Maldah Flood

ভুতনিতে বন্যায় মৃত্যু, দক্ষিণ চণ্ডীপুরে কাটা হলো বাঁধ

জেলা

ভুতনিতে জল বের করার চেষ্টা। রয়েছেন গ্রামবাসীরা।

ভুতনির চরে বন্যার জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। দক্ষিণ চণ্ডীপুরের বাল্লিটোলায় মারা গিয়েছেন বত্রিশ বছরের দ্বিজেন মণ্ডল।
মালদহের মানিকচক বিধানসভার ভুতনির চকে বন্যা পরিস্থিতি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। 
সিপিআই(এম) মালদা জেলা সম্পাদক মণ্ডলী সদস্য দেবজ্যোতি সিন্‌হা দ্বিজেন মণ্ডলের মৃত্যুতে গভীর শোক জানান। সিপিআই(এম)’র প্রস্তাব মেনে দক্ষিণ চণ্ডীপুরের বাঁধ কেটে জল বের করার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। 
সিপিআই(এম)’র পক্ষ থেকে দেবজ্যোতি সিন্‌হা চিঠি দিয়ে মালদহের জেলা শাসককে বলেছিলেন যে বাঁধ কেটে জল বের করা ছাড়া উপায় নেই। তিনি বলেছেন, ভুতনির চরে কোথাও কোথাও ছাদ সমান জল উঠে যাচ্ছে। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত আড়াই হাত জল বেড়েছে। 
মালদহ জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলায় বন্যা পরিস্থিতিতে মোট ৮২টি বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে ৫টি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সামনেই ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (সেমিস্টার) শুরু হবে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস চালু রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল হলো, উদয়পুর হাই স্কুল, ভূতনি চণ্ডীপুর হাই স্কুল, উত্তর চণ্ডীপুর হাই স্কুল, আমতলা ননীটোলা হাই স্কুল, কাটাহা দিয়ারা হাই স্কুল।
প্রশাসন জানাচ্ছে, জেলায় ২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য মথুরাপুর মডেল স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পড়াচ্ছেন। 
দেবজ্যোতি বলেছেন, এখন যা পরিস্থিতি তাতে চণ্ডীপুরের বাঁধ কাটা ছাড়া উপায় নেই। না হলে বড় ধরনের বিপর্যয় হবে। জেলা শাসককেও একথা জানানো হয়েছে। জেলা শাসকের দপ্তর থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল আমাদের সঙ্গে। এই বিপর্যয়ের সময় আমরা সব রকম সহায়তা করতে তৈরি। প্রশাসনের উচিত সর্বদলীয় সভা ডেকে পরিস্থিতি এবং পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা।

Comments :0

Login to leave a comment