সাঁঝবাতি সান্যাল
চিকিৎসা শিক্ষায় দেহদান অপ্রয়োজনীয়- স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য শুধু ভুল নয়, ইতিহাসের এক নির্মম পরিহাস। স্বাস্থ্য মন্ত্রী যখন বলেন, চিকিৎসা শিক্ষায় মানবদেহ দানের আর বিশেষ প্রয়োজন নেই, ত্রিমাত্রিক ছবি আছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে, প্রযুক্তি আছে— তখন কথাটি শুনে ভ্রম হতে পারে, তিনি বুঝি চিকিৎসা শিক্ষাকে আধুনিক করার কথা বলছেন। কিন্তু একটু গভীরে গেলেই বোঝা যায়, এ কেবল প্রযুক্তি সম্পর্কে একটি সরলীকৃত ধারণা নয়। এর মধ্যে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞান সম্পর্কে এক বিপজ্জনক অজ্ঞতা, ইতিহাস সম্পর্কে এক সুবিধাবাদী বিস্মৃতি এবং তার চেয়েও বড় কথা, গৈরিক রাজনীতির সেই পুরানো প্রবণতা - বিজ্ঞানের ভাষা ধার করে অবৈজ্ঞানিক ধারণাকে প্রতিষ্ঠা করা।
আজকের বক্তব্যটির সঙ্গে প্রায় দুই শতাব্দী আগের বাংলার একটি দৃশ্যকে পাশাপাশি রাখলে বৈপরীত্যটি আরও নির্মম হয়ে ওঠে। একদিকে ১৮৩৬-এর কলকাতা মানবদেহ ব্যবচ্ছেদের মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষায় যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও প্রত্যক্ষ প্রমাণের নতুন দরজা খুলছে; অন্যদিকে সেই উদ্যোগের বিরুদ্ধে রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের একাংশের প্রবল প্রতিরোধ। মৃতদেহ স্পর্শ করা, তাকে ছুরি দিয়ে কেটে দেখা, তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরীক্ষা করা— এসবকে ধর্মবিরুদ্ধ, জাতবিরুদ্ধ, পবিত্রতার বিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে হাঙ্গামা বাধানো হয়েছিল। মেডিক্যাল কলেজে প্রথম ব্যবচ্ছেদকারী মধুসূদন গুপ্তের মতো মানুষকে সামাজিক বর্জনের মুখেও পড়তে হয়েছিল।
অর্থাৎ বাংলায় আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সূচনালগ্নেই একটি সংঘর্ষ স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তখন ধর্মীয় নিষেধের নামে ব্যবচ্ছেদের বিরোধিতা হয়েছিল; আজ প্রযুক্তির নামে দেহদানের প্রয়োজনীয়তাকে খাটো করা হচ্ছে। ভাষা বদলেছে, যুক্তির পোশাক বদলেছে, কিন্তু বিজ্ঞানবিরোধী প্রবণতার ভিতরে কোথাও কি সেই একই অন্ধকার ফিরে আসছে না?
তফাত শুধু এই যে, উনিশ শতকের গোঁড়ারা নিজেদের অবস্থানকে গোঁড়ামি বলেই প্রকাশ করতেন; আজকের গৈরিক রাজনীতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শব্দভাণ্ডার ধার করে সেই গোঁড়ামিকে আধুনিকতার মুখোশ পরাতে চায়।
এইখানেই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি কি মানবদেহের বিকল্প? ত্রিমাত্রিক ছবি কি বাস্তব দেহ? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি মানুষের শরীরের স্পর্শ, বৈচিত্র, টিস্যুর বাস্তব গঠন, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক বিন্যাস এবং শল্যচিকিৎসার বাস্তব জটিলতার বিকল্প? একটি পর্দায় নিখুঁত ত্রিমাত্রিক ছবি দেখে কি একজন চিকিৎসক সেই একই জ্ঞান অর্জন করতে পারেন, যা একটি বাস্তব মানবদেহের প্রত্যক্ষ অধ্যয়ন থেকে আসে? এই প্রশ্নগুলির কোনোটিরই উত্তর প্রযুক্তির নাম উচ্চারণ করে দেওয়া যায় না।
