Amit Shah Evasive while Dipke hints 'Season-2'

সংসদে জবাবদিহি নেই শাহের, ফের আন্দোলনের ইঙ্গিত দীপকের

জাতীয়

স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে সভা করা যাচ্ছে না। দিল্লির একটির পর একটি সভাগৃহ খারিজ করছে আবেদন। সবাই বলছে ‘ওপর তলার আদেশ’। একটি হলের মালিক রাজি হলেও শেষ মুহূর্তে বাতিল করেছেন অনুমতি।
এমন পরিস্থিতি জানিয়ে ফের আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত দিলের ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম সংগঠন অভিজিৎ দীপকে। 
এদিকে, বুধবার, ১২ আগস্ট, অমিত শাহ সংসদে নিজের গরহাজিরাকে যুক্তিযুক্ত করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁর মন্তব্য, সংসদ না চললে কক্ষে গিয়ে লাভ কী। 
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই, ককরোচ জনতা পার্টি ডাকে মিছিলে নির্মম দমন চালায় দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন এই বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শাহের জবাবদিহি দাবি করে চলেছেন বিরোধীরা। ২০ জুলাইয়ের পর থেকে সংসদে যাননি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। কাল, ১৩ আগস্ট, সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হওয়ার কথা। 
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বুধবারই বলেছেন, অমিত শাহের ভাষণ শুনতে আমরা রাজি নই। আমরা তাঁর পদত্যাগ চাইছি। কারা দিল্লিতে ছাত্রদের ওপর গুলি চালালো দিল্লিতে? কে এই নির্দেশ দিল? কেন এক ছাত্রের চোখ নষ্ট হলো? পেরেক লাগানো লাঠি দিয়ে দমনের নির্দেশ কার? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কার নির্দেশ কার্যকর করল? 
সোশাল মিডিয়ায় দীপকের মন্তব্য, ‘‘অনেকেই ইনস্টাগ্রামে ‘যন্তর মন্তর’ সিজন-টু নিয়ে মন্তব্য করছেন। তাদের বলছি, খুব তাড়াতাড়িই ‘যন্তর মন্তর’ সিজন-টু শুরু হচ্ছে।’’ 
ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনে শামিল হয়েছে বস্তুত সারা দেশ। প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হয় কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। জবাবদিহি করতে নারাজ নরেন্দ্র মোদী সরকারকে পিছাতে হয় আন্দোলন দেশময় ছড়িয়ে পড়ায়। 
যন্তর মন্তরের আন্দোলনে পুরোদমে শামিল থেকেছে এসএফআই, এআইএসএ’র মতো বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। 
আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দিলেও হেনস্তার বহু ঘটনা রয়েছে। 
এদিকে অমিত শাহ বিরোদীদের বলেছেন ছাত্র বিক্ষোভে আলোচনা চেয়ে লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিতে। তিনি নিজেও লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে আলোচনার সময় নির্দিষ্ট করার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু সেই চিঠিতে পুলিশের দমন নিয়ে আলোচনার উল্লেখই নেই। উলটে সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজেজু বলেছেন যে শাহ জবাব দিতে তৈরি। কিন্তু বিরোধীরা আলোচনা ঘুরিয়ে যেন না দেয়। পুরো বক্তব্য যেন শোনে। এমন বিবিধ শর্ত চাপানোর বিরোধিতা করেন বিরোধীরা।

Comments :0

Login to leave a comment