Post Editorial

বাঁধনে যারে বাঁধিতে নারে

সম্পাদকীয় বিভাগ

বনবাণী ভট্টাচার্য

কারোরই আর তর সইছে না। রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই মানুষের কল্যাণে সরকার তো যথেষ্ট নড়াচড়া-ধর-পাকড় করছেই, তার সাথে এই বিগত  পনেরো বছরে ক্ষমতাসীন  রাজনৈতিক দলের এমপি এবং এবারের এমএলএ হওয়া শিকল ছিঁড়েছে যাদের কপালে, রাজ্যের ভালোর জন্যে তাদের এতো সিঁধ কাটা, এত ভাঙচুর যে, এখন অপেক্ষা, বাংলা কখন বলে ওঠে ‘এত ভালো ভালো নয়।’
সিপিআই(এম)’র নেতা লাহেক আলিকে গ্রেপ্তার  করেছে পুলিশ গুন্ডাদমন আইনে, বারুইপুরের কিশোরীর ধর্ষণ খুনের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ জনতাকে প্ররোচনা দেওয়ার অপরাধে এবং মাত্র ২৬টি মামলা, সম্পত্তি ভাঙচুর, দাঙ্গা বাধাবার কেস দায়ের করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। মানুষ হতবাক, নাবালিকার ইজ্জত নিল যারা, নৃশংস হত্যা করল যে বা যারা, তাদের পুলিশ এনকাউন্টার বা গণপিটুনির মাধ্যমে  জালের ফাঁক ফোকর দিয়ে মাছের মতো বার হবার পথ করে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের বদলে প্রতিবাদী নেতাকে ধরায়।
‘অয়মারম্ভ শুভায় ভবতু।’ এই আরম্ভ, হ্যাঁ রাজ্যের ক্ষমতাসীনদের মঙ্গলে, আর জনসাধারণের অস্তিত্বের সর্বনাশে। এ সূচনা মাত্র। সম্মুখে রয়েছে সুধাপারাপার ভেবে এতকাল নাগাল না পাওয়ার দুঃখে যারা কাতর হয়ে বিজেপি-কে এ রাজ্যে  বিপুল উৎসাহে এবং বিশ্বাসে রাজা করলেন, তাদের হয়তো আগামীতে কাঁদতে হবে, ‘‘সুধা-সাগরের  তীরেতে বসিয়া পান’’ করি শুধু হলাহল।’’ সমস্ত আয়োজন  যেন সে দিকেই। নতুন সরকার অবশ্য ছোট্ট তমান্নার হত্যাকাণ্ডে যুক্ত  সকলকে গ্রেপ্তারের খুব দ্রুত তৎপরতা দেখিয়েছে। ডিম থেরাপির নিন্দাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ও তার দলীয় নেতৃত্ব— তবুও সবের হাতে হাতে ডিম এবং মবলিঞ্চিঙের হিংস্রতা চলছেই। কে দুর্বল কে সবল  এই চুলচেরা বিশ্লেষণ যতোটা জরুরি নয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নে ততটাই জরুরি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়। সমতার আদর্শ সামনে  রেখে সাহসী নিরপেক্ষতার প্রকাশ ঘটানো  প্রশাসনের আপাদমস্তকে। ডানকুনি ও শ্রীরামপুর থানা এ বিষয়ে কিছুটা দাবি করতে পারে সংবাদপত্রের ভাষ্য  অনুযায়ী।

২৯ জুন, বাংলার বিধানসভায় জন্ম হো—  এক বছর পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক রাখার — পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬-এর। দেখ‍‌তে শুনতে মন্দ নয়— জননিরাপত্তা তো মানুষের  নিজের দাবি আর সমাজবিরোধী কাজ তো শব্দগুচ্ছেই আপত্তিকর। কোনও আহাম্মক সমাজের  বিপক্ষের কাজকে প্রকা‍শ্যে তারিফ করে নিজের গায়ে সমাজবিরোধী তকমাটি লাগিয়ে নেবে? তার সাথে, সমাজের অভি‍‌যোগ আছে, বর্তমান প্রজন্মের অতীতচারিতা নেই বা অতীত ঐতিহ্যের প্রতি তেমন শ্রদ্ধাশীল নয় তারা। কিন্তু ২০২৬-এর এই আইন একেবারে ঐতিহ্যবাহী এবং সে ঐতিহ্য-এর ওর-তার নয়, একেবারে  ব্রিটিশ সাহেবদের, সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থরক্ষার উদ্দেশ্যে করা। এ এক ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার। রাস্তাটার আস্ত নামকরণ বা অন্য সময় দেশি বিদেশি অথবা হিন্দু-মুস‍‌লিম বাদ বিচার থাকলেও, এ প্রশ্নে তা একেবারেই  নেই।

