Post Editorial

অপুষ্টি রুখতে চাই খাদ্য অপচয় বিরোধী আইন

সম্পাদকীয় বিভাগ

দেবাশিস মিথিয়া

পৃথিবী আজ এক অদ্ভুত  বৈপরীত্যের মুখোমুখি। একদিকে যখন বিশ্বের প্রায় ৩৬ কোটিরও বেশি মানুষ এক মুঠো অন্নের অভাবে অপুষ্টি ও  অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন, অন্যদিকে তখন বিশ্বজুড়ে উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ প্রতিদিন ডাস্টবিনে  জমা হচ্ছে। ‘জাতিসঙ্ঘের পরিবেশ কর্মসূচি’ ও ‘বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির’ সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বিপুল অপচয়ের পরিমাণ বার্ষিক  ১০৫ কোটি টনেরও বেশি, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।  এই অপচয় বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রতিনিয়ত বিঘ্নিত করছে। অতএব, বিপুল এই অপচয় শুধু যে নৈতিক অপরাধ তা-ই নয়, বরং কোটি কোটি অনাহারী মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইকে আরও কঠিন করে তুলছে।

গত ৭ জুন, বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস পালিত হলো। যখন আমরা বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত খাবার পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করছি, তখন খাদ্য অপচয়ের এই নির্মম বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। খাদ্য অপচয়ের এই গভীর সঙ্কট মোকাবিলায় কেবল সচেতনতার বার্তা আর নৈতিক আবেদনের ওপর ভরসা না রেখে, বিশ্বের বেশ কিছু উন্নত দেশ এখন বেছে নিয়েছে আইনি বাধ্যবাধকতা বা Penal Legislation-এর পথ। প্রশ্ন হলো কেন? আসলে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুখে আমরা যতই অন্ন অপচয়কে অনৈতিক কাজ বলি না কেন, আমাদের রোজকার আচরণে তার প্রতিফলন প্রায় দেখাই যায় না। আপাতদৃষ্টিতে আমাদের সমাজ বা পরিবারে খাবার নষ্ট না করার একটা মৌখিক পাঠ থাকলেও, আধুনিক ভোগবাদী সংস্কৃতি, উৎসব-অনুষ্ঠানের জাঁকজমক আর সামাজিক আভিজাত্য প্রদর্শনের চক্করে সেই শিক্ষা আজ পুরোপুরি খোলস সর্বস্ব। মুখের কথা আর বাস্তবের অভ্যাসের মধ্যে এই যে বিস্তর ফারাক—ঠিক এই কারণেই নিছক নৈতিকতার বুলি দিয়ে বড় বড় বাণিজ্যিক লাভ-ক্ষতির অঙ্ক কিংবা মানুষের এই চরম উদাসীনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনা অসম্ভব, তা আজ প্রমাণিত।  সচেতনতা বার্তা বড়জোর মানুষের মনে সাময়িক অপরাধবোধ তৈরি করতে পারে, কিন্তু তা অপচয়ের সংস্কৃতিতে স্থায়ী বদল আনে না। আইনি শাস্তি বা পকেটের টাকা খসার ভয় থাকলেই কেবল মানবিক আবেদনগুলো বাস্তব রূপ পেতে পারে।   ঠিক এই কারণেই, নিছক নৈতিকতার চাদরে সঙ্কটটিকে আর ঢেকে না রেখে উন্নত বিশ্ব এখন একে আইনি অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে শুরু করেছে। যার হাত ধরে বিশ্বমঞ্চে এসেছে এক বড় বদল। অন্ন অপচয় বন্ধ করে প্রতিটি নাগরিকের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৈরি হয়েছে কঠোর সব আইনি মডেল।


