ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন বা অন্য কোনও আইনে অপরাধমূলক কাজে অভিযুক্ত হলে পুলিশ এবং প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে পারবে। সতর্কতামূলক গ্রেপ্তারির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী আটক করতে পারবে প্রশাসন।
মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে নির্বাচনের আগে আটক করা সংক্রান্ত একটি মামলায় এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
এদিন কলকাতা হাইকোর্টে তৃণমূল সাংসদ এবং আইনজীবী কল্যাণ ব্যানার্জি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চে সতর্কতামূলক গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত একটি আবেদন দায়ের করেন। আবেদনে বলা হয় যে হাইকোর্টের আগের নির্দেশকে অমান্য করে ৩৫০ জনের তালিকা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাইছে।
গত ২২ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গে নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনের পুলিশ পর্যবেক্ষকের নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল। পর্যবেক্ষকের নির্দেশে ‘গোলমাল পাকায় এমন লোকজনকে‘ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট বলেছিল, ‘গোলমাল পাকায়‘ বলে যে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সংস্থান ছিল পর্যবেক্ষকের ওই নির্দেশিকায়।
সংবাদসংস্থা জানিয়েছে যে এদিন কল্যাণ ব্যানার্জির তরফে দায়ের আবেদনে বলা হয় কমিশন হাইকোর্টের নির্দেশকে অমান্য করছে। আবেদন গ্রহণ করা হলেও এদিন কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট করে বলেছে নির্দিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আগের নির্দেশ কোনও বাধা নয়।
নির্বাচনের সময় দুষ্কৃতীদের তালিকা করে সতর্কতামূলক গ্রেপ্তারি বা আটক করে প্রশাসন। যাতে এই অংশ অবাধ ভোটদান প্রক্রিয়ায় বাধা তৈরি করতে না পারে।
High Court Detention
আইন মেনে সতর্কতামূলক আটক করতে পারে প্রশাসন, জানালো হাইকোর্ট
×
Comments :0