মীর আফরোজ জামান: ঢাকা
বৃষ্টির জেরে ব্যাহত হচ্ছে রেল চলাচল। মিলছে না পর্যাপ্ত কয়লা। সড়ক পরিবহণেও বিধিনিষোধ রয়েছে। বিদ্যুৎ, সে কারণে, চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ করা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানোর ব্যাখ্যা দিয়ে বিবৃতিতে এ কথা বলল আদানি ঝাড়খন্ড বিদ্যুৎ সংস্থা। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে থেকে বিদ্যুৎ যায় বাংলাদেশে।
চুক্তি অনুযায়ী ১,৬০০ মেগাওয়াটের বদলে বর্তমানে দিনে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় ১,১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ।
বুধবার কম বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণ ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) দেওয়া এই বিবৃতিতে দেয় আদানি পাওয়ার।
প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ভারতীয় রেলের সঙ্গে তারা কাজ করছে। শিগগিরই স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে বলে আশা করছে।
আদানির বিবৃতিতে বলা হয়, রেল চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সড়ক পরিবহণে একাধিক বিধি নিষেধ রয়েছে। কয়লার জোগানেই সমস্যা হচ্ছে। গোড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা বহনকারী রেকের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
শুধু আদানি পাওয়ারের গোড্ডা কেন্দ্র নয়, অতিবৃষ্টির কারণে ভারতের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রও কয়লা সরবরাহের সমস্যা হচ্ছে। এদিকে বাংলাদেশে পায়রা ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি করে ইউনিট বর্তমানে বন্ধ বা সীমিত সক্ষমতায় চলছে। ফলে দেশে বিদ্যুৎ জোগানেও চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় কম হতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে কয়লা পরিবহনের পরিস্থিতিও শিগগির স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছে আদানি পাওয়ার।
বুধবার জাতীয় সংসদে বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
Comments :0