চিকিৎসা বিজ্ঞান কোনও ছবি দেখার বিদ্যা নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান বাস্তব দেহকে জানার বিদ্যা। রোগীর শরীর কোনও কম্পিউটার-নির্মিত নকশা নয়। প্রত্যেক মানুষের দেহে বৈচিত্র্য আছে। পাঠ্যপুস্তকের ছবিতে যে অঙ্গটি নিখুঁত অবস্থানে থাকে, বাস্তব দেহে তার অবস্থান, আকৃতি, রক্তনালীর বিন্যাস, স্নায়ুর পথ, পেশি ও অন্যান্য কলার সম্পর্ক ভিন্ন হতে পারে। সেই বৈচিত্রের সঙ্গে পরিচয় না থাকলে চিকিৎসাবিদ্যা কেবল মুখস্থ বিদ্যায় পরিণত হয়। শল্যচিকিৎসা তো আরও বেশি বাস্তব দেহনির্ভর। সেখানে পর্দার নিখুঁত ছবি নয়, বাস্তব শরীরের অনিশ্চয়তার মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তাই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি, অবশ্যই জরুরি। ত্রিমাত্রিক প্রতিরূপ চাই, অনুকরণভিত্তিক শিক্ষা চাই, উন্নত চিত্রায়ন চাই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চাই। কিন্তু এগুলি বাস্তব মানবদেহের বিকল্প নয়; এগুলি বাস্তব দেহকে আরও ভালো করে বোঝার সহায়ক। প্রযুক্তি দিয়ে বাস্তবকে সরিয়ে দেওয়ার যে যুক্তি, সেটিই অবৈজ্ঞানিক।
আর এখানেই এসে পড়ে দেহদানের প্রশ্ন। দেহদান কেবল চিকিৎসাশিক্ষার জন্য মৃতদেহ সরবরাহের ব্যবস্থা নয়। এর মধ্যে রয়েছে মানুষের নিজের শরীর সম্পর্কে একটি আধুনিক, যুক্তিনিষ্ঠ ও মানবিক সিদ্ধান্ত। একজন মানুষ বলছেন আমার জীবন শেষ হলেও আমার শরীরের শেষ ব্যবহারটি যেন মানুষের কাজে লাগে; আমার দেহ যেন ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের শিক্ষায় কাজে আসে; আমার মৃত্যুর পরেও মানব কল্যাণের সঙ্গে আমার একটি সম্পর্ক বজায় থাকে।
একটি ধারায় মানুষকে বলা হয়— তোমার শরীর পবিত্র, মৃত্যুর পরও তাকে নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচারেই ফিরিয়ে দিতে হবে; মৃতদেহের সঙ্গে বিজ্ঞানীর সম্পর্কের আগে ধর্মীয় নিষেধের সম্পর্ক। বস্তাপচা মনুস্মৃতির পঞ্চম অধ্যায়ে লেখা আছে বর্ণভেদ অনুসারে মৃতদেহ সৎকার করবার, দাহ করবার, শ্রাদ্ধ, তর্পণ, পিণ্ডদান, অশৌচ পালধের বিধান। অন্য ধারায় বলা হয়— মানুষের শরীর প্রকৃতির অংশ, মৃত্যুর পরও তা মানবকল্যাণে কাজে লাগতে পারে; অন্ধ আচার নয়, মানুষের প্রয়োজনই শেষ কথা— সনাতন জীর্ণ কু-আচার চূর্ণ করি জাগো জনগণ; ঘুচাও এ দৈন্য হাহাকার জীবন-মরণ করি পণ। একটি ধারায় মৃতদেহের চারপাশে ভয়, নিষেধ ও পবিত্রতার প্রাচীর তৈরি হয়। অন্য ধারায় সেই প্রাচীর ভেঙে দেহকে জ্ঞানের, গবেষণার এবং মানব কল্যাণের কাজে উৎসর্গ করা হয়। এই দুই ধারার সংঘর্ষই আজ আবার আমাদের সামনে।