ইতিহাস প্রমাণ করে যে, গুপী বাঘাদের যেমন  রাজকন্যা ‘কম পড়ে নাই’, তেমনি সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনের জন্যেও আইন কম পড়ে নাই। তাই বিশিষ্টরা চিরকালই বলে এসেছেন — "We need leaders who better understand the rule of Low''.  সমাজ সংশোধনের সদিচ্ছাটাই বড় কথা।
যন্ত্র তো চালায় মন্ত্রী। ভালো বা বেশির জন্যে বার বার যন্ত্র বদলের দরকার পড়ে না। ২০২৪-এ তো ভারতীয় দণ্ডবিধির জায়গায়, মোদী সরকার ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালু করেছে। কম অপরাধকে বেশি বড় করে দেখাবার ক্ষমতা আছে এই বিধানে। কিন্তু, দেশের মানুষের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কতটা উন্নতি হয়েছে? ভারতীয় দণ্ডবিধির সময়ে গৃহস্থ ঘরে কি বড় বড় কোম্পানিতে চুরি, কখনও সোনার দোকানে চুরি ডাকাতি-ব্যাঙ্ক ডাকাতিও হয়েছে। কিন্তু ন্যায়সংহিতা কালে তো দেবতারাও বিপন্ন— রামমন্দির থেকে বৈষ্ণোদেবীদের সম্পত্তিও তো চুরি হয়ে যাচ্ছে। দৃশ্যমান হচ্ছে এটাই যে, আইন কঠোর থেকে কঠোরতর হচ্ছে— আর নাগরিকের অত্যাচার-মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। আইন নিকৃষ্ট হলে, তা নিজেই নির্মম অত্যাচার।
ওয়েস্টবেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাক্ট’’ প্রমাণিত হবে ক্রমে এ আইন, গুন্ডা দমন, না গণদমন? অন্ধকার বান্ধব, না আলোক বান্ধব? নিরাপত্তা বাড়ছ, না বিপন্নতা বাড়ছে? যত যাই বলা হোক না কেন ঋষি মনু নারী স্বাধীনতার বিরোধী, কিন্তু তিনি তো অন্তত, বাল্যে পিতা, যৌবনে স্বামী এবং বাকিজীবনে পুত্রকে, রক্ষা করে, তাদের নিরাপত্তার একটা বিধান দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তো গোটা ভারতেই মেয়েদের কোনও নিরাপত্তা নেই— নারী পাচারে ভারত, নিজেই ‘এপিসেন্টারে’ পরিণত হয়েছে। আর পশ্চিমবঙ্গ তো নারী ও শিশু পাচারে ভারতের শীর্ষে এবং এই কলঙ্ক তার রয়েছে স্বামীর স্ত্রী-নির্যাতনেও। শপথ গ্রহণের পর থেকে আজ পর্যন্ত বারুইপুর বাদ দিলেও বধূনির্যাতন থেকে ধর্ষণ ও খুন-পাচার রীতিমত রোমহর্ষক। বিগত সরকারের রেকর্ড ব্রেক করার আশঙ্কা হয়তো অমূলক নয়। এখন, নারী পুরুষ নির্বিশেষে নাগরিকের প্রহরী কে?
বাংলার মানুষের গভীরতর আশঙ্কার উৎস হলো বর্তমান বিধানসভা বিনা প্রতিরোধে, ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারের কালিমাখা একটি অত্যন্ত অনিষ্ঠকারী আইন পাশ হয়ে গেল। কোনও আলোচনাই হলো না। সভা-সমিতি থেকে এই বিধানসভায়, কোনও বিষয় নিয়ে কথাবার্তা, তর্ক-বিতর্ক আলোছড়ায়, যা ‘সভা’ শব্দের সম্ভবতঃ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ। প্রত্যেকে আলোকিত হয়। আর বলাইবাহুল্য, বিধানসভায় শাসক-বিরোধীরাই সেই আলচনার প্রধান কান্ডারি। বাংলার লজ্জা, বিধানসভায় ছাড়া সত্যিকারের বিরোধী শক্তি তারা দিতে পারেনি। নকল বুঁদি গড়ের মতো, শাসকের পছন্দের বিরোধী দল অবশ্য একটি গড়া হয়েছে— এদের ‘প্রায় বিরোধী’ আখ্যা দেওয়া যেতে পারে কারণ বিরোধী আসনে বসেও মনে মনে আওড়াতে পারবে ট্রোজারি বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে— ‘‘আমি তোমাদেরই লোক’’। রাবণ ও রামের সাথে যুদ্ধ করলেও, আসলে সে রাম ভক্তই। অথচ একটি শক্তিশালী বিরোধী দল গণতন্ত্র বিকাশের পূর্বশর্ত। