Pentagon Low Missile Stock

ফুরাচ্ছে অস্ত্রভাণ্ডারে, যুদ্ধ চললে বিপদ, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা পেন্টাগনের

আন্তর্জাতিক

অস্ত্রের ভাণ্ডার দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে লম্বা যুদ্ধ চললে বিপদ রয়েছে।
আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন থেকে এই মর্মে সতর্কবার্তা গিয়েছে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে। যুদ্ধ বিশারদরা বলছেন আমেরিকা আঘাত করতে যে ধরনের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত ব্যবহার করছে তার দাম অনেক। সেই তুলনায় অনেক সস্তা বিকল্প ড্রোন দিয়ে আঘাত করছে ইরান। তা ছাড়া ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারও যথেষ্ট শক্তিশালী। গত বছর পাল্লা দিয়েছিল আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে। 
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে ইজরায়েল-আমেরিকা। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেই সহ শীর্ষ আধিকারিকদের হত্যা করা হয় ক্ষেপণাস্ত্র হানায়। ইরান পালটা আঘাত জোরালো করতেই গোটা মধ্য-প্রাচ্যে অস্থিরতা তীব্র। সংঘাতের পঞ্চম দিনেও আটকে রয়েছে বহু বিদেশি নাগরিক। তার মধ্যে রয়েছেন ভারতীয়েরা। 
ইরান এর মধ্যেই বাহরিন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাহীতে আমেরিকার সেনা ঘাঁটিতে শক্তিশালী আঘাত হেনেছে। এমনকি আমিরশাহীর দুবাইয়ে মার্কিন উপদূতাবাসে ড্রোন হামলায় আগুন ধরে গিয়েছে। 
এদিকে পেন্টাগনের একটি ফাঁস হয়ে যাওয়া বার্তায় ট্রাম্পকে বলা হয়েছে, যুদ্ধ আরও দশদিন চলতে থাকলে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতে টান পড়বে। 
ট্রাম্প যদিও দাবি করছেন আমেরিকার কাছে অস্ত্রের যা ভাণ্ডার রয়েছে ‘চিরকাল‘ তা দিয়ে যুদ্ধ চালানো যাবে। 
কাতারের ‘আল জাজিরা‘ সংবাদ চ্যানেলকে বিশ্লেষকরা বলেছেন, আরও চার-পাঁচ সপ্তাহ যুদ্ধ চললে সঙ্গিন হবে পরিস্থিতি। আমেরিকার ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিলেন ট্রাম্পকে। তখনও যুদ্ধ শুরু হয়নি। তবে যুদ্ধের সম্ভাবনা সমানে বাড়ছিল। কেইন ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন যে অতি প্রয়োজনীয় যুদ্ধ সরঞ্জাম কমে গেলে ইরানের আক্রমণ মোকাবিলা করাই কঠিন হবে। 
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ইজরায়েল এবং ইউক্রেনকে সরবরাহ করতে গিয়ে আমেরিকার নিজস্ব ভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
গত বছরে ইরানকে আক্রমণে সময় ‘থাড ইন্টারসেপটর’ ব্যবহার করেছিল আমেরিকা। ভাণ্ডারের ২৫ শতাংশ সেবারই ব্যবহার করা হয়ে গিয়েছে। জাহাত থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার অস্ত্র প্রায় ফুরিয়ে গিয়েছিল।

Comments :0

Login to leave a comment