খাদ্য অপচয় বিরোধী আইনকে প্রথম কার্যকর করে ফ্রান্স।২০১৬ সালে ফরাসি প্রশাসন একটি আইন পাশ করে, যেখানে বলা হয়—সুপারমার্কেটগুলো তাদের উদ্বৃত্ত বা অবিক্রীত খাদ্য কোনোভাবেই ফেলে দিতে পারবে না। এই আইনের অধীনে, ৪০০ বর্গমিটার বা তার বড় আয়তনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো কোনও ভালো খাবার নষ্ট করতে পারে না; বরং সেই উদ্বৃত্ত খাদ্য বিভিন্ন স্বীকৃত দাতব্য সংস্থা বা ফুড ব্যাঙ্কে দান করা বাধ্যতামূলক। এই আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ৩,৭৫০ ইউরো (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকারও বেশি) জরিমানা দিতে হয় পাশাপাশি কঠোর শাস্তিরও মুখোমুখি হতে হয়।

ফ্রান্সের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের পর ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এই আইনের পরিধি দ্রুত বাড়তেথাকে। যেমন স্পেন তাদের ‘খাদ্য অপচয় প্রতিরোধ আইন’-এর মাধ্যমে রেস্তোরাঁগুলোর জন্য দু’টি বিষয় বাধ্যতামূলক করেছে—রান্নাঘরের অবিক্রীত ভালো খাবার চুক্তি অনুযায়ী ফুড ব্যাঙ্কে দান করতে হবে এবং গ্রাহকদের প্লেটে বেঁচে যাওয়া খাবার বিনামূল্যে প্যাক করে (Doggy Bag) বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সুবিধা দিতে হবে। কোনও রেস্তোরাঁ গ্রাহককে এই সুবিধা দিতে অস্বীকার করলে কিংবা উদ্বৃত্ত খাদ্য চ্যারিটিতে দান না করলে, তাদের ২,০০০ থেকে ৬০,০০০ ইউরো পর্যন্ত বড় অঙ্কের  জরিমানা হতে পারে। আবার জার্মানি তাদের জাতীয় কৌশলের আওতায় এক অভিনব নিয়ম এনেছে—সুপারমার্কেটে যেসব খাবারের মেয়াদের তারিখ (Expiry date) প্রায় শেষ, কিন্তু সেগুলো তখনও ভালো আছে, তা আবর্জনায় ফেলে দেওয়া অপরাধ। এছাড়াও এই খাবার ফেলে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, ইতালির মডেলটি শাস্তির চেয়ে বেশি উৎসাহ বা ‘পুরস্কার’-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সেখানে কোনও রেস্তোরাঁ বা সুপারমার্কেট যদি তাদের অবিক্রীত খাবার ফুড ব্যাঙ্কে দান করে, তবে দেশের  সরকার তাদের বার্ষিক বর্জ্য কর বা Waste tax-এ বিশাল ছাড় দেয়।

ইউরোপের দেশগুলো যেখানে মূলত বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে আইন এনেছে, এশিয়া মহাদেশের চীন সেখানে এই দায়বদ্ধতাকে টেনে এনেছে রেস্তোরাঁ ও সাধারণ গ্রাহক—উভয় পর্যায়েই। ২০২১ সালে তারা পাশ করে তাদের নিজস্ব ও কঠোর ‘Anti-Food Waste Law’।এই আইনের পরিধি যেমন বিস্তৃত, এর প্রয়োগও তেমনই অভিনব। একদিকে এটি যেমন রেস্তোরাঁ মালিকদের অতি-মুনাফার লোভে গ্রাহকদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার অর্ডারে প্ররোচিত করার প্রবণতাকে নিষিদ্ধ করে (যার অন্যথায় ১০,০০০ ইয়ুয়ান পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে), তেমনই গ্রাহকদের প্লেটে খাবার নষ্ট করার অপরাধে অতিরিক্ত ‘বর্জ্য ফি’ (Waste fee) আদায়ের আইনি অধিকার দেয় রেস্তোরাঁকে। আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়ে যারা অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ভিডিও (যা ‘Mukbang’ বা ‘Binge-eating video’ নামে পরিচিত) তৈরি করে ভিউ কুড়ানোর চক্করে পরোক্ষভাবে অপচয়কে সামাজিক স্বীকৃতি দিচ্ছিল—এই আইনে তাদের ডিজিটাল কনটেন্ট নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি বড় আর্থিক জরিমানার সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে।