তাই বর্তমান স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বক্তব্যকে নিছক একটি বিচ্ছিন্ন প্রশাসনিক মন্তব্য বলে দেখলে ভুল হবে। তাঁর বক্তব্য যে রাজনৈতিক পরিসর থেকে আসছে, সেই পরিসরই একদিকে পৌরাণিক অতীতের গৌরবগাঁথা দিয়ে আধুনিক ভারতের ইতিহাস পুনর্লিখন করতে চায়, অন্যদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নির্বাচিত শব্দ ব্যবহার করে নিজের আধুনিকতার প্রমাণ দিতে চায়। এই দ্বিচারিতা চিহ্নিত করা জরুরি।
বিজ্ঞানমনস্কতা মানে প্রমাণের সামনে নিজের বিশ্বাসকে দাঁড় করানো। বিজ্ঞানমনস্কতা মানে ঐতিহ্যকে শ্রদ্ধা করার নামে প্রশ্নহীন আনুগত্য নয়। বিজ্ঞানমনস্কতা মানে প্রশ্ন করা। সংশয় প্রকাশ করা। পরীক্ষা করা। ভুল প্রমাণিত হলে নিজের বক্তব্য বদলানো।
গৈরিক রাজনীতি ঠিক তার বিপরীত পথে হাঁটে। সেখানে প্রথমে সিদ্ধান্ত তৈরি হয়, পরে তার পক্ষে যুক্তি খোঁজা হয়। কখনও পুরাণকে ইতিহাস বলা হয়, কখনও বিশ্বাসকে বিজ্ঞান বলা হয়, কখনও প্রাচীন গ্রন্থে আধুনিক প্রযুক্তির আবিষ্কার খুঁজে পাওয়া যায়, আবার কখনও আধুনিক প্রযুক্তির নাম করে এমন একটি বৈজ্ঞানিক শিক্ষাপদ্ধতিকে অপ্রয়োজনীয় বলে ঘোষণা করা হয়, যার ঐতিহাসিক গুরুত্বই ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক গোঁড়ামির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।
১৮৩৬ সালে মধুসূদন গুপ্তদের হাতে যে ছুরি ছিল, সেটি শুধু একটি মৃতদেহের চামড়া কাটেনি; সেটি কেটেছিল অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও জাতপাতের এক সামাজিক প্রাচীর। আজকের গৈরিক রাজনীতি সেই প্রাচীরকে সরাসরি ফিরিয়ে আনতে না পারলেও তার মানসিক কাঠামোকে নানাভাবে পুনর্নির্মাণ করতে চায়। কখনও ধর্মীয় আবেগে, কখনও সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের নামে, কখনও বিজ্ঞানের শব্দ ধার করে। আজ তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রশ্নটি শুধু এই নয় যে দেহ ব্যবচ্ছেদ চিকিৎসা শিক্ষায় প্রয়োজনীয় কি না, প্রশ্নটি আরও বড়।
কোন সমাজ আমরা চাই? যে সমাজে মৃত্যু মানেই ধর্মীয় আচার, জাতিগত পরিচয় ও শরীর নিয়ে নিষেধের পুনরাবৃত্তি? নাকি এমন সমাজ, যেখানে মানুষ নিজের শরীরের ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও যুক্তিনিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নিতে পারে? যে রাজনীতি মানুষকে অতীতের পৌরাণিক গৌরবে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়? নাকি এমন রাজনীতি, যা মানুষকে অন্ধ বিশ্বাসের গণ্ডি পেরিয়ে ভবিষ্যতের জ্ঞান, বিজ্ঞান ও মানব কল্যাণের দিকে নিয়ে যায়?
একটি দর্শন মানুষকে তার যুক্তিবোধ, সামাজিক দায় এবং মানবিকতার উপর আস্থা রাখতে শেখায়। অন্যটি মানুষের অতীত পরিচয়, ধর্মীয় আবেগ ও প্রতীকের উপর রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়। একটি দর্শন বলে, মৃত্যুর পরেও তোমার দেহ মানুষের কাজে লাগুক। অন্যটি বলে, ত্রিমাত্রিক ছবি আছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে, তাই বাস্তব দেহের আর দরকার কী!
