মণ্ডা মিঠাই
নতুনপাতা
মহাজীবনের পথে
তপন কুমার বৈরাগ্য
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বর্ষ ৩
আর বেশিদিন দেরি নেই মানুষ যেদিন সেই মহাজীবনের পথে পা বাড়াবে।এটা সম্ভব হবে অ্যাণ্ড্রু ফায়ার এবং ক্রেগ মেলোর যৌথ উদ্যগে।এরা দুজনে যৌথ ভাবে ২০০৬খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কার পান। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এদের আবিষ্কার আর এন এ ইনফারেন্স নামে পরিচিত।
এটা আমাদের শরীরের ক্ষতিকারক জিনকে এক নিমেষে ধ্বংস করে দিতে পারে।এই ক্ষতিকারক জিন ধ্বংস হলে মানুষ যে কোনো মারণরোগ থেকে রক্ষা পাবে।এইডস,হেপাটাইটিস,ক্যানসারের মতন রোগ থেকে মানুষ মুক্তি পাবে।এতোদিন অনেক কিছুই
আবিষ্কার হয়েছে; কিন্তু মানুষ প্রাণীদেহের ভাইরেসকে নষ্ট করার কোনো পদ্ধতি আবিষ্কার করতে পারেনি।এই আবিষ্কারের ফলে মানুষের দেহ থেকে ক্ষতিসাধনকারী জিনকে নষ্ট করা সম্ভব হবে।
কিন্তু ক্ষতিকারক জিন কিভাবে চিহ্নিত করা যাবে?আর এন এ ইনফারেন্স ক্ষতিকারক জিনকে নষ্ট করে দিতে পারবে।তাই অ্যাণ্ড্রু ফায়ার এবং ক্রেগ মেলো এই আবিষ্কারের পর কিভাবে ক্ষতিকারক জিন চিহ্নিত করা যায় তার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।
তারা যদি ক্ষতিকারক জিন চিহ্নিত করার উপায় বের করতে পারেন তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটবে।আশা করা যায় এই দুই বিজ্ঞানী দ্বিতীয়বার নোবেল পুরস্কার পাবেন। অ্যান্ড্রু জে ফায়ারের জন্ম ২৭শে এপ্রিল ১৯৫৯খ্রিস্টাব্দে।
মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার পালো অ্যান্টোতে। অপরদিকে ক্রেগ মেলো মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাই এর নিউহ্যাভেনে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের ১৮ই অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তারা দুজনায় এখন ম্যাচাচুসেস্টে গবেষণা করে যাচ্ছেন।
এরা দুজনেই চিকিৎসক।তাদের একটাই লক্ষ্য মানুষকে মহামন্ত্রের সন্ধান দিতে হবে।তাই তারা তাদের সাধনা থেকে বিচ্যুত হন নি। মানুষকে মহাজীবনের সন্ধান দেবার জন্য তাদের গবেষণা থেমে নেই।
Comments :0