ইউরোপ ও এশিয়ার এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনের আবহে, আমেরিকার মতো পুঁজিবাদী দেশও কর্পোরেট অপচয় রুখতে আইনি সংস্কারের পথে হেঁটেছে। ওখানকার কোম্পানিগুলোর একটি বড় ভয় ছিল—দান করা খাবার খেয়ে কেউ অসুস্থ হলে আইনি ঝামেলা বা মামলা হতে পারে। এই ভয় দূর করতে মার্কিন প্রশাসন ‘Bill Emerson Good Samaritan Food Donation Act’ পাশ করেছে। এই আইন অনুযায়ী, কোনও রেস্তোরাঁ বা সুপারমার্কেট যদি ভালো উদ্দেশ্যে কোনও উদ্বৃত্ত খাবার ফুড ব্যাঙ্কে দান করে, তবে সেই খাবারের মান নিয়ে পরবর্তীতে কোনও সমস্যা হলেও দাতার বিরুদ্ধে কোনও দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা করা যাবে না। এই আইনি সুরক্ষাই আমেরিকার কর্পোরেট খাতের দানের প্রবণতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।


স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এই পেনাল লেজিসলেশন বা শাস্তিমূলক আইনগুলো কার্যকর করার পর বাস্তব চিত্রে কি কোনও পরিমাপযোগ্য পরিবর্তন এসেছে? আন্তর্জাতিক স্তরের গবেষণা ও পরিসংখ্যান বলছে—হ্যাঁ, পরিস্থিতির গুণগত এবং সংখ্যাগত, উভয় ধরনেরই ইতিবাচক বদল এসেছে। এর প্রভাব মূলত তিনটি ক্ষেত্রে স্পষ্ট:

প্রথমত, কঠোর আইনি বাধ্যবাধকতা এবং জরিমানার ভয়ে বাণিজ্যিক ও গৃহস্থালি উভয় ক্ষেত্রেই খাবার ফেলে দেওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যেমন, ফরাসি আইন পাশ হওয়ার পর সে দেশের সুপারমার্কেটগুলোর মাধ্যমে খাবার অপচয়ের হার প্রায় ১১% থেকে ১৫% কমে গেছে। আইনি কড়াকড়ির কারণে এই প্রতিষ্ঠানগুলো এখন খাবার ডাস্টবিনে ফেলার পরিবর্তে অভাবী মানুষের জন্য তা সংরক্ষণ করতে বাধ্য হচ্ছে। একইভাবে, স্পেনেও ‘খাদ্য অপচয় প্রতিরোধ আইন’ কার্যকর হওয়ার পর বাণিজ্যিক ফুড চেইন বা রেস্তোরাঁগুলোর জন্য অবিক্রীত উদ্বৃত্ত খাবার ফেলে দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হয়েছে। আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এই খাবার এখন নিয়মতান্ত্রিকভাবে চ্যারিটি ও ফুড ব্যাঙ্কে চলে যাচ্ছে, যা সরাসরি বাজারের অপচয় রুখে দিয়ে অভাবী মানুষের থালায় অন্ন পৌঁছে দিচ্ছে।

দ্বিতীয়ত, এই আইনগুলোর প্রভাবে সামাজিক খাদ্য নিরাপত্তা ও বণ্টন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ঘটেছে, যা একটি বড় সামাজিক সাফল্য হিসেবে নজরে পড়েছে। এগুলো অপচয় হওয়া খাদ্যকে আবর্জনার স্তূপে যেতে না দিয়ে পুনরায় সাপ্লাই চেইনে ফিরিয়ে এনেছে, যা সরাসরি সামাজিক খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে সাহায্য করছে। ফ্রান্সে আইন পাশের পর সুপারমার্কেটগুলো থেকে ফুড ব্যাঙ্ক এবং চ্যারিটি সংস্থাগুলোতে ভালো খাবার দানের পরিমাণ এক ধাক্কায় ২০% এর বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে লক্ষ লক্ষ নিম্নবিত্ত ও আশ্রয়হীন মানুষের কাছে প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে যাচ্ছে। আমেরিকার ‘গুড সামারিটান অ্যাক্ট’-এর কল্যাণে ‘ফিডিং আমেরিকা’-র মতো নেটওয়ার্কগুলো প্রতি বছর কোটি কোটি টন উদ্বৃত্ত খাবার আইনি জটিলতা হীন ভাবে সংগ্রহ করে অভাবী মানুষের মুখে তুলে দিতে পারছে।