মধুসূদন গুপ্তের ব্যবচ্ছেদের ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বিজ্ঞানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা অনেক সময় যন্ত্রের অভাব নয়— মানুষের মাথার ভিতরের গোঁড়ামি। জ্যোতি বসুর দেহদান মনে করিয়ে দেয়, সেই গোঁড়ামির বিরুদ্ধে লড়াই শুধু পরীক্ষাগারে হয় না; সমাজেও হয়, রাজনীতিতেও হয়, মানুষের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেও হয়। আর আজকের বিতর্ক আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে - বিজ্ঞানকে রক্ষা করতে হলে শুধু বিজ্ঞান শেখালেই হবে না; বিজ্ঞানের নামে যে অবিজ্ঞান কথা বলে, তাকেও চিহ্নিত করে পর্যুদস্ত করতে হবে।
আমরা প্রযুক্তির বিরোধী নই। বরং প্রযুক্তির আরও বিস্তৃত ব্যবহারের পক্ষেই আমরা। চিকিৎসা শিক্ষায় ত্রিমাত্রিক প্রতিরূপ থাকুক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকুক, উন্নত চিত্রায়ণ থাকুক, অনুকরণভিত্তিক শিক্ষার ব্যবস্থা থাকুক। এ রাজ্যের প্রায় কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলেজেই সে সবের ব্যবস্থা নেই, দ্রুত সেসব করুক সরকার। কিন্তু তার সঙ্গে বাস্তব মানবদেহের প্রত্যক্ষ অধ্যয়নও থাকুক। কারণ নতুন প্রযুক্তি পুরানো সত্যকে বাতিল করে না; তাকে আরও গভীরভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি করে।দেহদান তাই অপ্রয়োজনীয় নয়। বরং আজকের দিনে দেহদানের সামাজিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা দরকার।
আর সেই কারণেই স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুধু চিকিৎসক সমাজের পেশাগত প্রতিবাদ হওয়া উচিত নয়। এটি হওয়া উচিত বৃহত্তর বিজ্ঞানমনস্ক সমাজের প্রতিবাদ। কারণ প্রশ্নটি একটি মৃতদেহের নয়। প্রশ্নটি জীবিত সমাজের চেতনার।
মধুসূদন গুপ্তদের হাতে যে স্ক্যালপেল-ছুরি-কাঁচি সনাতনী গোঁড়ামি আর কুসংস্কারের শরীর চিরেছিল, জ্যোতি বসুর দেহদান যে মানবিক ও যুক্তিবাদী উত্তরাধিকারকে আরও শক্তিশালী করেছিল, সেই উত্তরাধিকারকে আজ প্রযুক্তির চকচকে মুখোশ পরা গৈরিক গোঁড়ামির হাতে সমর্পণ করা যাবে না। বিজ্ঞানকে বিজ্ঞানের হাতেই থাকতে দিতে হবে। প্রযুক্তিকে প্রযুক্তির যথাস্থানে রাখতে হবে। আর রাজনীতিকে মানুষের যুক্তিবোধের উপর কর্তৃত্ব করার অধিকার দেওবা যাবে না। কারণ বিজ্ঞানের অগ্রগতি মানে অতীতকে অস্বীকার করা নয়; অতীতের কুসংস্কারকে অতিক্রম করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়া।
মধুসূদন গুপ্তের সময়ে সেই লড়াই ছিল মৃতদেহ ছোঁয়ার অধিকার নিয়ে। জ্যোতি বসুদের সময়ে সেই লড়াই ছিল মৃত্যুর পরেও মানুষের কাজে থাকার অধিকার নিয়ে। আর আজকের লড়াই হল প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে বিজ্ঞান বিরোধী রাজনীতির কালো হাত থেকে আমাদের শিক্ষা ও সমাজ চেতনাকে বাঁচানোর।
এই লড়াইয়ে পক্ষ বেছে নিতে খুব বেশি বুদ্ধির দরকার নেই। এক পাশে মধুসূদন, এবং বিজ্ঞানমনস্ক প্রগতিবাদী মানুষ যাঁরা যুক্তি, বিজ্ঞান ও মানবকল্যাণের উত্তরাধিকার। অন্য পাশে গৈরিক গোঁড়ামি— কখনও ধর্মের নামে, কখনও জাতের নামে বজ্জাতিতে, কখনও প্রযুক্তির নামে কুযুক্তিতে। বাংলার বিজ্ঞানমনস্ক মানুষকে ঠিক করতে হবে, তারা কোন উত্তরাধিকার বহন করবেন।
Highlights
আজকের দিনে দেহদানের সামাজিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা দরকার। আর সেই কারণেই স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুধু চিকিৎসক সমাজের পেশাগত প্রতিবাদ হওয়া উচিত নয়। এটি হওয়া উচিত বৃহত্তর বিজ্ঞানমনস্ক সমাজের প্রতিবাদ। কারণ প্রশ্নটি একটি মৃতদেহের নয়। প্রশ্নটি জীবিত সমাজের চেতনার।
Comments :0