ঐশী ঘোষের বিরুদ্ধে দায়ের জামিন অযোগ্য পরোয়ানা আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিল দিল্লির আদালত। ২০২১’র একটি ঘটনার ভিত্তিতে দায়ের অভিযোগে এসএফআই নেত্রী ঐশীর বিরুদ্ধে দায়ের হয় এই পরোয়ানা।
গতকাল, মঙ্গলবার, ঐশী ঘোষকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির দ্তর এক গোপালন ভবনে হানা দেয় দিল্লি পুলিশ। পুলিশের নামফলক ছিল না পোশাকে, সাদা পোশাকেও গিয়েছিলেন কয়েকজন। ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি। প্রতিক্রিয়া পড়ে রাজনৈতিক মহলেও।
যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির অবস্থান বিক্ষোভে যুক্ত থেকেছে এসএফআই। ঐশী নিজে এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বসেছেন অনশনেও। চাপে পড়ে প্রতিবাদী ছাত্রদের বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি বাধ্য হন কেন্দ্রের দুই মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং জেপি নাড্ডা। কিন্তু ঐশীকে ধরতে ২০২১’র পরোয়ানা নিয়ে চলে আসে দিল্লি পুলিশ।
এদিন দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টের বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা স্থগিত রাখেন। ঐশীর পক্ষে আইনজীবীরা জানান অনিবার্য কারণে আগের দিন শুনানিতে তিনি হাজির থাকতে পারেননি। ৩০ আগস্ট ঐশীকে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারপতি। ততদিন স্থগিত রাখেন পরোয়ানা।
বুধবারই ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখ্য সংগঠন অভিজিৎ দীপকে একটি বার্তায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের হেনস্তার প্রতিবাদ জানান। সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, মনে করিয়ে দেন তা-ও।
২০২১ সালে বঙ্গ ভবনে কর্মসূচিতে অংশ নেন ঐশী। ওই সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় একাধিক অভিযোগ। তার মধ্যে রয়েছে কর্তব্যরত সরকারি কর্মীর কথা না শোনা। অপরাধের উদ্দেশ্য নিয়ে জোর করে ঢুকে পড়া। দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগের ভিত্তিতেই জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারির রাস্তায় হেঁটেছিল।
এদিন সংসদেও ওঠে সিপিআই(এম) দপ্তরে দিল্লি পুলিশের হানার বিষয়টি। জেপি নাড্ডা দাবি করেন, দিল্লি পুলিশ তদন্তে নেমে নিয়মমাফিক কাজ করেছে। এর সঙ্গে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে ছাত্র বিক্ষোভে অংশ নেওবার প্রশ্ন নেই। বিরোধীরা যদিও সরকারের এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
Delhi Court Stayed Warrant against Aishe Ghosh
ঐশী ঘোষের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা আপাতত স্থগিত
×
Comments :0