Calcutta Port Hospital

তারাতলার হাসপাতাল বেচতে মরিয়া বন্দর কর্তৃপক্ষ, জোরদার লড়াইয়ে কর্মীরা

কলকাতা

সর্বাত্মক ধর্মঘট হয়েছে কলকাতা বন্দরে। কিন্তু লড়াই থামছে না। বন্দরের শ্রমিক কর্মচারীরা ফের জোরালো করছেন হাসপাতাল রক্ষার লড়াইকে।
তারাতলায় কলকাতা বন্দর হাসপাতালে পরিষেবা মেলে প্রায় ২০ হাজার কর্মী এবং পেনশন প্রাপকের। হাসপাতালে সব মিলিয়ে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিনশো। 
কেন্দ্রের সরকার হাসপাতাল পিপিপি মডেলে তুলে দিতে নেমেছে জোরকদমে। প্রবল আপত্তি জানানোর পরও ‘প্রাইস বিড’ বা দর নিলামের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ৩০ জানুয়ারি।
সিআইটিইউ অনুমোদিত ক্যালকাটা পোর্ট অ্যান্ড শোর মজদুর ইউনিয়ন রয়েছে আন্দোলনের একেবারে সামনে। সংগঠনের সম্পাদক সমর মণ্ডল জানিয়েছেন আগামী সোমবার হাসপাতালকে রক্ষার লড়াই নিয়েই বসা হবে আলোচনায়। ২০২২ থেকে চলছে এই আন্দোলন। তা আরও তীব্র হবে। 
১২ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট সারা দেশেই হয়েছে মুখ্যত শ্রম কোড বাতিলের দাবিতে। ব্যাপক সাড়া পড়েছে কলকাতা বন্দরেও। 
মণ্ডল বলেছেন, ‘‘পিপি মডেল মানে ঘুরপথে বেসরকারিকরণ। হাসপাতালে স্থায়ী এবং অস্থায়ী ছাড়াও আউটসোর্সিংয়ে কাজ করেন এমন কর্মীরাও রয়েছে। বড় অংশের কাজ থাকবে না। স্থায়ীদের বদলির কথা বলা হয়েছে। গোটাটাই অনিশ্চিত। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বোর্ডের বৈঠকে আপত্তি জানানো সত্ত্বেও ‘প্রাইস বিড’ চাওয়া হয়েছে।’’
এই শ্রমিক আন্দোলনের নেতা বলছেন, ‘‘স্থায়ী কর্মীদের পাশাপাশি অস্থায়ী বন্দরকর্মী এবং তাঁদের পরিবার বন্দরের নিজস্ব হাসপাতালে চিকিৎসার সুবিধা পাচ্ছেন এখন। তা ছাড়া রয়েছেন অবসরপ্রাপ্তরা। তাঁদের নির্ভরতা আরও বেশি। বাইরে চিকিৎসা করতে হলে পেনশনের টাকায় কুলিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।’’
১২ ফেব্রুয়ারিও তারাতলায় বন্দরের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে ক্যালকাটা পোর্ট অ্যান্ড শোর মজদুর ইউনিয়ন। চলছে আগমী লড়াইয়ের প্রস্তুতি।

Comments :0

Login to leave a comment