জব কার্ডে কাজ নেই। বন্যা ও অতিবৃষ্টির ত্রানে দলবাজি, আবাস ও অন্নপূর্ণায় কাটমানি ও বঞ্চনা, ফসলের ন্যাহ্য দাম, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সব মহিলা ভাতা পাবে ৩০০০ হাজার, ভোটের পর বুলডোজার, নদী ভাঙন ও শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের রাজত্বের মতো দূষন, এমন ঘটনার প্রতিকারে শ্রমিক, কৃষক, ক্ষেতমজুর সংগঠনের এর ডাকে জনরোষের চেহেরায় লাল ঝান্ডা নিয়ে খড়্গপুর গ্রামীন ১ নং বিডিও দপ্তর অভিযান সহ বিক্ষোভ ঘেরাও অবস্থান হয়। সেই বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখেন সিআইটিইউ জেলা সভাপতি কমল পলমল, কৃষক সভার জেলা সম্পাদক প্রানকৃষ্ণ মন্ডল, ক্ষেতমজুর সংগঠনের জেলা সম্পাদক চিত্ত পাল প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক নেতা দিলীপ সাউ।
সতকুই এর তিন কিমি পথে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে বিডিও দপ্তর অভিযানে শতশত মানুষ সামিল হয়। মহিলাদের অংশ গ্রহন ছিলো নজরকাড়া।
জনগণের সংকট ও সমস্যা সমাধানের দাবিতে বিডিও দপ্তরে ডেপুটেশনে পুলিশের বাধা। পুলিশ বাধা দিলে বিডিও দপ্তরের আটকানো গেট সরিয়ে মানুষ দখল নেয় বিডিও দপ্তর চত্বর। জনরোষের চেহেরায় চলে ঘেরাও বিক্ষোভ। তিন ঘন্টা সময় ধরে অবস্থান বিক্ষোভ সহ ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় এলাকা।
বিক্ষোভ সভায় শ্রমিক নেতা ও জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক বিজয় পাল বলেন, "বিডিও দপ্তর চত্বর এখন দেখলে মনে হবে গেরুয়া বাহিনীর অফিস। বিডিও অফিস চত্বর জুড়ে বিজেপি ও গেরুয়া বাহিনীর একাধিক সংগঠনের কর্মসূচি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যানার। কিন্তু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটিও কথা নেই। ভোটের পর সেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন না করে তা নজর এড়াতে দমন পীড়ন অত্যাচারের হুমকি নামিয়ে আনছে। জনরোষের চেহেরায় তার প্রতিরোধ জনতাই করবেই। তাতে লালঝান্ডা অতন্দ্রী প্রহরের কাজ করবে। তিনি বলেন, আজ ৪ মাস পার বিজেপি সরকার। এসআইআর নামে লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভোটাধিকার বাদ গেলো। তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে সরকার ও প্রসাশন নীরব থেকে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। উল্টে ভাতা বন্ধ, রেশন বন্ধ, সামাজিক সুরক্ষার অধিকার হরণ করছে।
তিনি বলেন, “দুর্নীতিবাজ তৃণমূল সরকারের এক সময়ের মাথা ও মধ্যমনি এখন বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সিপিআই(এম)-র ভূত দেখছেন। তৃণমূলের সব দুর্নীতিবাজ ও গুন্ডাদের সমাহার করে গুন্ডা দমন আইন প্রতিবাদীদের ওপর ব্যবহার করছে। আমরাই আইনি লড়াই করে আদায় করেছি বাতিল হওয়া ভোটারদের দ্রততার সঙ্গে ট্রাইবুনালে সমাধান করতে হবে এবং এদের কোনও প্রকার ভাতা বন্ধ করা যাবে না। জনগণের সংকোট ও সমস্যা সমাধানের দাবীতে লাল ঝান্ডার লড়াই আরও তীব্র হবে প্রতিটি সরকারী দপ্তরে সহ রাজপথে। এই বাংলার ঐতিহ্য সংস্কৃতি পরম্পরা উদ্ধারে লাল ঝান্ডার লড়াইতে মানুষকে সমবেত হবেন।”
Comments :0