ মমতা ব্যানার্জি হিজাব পরে দু‘একজন মৌলানা মৌলবিকে সঙ্গে নিয়ে মুসলমান ভাই বোনেদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে তিনি বিজেপিকে আটকাচ্ছেন। আর তিনি যাদেরকে সাঙ্গোপাঙ্গ করেছিলেন তারা লুট করে, তোলা বাজি করেছে। একশো দিনের কাজ বন্ধ করেছে। রেশন বালি, কয়লা চুরি করেছে। তারা জমি দখল করেছে জঙ্গল সাফ করে দিয়েছে। এমন কোনও অপরাধ নেই যা তৃণমূল করেনি। তৃণমূল রাজ্যটাকে লুটের বাজার করে দিয়েছিল।
সেলিম বলেন, মমতা ব্যানার্জি আরএসএস’র পরামর্শে আদবানি বাজপেয়ীর কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়ে বলেছিলেন এখান থেকে কমিউনিস্টদের এবং লাল ঝান্ডাকে মুছে দেবে। মমতা এবং কিষেনজিকে সঙ্গে নিয়ে শুভেন্দু  বলেছিলেন লাল কাপড়ের টুকরোও থাকবে না। তখন তৃণমূলের নেতা শুভেন্দু গুন্ডা নিয়ে পঞ্চায়েত দখল করেছিল। দলে দলে পঞ্চায়েত সদস্য এমপি এমএলএ কিনে ছিল। 
সেলিম বলেন, যারা রুটি রুজি কাড়ার কথা বলে তাদের হুশিয়ারি দিয়ে বলছি, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে।

Comments :0

Login to leave a comment