মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আমেরিকার সেনা ঘাঁটিতে আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে ইরান। দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর দুবাই এবং দোহার কাছে বিস্ফোরণের তথ্য দিচ্ছে পশ্চিমী সংবাদমাধ্যমও।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে ইজরায়েলেও। তেল আভিভে একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেমেইয়ের মৃত্যুর কড়া জবাব দেওয়া হচ্ছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বলেছে দেশে চল্লিশ দিন শোকপালন চলবে। সেই সঙ্গে অবৈধ হানাদারির সামরিক প্রতিরোধ চলবে পুরোদমে।
ইজরায়েলের বিভিন্ন অংশে নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করে রেখেছে প্রশাসন।
কাতারের প্রশাসন জানিয়েছে ইরানের অন্তত ৬৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। কাতারেই আমেরিকার সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটি মধ্য প্রাচ্যে। তবে কাতারের দাবি বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত এবং ড্রোন মাঝপথে ধ্বংস করা গিয়েছে।
এদিকে ইজরায়েল রবিবার বলেছে যে ইরানের রাজধানী তেহরানে ফের সামরিক আঘাত হানা হয়েছে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বলেছেন, ‘‘বিমানবাহিনীকে সংহত করা হচ্ছে। তেহরানের বিভিন্ন লক্ষ্যে পরপর আঘাত হবে।’’
সংবাদ প্রতিষ্ঠান ‘আল জাজিরা‘ জানাচ্ছে যে খামেনেইয়ের উত্তরাধিকারী ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আয়াতোল্লা আলিরেজা আরাফি, বিচারবিভাগীয় প্রধান গোলাম হোসেন মহসেনি এজেজি এবং রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেসকিয়ানকে নিয়ে গড়া হয়েছে সাময়িক শাসন পরিষদ। সরকারি সর্বোচ্চ স্তরে সিদ্ধান্ত নেবে এই পরিষদই।
Retaliation Iran
খামেনেইকে হত্যার পালটা হানা ইরানের, তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র ইজরায়েলের
×
Comments :0