স্কুলে স্কুলে বিশেষ দক্ষতা তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ দেন তাঁরা। কিন্তু পাঁচ মাস ধরেও বেতন নেই সেই এনএসকিউএফ ভোকেশনাল শিক্ষকদের। শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ‘শিক্ষক দিবস’-কেই প্রতিবাদের দিন হিসবে বেছে নিলেন এই শিক্ষকরা।
ইউনাইটেড ওয়েস্ট বেঙ্গল এনএসকিউএফ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে নিরুপম কোলে বলেছেন, আগের সরকারের সময়েও নানা সমস্যা ছিল। আমরা বারবার দাবি জানিয়েছি। আন্দোলন করেছি। নতুন সরকার আসীন হওয়ার পরও আমরা সমস্যার বিষয় জানিয়েছি। কিন্তু কোনও সুরাহা হচ্ছে না। মিলছে না বেতন।
‘শিক্ষক দিবস’-এ মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই শিক্ষকরা। তাঁরা বলেছেন, আজকের দিনটিই কালা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত কাউকে অপমান করার জন্য নয়। লাগাতার বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কালা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
‘ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ বা এনএসকিউএফ বস্তুত কেন্দ্রীয় নীতির অংশ। বিভিন্ন স্কুলে নবম থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত বিষয়গুলি পড়ানো হয়।
এনএসকিউএফ শিক্ষকরা বলছেন, গত ১৩ বছর ধরে চলছে বঞ্চনা। এপ্রিল থেকে মিলছে না বেতন। কাজের কোনও সুরক্ষা নেই। বেতনের যে বৃদ্ধি হওয়ার কথা, তা নেই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভোকেশনাল শিক্ষকদের ঠিকায় নিয়োগ করা হয়েছে। বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগ করে রাখা হয়েছে। উৎসবের সময়ে কোনও বিশেষ ভাতার বন্দোবস্ত নেই।
এই শিক্ষকরা বলছেন, একই যোগ্যতা ও দায়িত্ব পালন করলেও মর্যাদা এবং আর্থিক নিরাপত্তায় বৈষম্য কেন?
Comments :0