শিক্ষকদের হেনস্তা করার বার্তা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ঘটনা তারই পরিণতি।
শুক্রবার সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের পরিস্থিতি নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।
উল্লেখ্য, এই কলেজে ছাত্রছাত্রীদের একাংশ দাবি করে প্রত্যেককে পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে। ৭৫ শতাংশ উপস্থিতির বিধি রাখা যাবে না। তেইশ ঘন্টা অবস্থান বিক্ষোভ ঘেরাওয়ের জেরে অধ্যক্ষ মহম্মদি তরান্নুম পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে চক্রবর্তী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই শিক্ষকদের অপমান করার কথা বলছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বলছেন চাকরি ছেড়ে ঝোলা কাঁধে বেরতে। আমরা দেখলাম জেলা স্কুলে শিক্ষক দিবসে শিক্ষককে মারধর করা হলো। ভয়ঙ্কর দৃশ্য। সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজে দাবি, উপস্থিতি বিধি মানা যাবে না। উপস্থিতির হার কম থাকলেও পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে। এই দাবি সঠিক নয়। অধ্যক্ষকে তার জন্য হেনস্তা করা হলো। পরিচালন সমিতির সভাপতি নিজে একজন আইনজীবী এবং বিধায়ক। তিনি কিছু বললেন না। চক্রবর্তী বলেন, পদত্যাগের পর বিজয়োল্লাসের ছবি দেখেছেন? গঙ্গাজল দিয়ে ধোয়া হলো। রাজনৈতিক মনোভাবে লেখাপড়া ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ ভয়ঙ্কর।
তিনি শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশ্যে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বুঝুন যেভাবে যাদবপুরে গিয়ে রোজ নিন্দামন্দ করছেন, মাস্টারমশাইদের অসম্মান করে ঝোলা কাঁধে হকারি করতে বলছেন, মাস্টারমশাইদের হেনস্তা করা বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বুকস্টল প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে চক্রবর্তী বলেন, আমরা মুখ্যত লিখি, প্রগতিশীল সাহিত্য বিক্রয় কেন্দ্র। কেউ ‘দুর্গাপুজো‘ বা ‘শারদোৎসবও‘ লিখতে পারেন। যে যেটা লেখেন, সেটাই লিখবে।
তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন ধরনের বই বিক্রি করি, প্রগতিশীল মার্কসীয় সাহিত্য যেমন বিক্রি করি তেমন আবার বাংলার পুরনো শিল্প সাহিত্যের বহু উপাদান থাকে। সে বই অনেকে কেনেন। আমরা সে বই পৌঁছে দেব।
চক্রবর্তী বলেন, ‘দুর্গাপুজো’ বা ‘শারদোৎসব’ কেউ লিখতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রীর এসব দেখা কাজ?
Comments :0