তৃতীয়ত, এই আইনি কড়াকড়ি পরোক্ষভাবে উৎপাদন খাতের শ্রম ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। যখনই আইনের ভয়ে খাবার অপচয় কমানো যাচ্ছে, তখন সেই খাবার উৎপাদনে ব্যবহৃত কৃষকের অক্লান্ত শ্রম, জল ও প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয়ও রুখে দেওয়া যাচ্ছে। এই নিয়ন্ত্রিত বণ্টন ব্যবস্থার ফলে বাজারের সামগ্রিক খাদ্য সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসছে এবং কৃত্রিম খাদ্যসঙ্কট বা অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে সাধারণ মানুষ রেহাই পাচ্ছে, যা দেশের টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।

এই প্রশ্ন স্বাভাবিক যে, ভারত কোথায় দাঁড়িয়ে ?

উন্নত বিশ্বের এই শাস্তিমূলক ও উৎসাহব্যঞ্জক আইনি মডেলগুলো ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এক মস্ত বড় শিক্ষণীয় দলিল।  ভারতের ১৯ কোটিরও বেশি মানুষ যখন চরম অপুষ্টির শিকার এবং গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে দেশের অবস্থান উদ্বেগজনক, তখন প্রতি বছর প্রায় ৮ কোটি টন খাদ্য নষ্ট হওয়া এক জাতীয় অপরাধ। ভারতের ‘প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্পদ যোজনা’র মাধ্যমে কোল্ড চেইন পরিকাঠামো তৈরি কিংবা এফএসএসএআই (FSSAI)-এর ‘সেভ ফুড শেয়ার ফুড’-এর মতো স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ নিয়েছে। এই ‘সেভ ফুড শেয়ার ফুড’-এর মূল উদ্দেশ্য হলো উদ্বৃত্ত খাবার ফেলে না দিয়ে তা যাতে সুষ্ঠুভাবে অভাবী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে দাতব্য সংস্থা ও ফুড ব্যাঙ্কগুলোকে একটি সুসংহত নেটওয়ার্কে আনা। এটা করতে পারলে দেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা এনজিওগুলো প্রতিটি শহরের রেস্তোরাঁ ও উৎসব-অনুষ্ঠানের বেঁচে যাওয়া খাবার সংগ্রহ করে তা স্থানীয় বস্তি বা আশ্রয়হীনদের মাঝে বিতরণের একটি  রূপরেখা তৈরি করতে পারে। তবে প্রযুক্তির অভাব, সুষ্ঠু পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং গ্রাম ও শহরের মধ্যকার বিশাল সমন্বয়হীনতার কারণে এগুলো এখনও পূর্ণ মাত্রায় সফল হতে পারছে না।

আমাদের দেশের মূল সমস্যা হলো গৃহীত নীতি ও তা বাস্তবায়নের মধ্যে ফাঁক এবং আইনি কাঠামোর অভাব। ভারতের মতো জনবহুল দেশে কেবল মুখের কথা, সরকারি বিজ্ঞাপন বা স্বেচ্ছাসেবী আবেদনের ওপর ভরসা করে এই বিশাল অপচয় রোধ করা সম্ভব নয়। এখানকার অপচয় রোধ সংক্রান্ত উদ্যোগগুলো তখনই পূর্ণ রূপ পাবে, যখন এর পেছনে ফ্রান্স বা চীনের মতো একটি দৃঢ় আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে। ভারতে খাদ্য অপচয় বিরোধী আইন প্রণয়নের জোরালো দাবি এবার নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্য থেকেই ওঠা দরকার। আমাদের এই সম্মিলিত সামাজিক সচেতনতাই পারে সরকারকে এই আইন পাশে বাধ্য করতে।

Comments :0

Login to leave a comment