শিক্ষা আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানো আইনের ছাত্রদেরকে বিপাকে ফেলতে চেয়েছিলেন। এখন নিজেই বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছেন বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্র।
বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার কো-চেয়ারম্যান ওয়াই আর সদাশিব রেড্ডি চেয়ারম্যানের পদ ছাড়তে বলে চিঠি দিয়েছেন মিশ্রকেই। রেড্ডি চিঠিতে বার কাউন্সিলের টাকার হিসেবও চেয়েছে। প্রায় ১৫০ কোটি টাকা কোথায় কিভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে, জানতে চেয়েছেন তা-ও।
মনন মিশ্র সম্প্রতি খবরে এসেছেন ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের জেরে। দিল্লিতে ছাত্রদের ওপর পেলেট গান চালানো মতো নিপীড়নে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত আদালতের সময় নষ্টের কথা বলে আবেদন সরিয়ে রাখেন।
প্রধান বিচারপতির আচরণে ক্ষোভ জানান আইনের ছাত্ররা। আইনের পাঠে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ‘নালসার’-র ছাত্ররা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন। তাঁরা বলেন যে প্রধান বিচারপতিকে তাঁদের সমাবর্তনে প্রধান অতিথি করা যাবে না। এই প্রতিষ্ঠানে সাংবিধানিক বোধের পাঠ দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে খাপ খায় না।
এরপরই, গত ১৩ আগস্ট, মনন কুমার মিশ্র নেমে পড়েন। তিনি ঘোষণা করেন যে বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া ‘নালসার’-র ২০২৬’র কোনও স্নাতককে সদস্য হতে দেবে না। বিভিন্ন রাজ্যের বার কাউন্সিলেও পাঠান চিঠি। বার কাউন্সলের সভাপতির আচরণে বহু অংশ প্রতিবাদ জানায়। ককরোচ জনতা পার্টিও পদত্যাগের দাবি তুলেছিল। পরের দিনই ক্ষমা চাইতে হয় মনন মিশ্রকে।
এদিকে রেড্ডির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে মিশ্র বলেছেন, গত আট বছরে তিনি কিছু বলেননি। রেড্ডি নিজে কোনও রাজ্যের বার কাউন্সিলের সদস্য নন। মিশ্রের দাবি, আর্থিক বেনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
Manan Mishra
শাসিয়েছিলেন ছাত্রদের, এবার মনন মিশ্রের পদত্যাগ দাবি বার কাউন্সিলের কো-চেয়ারম্যানের
×
Comments :0