তার বিদেশে পড়তে যাওয়া নিয়ে উঠেছিল অনেক প্রশ্ন। এবার সেই সব প্রশ্নের জবাব দিলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সিজেপির আন্দোলনের জেরে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দেশের যুব সমাজের এই আন্দোলনকে কখনই ভালো চোখে দেখেনি আরএসএস এবং বিজেপি, লাগাতার নিশানা করা হয়েছে এই আন্দোলনকে। কিন্তু থামেনি আন্দোলন। এবার দীপকের বিদেশে পড়তে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা। কোথা থেকে এসেছে টাকা তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দীপকে স্পষ্ট জানিয়েছে তার বিদেশে যাওয়ার পুঁজি হচ্ছে স্কলারশিপ এবং স্টুডেন্ট লোন। শনিবার সুরাটের এক ব্যাক্তি দাবি করেন দীপকের বাবা একজন অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মী তিনি কীভাবে ছেলেকে বিদেশে লেখা পড়া করতে পাঠালেন তা দেখা দরকার।
দীপকের কথায় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেমন স্কলারশিপ পেয়েছেন তেমন ভাবে স্টুডেন্ট লোনও নিয়েছিলেন, যা তাকে আজও শোধ করতে হচ্ছে। তিনি এও দাবি করেছেন প্রয়োজনে তার বিদেশ যাওয়ার পুঁজি নিয়ে তদন্ত হতেই পারে তাতে তার কোন সমস্যা নেই।
দীপকে বলেছেন, বর্তমান সময় দাঁড়িয়ে ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমশ মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষের হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। উল্লেখ্য জাতীয় শিক্ষা নীতির মাধ্যমে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ন ভাবে শেষ করে দিয়েছে বিজেপি। বেসরকারি এবং কর্পোরেট সংস্থা গুলোর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে। যার ফলে বেড়েছে লেখা পড়ার খরচ। যার জেরে বাড়ছে ড্রপ আউট। লেখা পড়ার খরচের জন্য যে ড্রপ আউট বাড়ছে তার উল্লেখ রয়েছে ক্যাগের রিপোর্টেই।
সাক্ষাৎকারে আন্দোলনকে ছোট করার জন্য আরএসএস বিজেপি বিভিন্ন সময় অন্য দেশে ঘটে যাওয়া আন্দোলন গুলোর সাথে যেই তুলনা করেছে তারও সমালোচনা তিনি করেছেন। দীপকে বলেন, ‘বাংলাদেশ, নেপালে হয়ে যাওয়া আন্দোলন গুলোর সাথে আমাদের আন্দোলনের তুলনা করা হচ্ছিল যাতে এই আন্দোলনকে ছোট করা যায়। পড়ুয়াদের এই আন্দোলন ছিল সম্পূর্ন ভাবে আলাদা।’ দীপকের কথায় এই আন্দোলন তাদের দেশের প্রতি তাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
Abhijeet Dipke
স্কলারশিপ এবং লোনের মাধ্যমেই বিদেশে পড়তে যাওয়া : দীপকে
×
Comments :0