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে শাসকদল যে কোনও আইন পাশ করাবার ক্ষমতা রাখে ঠিকই বিরোধীরা তা আটকাতেও পারবে না। কিন্তু তারাই তো হয়ে থাকে উৎপীড়িতের কণ্ঠস্বর। আজ কোথায় তারা? সেই গণতান্ত্রিক পরিসরই তো থাকছে না। আগে, রাজাদের শুধু মন্ত্রীসভাই ছিল, বিরোধীপক্ষের কোনও তো অস্তিত্ব ছিল না রাজসভায়, কারণ শাসনটাই ছিল রাজতন্ত্রের, যেখানে গণতন্ত্রের প্রশ্ন নেই। প্রায় বিরোধী শূন্য বাংলার বিধানসভা কি ফেলে আসা রাজতন্ত্রের দিকে ঝুঁকছে? নাকি সরাসরি ফ্যাসিবাদের পথে?
গুন্ডা দমন আইন, অতীতের থেকেও কঠোর এবং দানবিক। এই আইন সত্যিই কি আইনের শাসনের পথে, না কি প্রশাসনিক ক্ষমতার বিস্তারের দিকে তার যাত্রা? প্রশাসনের হাতে এমন প্রচুর ক্ষমতা দিয়েছে, ব্যক্তিকে, অপরাধ করার আগেই আটকে রাখা যায়, এই আশঙ্কায় যে, সে অপরাধ করতে পারে। সন্দেহ বা মনে করা একান্তই সাবজেক্‌টিভ যা প্রশাসনকে ব্যাখ্যা দিতে হয় না— তার মনে হওয়াটাই যথেষ্ট। (যেমন নেতাজীকে কারোর গুন্ডা মনে হওয়া) জননিরাপত্তা বলে, অপরাধীর অ্যান্টিসিপেটরি বেলের মতোই যেন প্রশাসনও নিছক সন্দেহের বশে, বিনা ওয়ারেন্টে, সমাজবিরোধী বা বিপজ্জনক যে কেউকে আটক, নির্দিষ্ট এলাকা থেকে বহিষ্কার এবং ফেরত আসা নিষিদ্ধ করার আগাম ক্ষমতা পেয়ে যাচ্ছে এই আইনে। বিচারের আগেই ব্যক্তির শাস্তির ব্যবস্থা হয়ে যাচ্ছে। তাহলে বিচারবিভাগেরই বা কি প্রয়োজন— তাকে তো নস্যাৎ করা হচ্ছে পুলিশি রাষ্ট্রের মতো। মানুষের স্বাধীনতা— তার মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়াটাও ন্যায়সঙ্গত হতে হবে। দুঃখের বিষয়, মানুষের মৌলিক অধিকার কাড়াই শুধু নয়, কর্তৃত্ববাদী এই আইনের চরিত্রই বিচারযোগ্য হয়ে উঠেছে। এই আইনই আবার ১৯৪৬-৪৭-এর আদলে জনশৃঙ্খলা-রক্ষা আইনের অধীনে গঠিত ক্লেইমস্‌ কমিশন সরকারি সম্পত্তি ভাঙ্‌চুরের ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে।
আসলে, জন-নিরাপত্তা আইনের এত আঁট-ঘাট, এত নখ-দাঁতের লক্ষ্য কি নিছকই একটি আইন-শৃঙ্খলায়-স্থিত শান্তিপূর্ণ সমাজের স্বার্থে? দুষ্কৃতী দমন-দাঙ্গা প্রতিরোধের জন্যে আইন তো কম ছিল না শাসকের হাতে। তবুও রাওলাট আইন যেমন প্রবল সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী সংগ্রাম প্রতিরোধ করতে জাতীয়তাবাদী-দেশপ্রেমিক ও বিপ্লবীদের দমনে হাতিয়ার হলো, যেমন, ১৯৪৮-এ আইনের উদ্দেশ্যে ব্যক্ত হয়েছিল, তখনকার এক সদস্যের কথায় যে, ‘‘কমিউনিস্টদের দমনের জন্যই এই আইন দরকার’’, তেমনি মুখ্যমন্ত্রী ও তার সহকর্মীদের কথায় জন নিয়ন্ত্রণ আইনের খোলসটি খসে পড়েছে— ‘‘বাম আমলের ‘হার্মাদ’  বা তৃণমূল আমলের গুন্ডাদের দমন করতে, এমন একটি আইনেরই প্রয়োজন ছিল।’ এখন তৃণমূলের বড় হিস্‌সা তো শাসকের প্রাণের মাঝে এসে গেছে, তাই তাদের ছাড়-আর হার্মাদ কমিউনিস্টদের ছাড় নেই বলে, লাহেক আলি জেলবন্দি। তাই গুন্ডা দমনের ছলনায় শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-যুব প্রতারিত বঞ্চিত মানুষ, এককথায় গণআন্দোলন স্তব্ধ করার আইনি অস্ত্র, গুন্ডা দমন আইন। আর বুদ্ধিজীবীরাও ছাড় পাবেন না এর হাত থেকে। হ্যাঁ এ ধরনের আইনে, ১৯৫০ সালে ৬,৩৪২ জন কমিউনিস্টকে আটক করা হয়েছিল, ডিআইআরএ ১৯৬২-৬৭ সালে জ্যোতি বসু ও প্রমোদ দাশগুপ্ত সহ হাজার হাজার মানুষের জেল হয়েছে, মিসা ও অন্য আটক আইনে ১,১০,৮০৬জন বিনা বিচারে বন্দি ছিলেন। কমিউনিস্টরাই এই আইনগুলির বিরোধিতা করেছেন জ্যোতি বসু থেকে আজকের মোস্তাফিজুর রহমান এবং তারাই গণআন্দোলনের মশাল জ্বালান, তারাই প্রেপ্তার হন।
কিন্তু গণ আন্দোলন থামে না, তাকে ককরোচ বা টিকটিকি যাই বলা হোক না কেন এবং জিতুক বা হারুক। এখানে হকার উচ্ছেদ করতে পারলেও, আর এক জায়গায় তাই বুলডোজার অচল হয়। শিক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলায় শিক্ষক-সহ সর্বস্তরের দীর্ঘস্থায়ী লড়াই আজ যন্তর মন্তরে বিস্তৃত হয়েছে— নিট দুর্নীতির বিরুদ্ধে, শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াঙচুক ২৫ দিন আমরণ অনশন করেছেন একা শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে, তার পাশে আজ জনতা, ঐশী থেকে শুরু করে নেহারা অভিজিৎ দীপকেরা। এই ন্যায্য দাবিতে শাবনা আজমী, নাসিরুদ্দীন, বৃন্দা কারাত, এম এ বেবীরা যেমন তেমনি ছাত্র-যুব-মহিলারা দাঁড়িয়েছে। তারুণ্যের উষ্ণতাক্রমে বজ্র হয়ে উঠছে। মোদী সরকারের এতটুকু মানবিকতা থাকলেও; আশা করা যায়, এই মানবপ্রেমী অধ্যাপককে ভারত হারাবে না এবং অন্ততঃ নিট পরীক্ষার ত্রাসে আর কোনও সন্তানকে পৃথিবী ছাড়তে না হয়। না হলে এই গণআন্দোলন তার সাফল্যের রাস্তা খুঁজে নেবেই। বাংলাও এই গুন্ডা দমন আইনের প্রয়োগ দেখেই তার পথ বেছে নেবে প্রয়োজন মতো। সব যুদ্ধ সফল হয় না— কিন্তু লড়াই চালিয়ে যাওয়াই অপরাজিতের লক্ষণ। শত্রু জিতলেও, তার আতঙ্ক ঐ প্রতিস্পর্ধী লড়াইটা বাম ও কমিউনিস্টরা যারা দামামা বাজিয়েই চলে মানুষের অধিকারের স্বার্থে। কোনও আইনের বেড়ি গণআন্দোলনকে বেঁধে রাখতে পারে না।

Highlights

বাংলা এই গুন্ডা দমন আইনের প্রয়োগ দেখেই তার পথ বেছে নেবে প্রয়োজন মতো। লড়াই চালিয়ে যাওয়াই অপরাজিতের লক্ষণ। শত্রু জিতলেও, তার আতঙ্ক ঐ প্রতিস্পর্ধী লড়াইটা বাম ও কমিউনিস্টরা,যারা দামামা বাজিয়েই চলে মানুষের অধিকারের স্বার্থে। কোনও আইনের বেড়ি গণআন্দোলনকে বেঁধে রাখতে পারে না।

Comments :0

Login to leave a comment