দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনায় চীনে পৌঁছাচ্ছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় নয় বছর বাদে আমেরিকার কোনও রাষ্ট্রপতি যাচ্ছেন চীনে।
বাণিজ্য ছাড়াও ইরান এবং মধ্য প্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প আলোচনা করবেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিঙের সঙ্গে।
চীনের সংবাদমাধ্যম ‘শিনহুয়া‘-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘একাধিক ওঠানামা সত্ত্বেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হবে আমেরিকার রাষ্ট্রপতির এই সফরে।’’
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘গত বছর অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে শি-ট্রাম্প আলোচনা হয়েছিল। তারপর থেকে দুই রাষ্ট্রপতি টেলিফোনে সংযোগ রেখেছেন বিভিন্ন সময়ে।’’
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর শুল্ক চাপানোর নীতি ঘিরে চীনের সঙ্গে সংঘাত চরমে পৌঁছায়। চীন পিছিয়ে না গিয়ে পালটা শুল্ক চাপায়। শেষে পেছাতে হয় ট্রাম্প প্রশাসনকে।
ট্রাম্পের এই সফরের আগে শি বলেছেন, ‘‘আলোচনা সর্বদা সংঘাতের চেয়ে ভালো বিকল্প। চীন এবং আমেরিকা অনেক ক্ষেত্রেই যৌথ দায়িত্ব নিতে পারে।‘‘
চলতি অর্থবর্ষেই চীন চালু করেছে পঞ্চদশ যোজনা কমিশন। আমেরিকা পালন করছে স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী পালন।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চীন প্রতিবেশি জাপানের সামরিকীকরণের প্রয়াসেরও বিরোধিতা করেছে। তাইওয়ানকে আমেরিকার অস্ত্র বিক্রিরও প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন।
গত সপ্তাহেই চীন সফরে গিয়েছিলেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। চীনের বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, মধ্য প্রাচ্যে শান্তি জরুরি। ইরান-আমেরিকার স্থায়ী সংঘর্ষ বিরতি হওয়া উচিত। আগ্রাসন কোনও সমাধান হতে পারে না। মধ্য প্রাচ্যে শান্তির পক্ষে চীন সক্রিয়তা বজায় রাখবে।
আমেরিকার সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে যে শুল্কের পাশাপাশি ট্রাম্প কথা বলবেন ইরান পরিস্থিতি নিয়ে। কথা হবে বাণিজ্য, বিশেষ করে, প্রযুক্তি বিনিময় নিয়ে। আমেরিকা চীনের তৈরি চিপ এবং এআই বাণিজ্যের ওপর বারবার বিধিনিষেধ চাপাচ্ছে। আমেরিকার কংগ্রেসের এই লক্ষ্যে পেশ হতে পারে বিলও। এ বিষয়ে চীনের আপত্তি নিয়ে কথা হবে শীর্ষ বৈঠকে।
এর আগে ২০১৭-তে চীন সফরে গিয়েচিলেন ট্রাম্প। তাঁকে স্বাগত জানানো হবে ‘গ্রেট হল অব দ্যা পিপল‘-এ।
Trump Xi
শি’র সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে চীনে পৌঁছাচ্ছেন ট্রাম্প
×
Comments :0