বারবার সরকারি নির্দেশিকা জারি করার পরও জরাজীর্ণ বিপজ্জনক বাড়ি না ভাঙায় তিনদিনের বর্ষার পর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল রানিগঞ্জের তিলক রোড এলাকায়। এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ প্রশাসন ও রানিগঞ্জ ফায়ার ব্রিগেড এই বাড়ি ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা চলে পৌঁছে এলাকাটিকে ঘিরে দেয়।
রানিগঞ্জের ৯২ নাম্বার ওয়ার্ডের তিলক রোডের অবস্থিত কেডিয়া পরিবারের দীর্ঘ প্রাচীন তিন তলা বাড়ি। আগেই বাড়িটিকে বিপজ্জনক ঘোষণা করেছিল পৌর প্রশাসন। পরবর্তীতে কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও বাড়িটিকে ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে পারিবারিক বিবাদের কাজ থমকে থাকে।
বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ সেই বাড়িটি হঠাৎ করে ধসে পড়ে। সে সময় ওই রাস্তা দিয়ে মানুষজনের চলাচল কম থাকায় বড়ো কোন বিপদ ঘটেনি। পুলিশ প্রশাসন ও দমকল বিভাগ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই এলাকাটিকে ঘিরে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রানিগঞ্জের বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক বাড়ি রয়েছে। বোর্ড লাগানো হলেও বাড়ির মালিকরা কোনও ব্যবস্থা নেননি । আশেপাশে বসবাস বা যাতায়াত করাও বিপজ্জনক হয়ে রয়েছে। হুঁশিয়ারি দিলেও প্রশাসন বাড়ি ভেঙে জরিমানা আদায় করেনি। রানিগঞ্জ তিলক রোডে কয়েক বছর আগে জরাজীর্ণ একটি বাড়ি ভেঙে এক যুবকের মৃত্যুও হয়। রানিগঞ্জ এলাকায় ৩৫ টি জরাজীর্ণ বাড়ি ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কার্যকর হয়নি। প্রশাসনের উদাসীনতায় ক্ষোভ বাড়ছে রানিগঞ্জে।
Comments :0