সংরক্ষণ কী অনির্দিষ্টকাল চলবে? ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বললেন না। তবে মোহন ভাগবত বললেন, সংরক্ষণের সুবিধা এর মধ্যেই পেয়েছে যে অংশ তাদের উচিত নিজের থেকে সরে দাঁড়ানো। অন্য অংশগুলিকে সংরক্ষণের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া উচিত। তিনি বলেছেন, সংরক্ষণের প্রয়োজন ফুরিয়ে দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।
একটি সাক্ষাৎকারে এই মত জানিয়েছেন আরএসএস’র প্রধান। বিজেপি’র ভিত্তি সংগঠনের সরসঙ্ঘচালক যন্তর মন্তর আন্দোলন প্রসঙ্গেও মত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা যখন এই বয়সে ছিলাম বড়দের কথা শুনতাম। আমরা প্রশ্ন করিনি। এখন ‘জেন জি’ সঙ্গত উত্তর চাইছে।
আরেকটি প্রশ্নে তিনি বলেছেন, জেন-জি বিক্ষোভে নেমেছে বলে তাদের দেশদ্রোহী বলা যায় না।
যন্তর মন্তর আন্দোলনের পরপরই সংরক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে কিছু অংশ। এমনও বলা হচ্ছে যে নিট প্রশ্ন ফাঁসের জেরে যে পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যার পিছনে সংরক্ষণও কারণ। এদিন আরএসএস প্রধান সংরষণ বিতর্ককেই নতুন করে উসকে দিয়েছেন।
মুম্বাইয়ে এই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, সংরক্ষণ চালু হয় সামাজিক বৈষম্যের কারণে। এই বৈষম্য যতদিন থাকবে ততদিন সংরক্ষণ চালু থাকবে। এর পরই তাঁর সংযোজন, যাঁরা সংরক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের উচিত এবার সেই সুযোগ ছেড়ে দেওয়া। যাতে অন্য অংশগুলি এই সুযোগ পায়। ভাগবত বলেছেন, বাবা সাহেব আ্বেদকরের দৃষ্টিকোণ থেকে সংরক্ষণের প্রশ্নটি বিবেচনা করা উচিত।
যন্তর মন্তরের আন্দোলনে জুড়ে গিয়েছে সমাজের সব অংশ। ধর্ম-বর্ণ নর্বিশেষে এই আন্দোলন দেশময় ছড়িয়ে পড়ে। পদত্যাগ করতে হয় শিক্ষামন্ত্রীকে। সব মিলিয়ে চাপে রয়েছে বিজেপি-আরএসএস।
গত মাসের শেষ পর্ব থেকে বেশ কিছু অংশ সংরক্ষণ বিরোধী প্রচারে নেমেছে। তার পিছনে হিন্দু উচ্চবর্ণের মদতে চলা বিভিন্ন অংশ রয়েছে। এই অংশই বিজেপি এবং আরএসএস’র প্রধান ভিত্তি। রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ এবং অন্ধ্র প্রদেশে এমন আন্দোলনের খবর এসেছে।
RSS chief extends indirect support to the anti-reservation movement
সংরক্ষণের বিরোধী আন্দোলনে পরোক্ষ সমর্থন আরএসএস প্রধানের
×
Comments :0