Post Editorial

কোথায় আমার কাজ…

সম্পাদকীয় বিভাগ

সৈনিক শূর
 

সরিফুল সর্দার, আমাদের রাজ্যের একটা প্রত্যন্ত গ্রামে বাড়ি। পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতো। গুজরাট থেকে ২৩ দিন ধরে পায়ে হেঁটে ফিরেছিল নিজের গ্রামে। ২০২১ সালে যখন কোভিডের ভয়াবহতা সে সময় গুজরাট থেকে ফিরে আসতে হয়েছে সরিফুলকে। সরিফুল কাজ পায়নি নিজের গ্রামে, নিজের শহরে এমনকি নিজের রাজ্যে। পরিবারের দিন গুজরানের জন্য পাড়ি দিতে হয়েছিল ভিন রাজ্যে। কোভিড লকডাউন আতঙ্ক সবকিছুর পরেও সরিফুলদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেনি 'সব কা বিকাশ' এর ধ্বজাধারী সরকার। ২৩ দিন পায়ে হেঁটে ফিরতে হয়েছিল 'পরিযায়ী' সরিফুলকে। কাজটাও গেছে। তারপর আর ১০০ দিনের কাজ নেই কিংবা শহরে নতুন কলকারখানা নেই নিজের রাজ্যে। এরকম কত হাজার হাজার সরিফুল কাজ না পেয়ে জীবন বাজি রেখে নিজের চারপাশ ছেড়ে বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছে রোজ। যারা কাজ দিচ্ছে না তারাই আবার এদের নামকরণ করেছে 'পরিযায়ী শ্রমিক'। সরিফুলের মতো এরকম হাজার লাখ শ্রমিক যারা আসলে 'ঘরছাড়া'। এদের ঘরছাড়া শ্রমিক বলাই ন্যায়সঙ্গত, রূঢ় বাস্তবকে ঢাকতে এদের 'পরিযায়ী' তকমা আঁটা হয়। এরা আসলে ঘরছাড়া, নিজের চারপাশের জগৎ থেকে বাধ্যত বিচ্ছিন্ন। কত হাজার হাজার সরিফুল কাজ না পেয়ে জীবন বাজি রেখে নিজের চারপাশ ছেড়ে বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছে রোজ। যারা কাজ দিচ্ছে না তারাই আবার এদের নামকরণ করেছে 'পরিযায়ী শ্রমিক'। সরিফুলের মতো এরকম হাজার লাখ শ্রমিক যারা আসলে 'ঘরছাড়া'। এদের ঘরছাড়া শ্রমিক বলাই ন্যায়সঙ্গত, রূঢ় বাস্তবকে ঢাকতে এদের 'পরিযায়ী' তকমা আঁটা হয়। এরা আসলে ঘরছাড়া, নিজের চারপাশের জগৎ থেকে বাধ্যত বিচ্ছিন্ন। সরিফুলের ঘটনা এরই সাথে আমাদের জানান দেয় মোদী সরকারের 'গুজরাট মডেলের' অন্তঃসারশূন্য তার বাস্তবতাও, যারা শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার পরিবহণ পর্যন্ত নিশ্চিত করেনি কোভিডের সময়ে। ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ র ঢক্কানিনাদ আদপেই ‘জবলেস ইউথ’-এ পরিণত হয়েছে। এই ঘরছাড়াদেরই বাংলায় কথা বলার ‘অপরাধে’ ঘাড় ধাক্কা দিয়ে মারধর করে কাজটুকুও কেড়ে নিচ্ছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আসলে ভাষার সাথে শ্রমের সম্পর্ক নিবিড়, শ্রমিকের বলা ভাষা ওদের না পসন্দ।

এরকম বহু উদাহরণ আমাদের চোখের সামনে আসে রোজ। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যাদের আমরা পোশাকি নাম দিয়েছি ‘হোয়াইট কলার শ্রমিক’ তাদের গন্তব্যের অন্যতম ঠিকানা হয় বাঙ্গালোর কিংবা গুরগাঁও। আমাদের কলকাতা শহরে সেক্টর ৫ এর পর আর কোনও সেক্টর ৬ তৈরি না হওয়ায় দমবন্ধ করে স্ক্রিনের সামনে ১২-১৪ ঘণ্টা ডিউটি করতে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন 'পরিযায়ী ইঞ্জিনিয়ার' রা। শুধু কলকাতা কর্পোরেশনের বিভিন্ন দপ্তরে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০০০ শূন্যপদ। অথচ স্থায়ী নিয়োগ বন্ধ বছরের পর বছর ধরে। কলকাতায় ১৪৪টা ওয়ার্ডে গড়ে প্রতি ওয়ার্ডে ২০০ জন করে যুবর কাজ হতে পারে এই শূন্যপদে নিয়োগ করলে। অথচ স্থায়ী কাজের ধারণাকেই মূলে কুঠারাঘাত করছে বিজেপি-তৃণমূলের মতো শাসক শ্রেণি। কলকাতায় ভারী শিল্পের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার শেয়ার বেচে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স, বেঙ্গল কেমিক্যালস, কাশীপুর গান অ্যা ণ্ড শেল ফ্যাক্টরি ছিল কলকাতা শহরের যুব সমাজের কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র। এই তিনটি বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের শেয়ার প্রতি বছর বেসরকারি কোম্পানির কাছে বেচে দিচ্ছে ওরা। কেড়ে নিচ্ছে কাজের সুযোগ। একসময় গমগম করা তারাতলা হাইড রোডের বিস্তীর্ণ শিল্পাঞ্চল শ্মশানে পরিণত হচ্ছে একের পর এক কারখানা লক আউট ঘোষণা হওয়ার ফলে। কর্মচ্যুত হচ্ছেন হাজার হাজার শ্রমিক। স্থায়ী শূন্যপদে স্থায়ী নিয়োগ না করে চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মচারী দিয়ে ‘বাধ্য এবং বদ্ধ শ্রমিক’ তৈরি করতে মশগুল শাসকরা। দেশের যুব সমাজের ৯৩% অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত। তাদের না আছে কাজের গ্যারান্টি, না আছে ন্যূনতম মজুরির নিরাপত্তা। উপরন্তু শ্রম কোডের নয়া নিয়মে ১২-১৪ ঘণ্টা কাজের চাপ, সাথে ছাঁটাইয়ের ভ্রুকুটি। গোটা ব্যবস্থাকেই অসহিষ্ণু অস্থিতিশীল অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূল। দুর্নীতির বীজ বপন করে আরও ঘৃণা হিংসার পরিবেশকে প্রতিষ্ঠিত করতেই বুনিয়াদি কাজের দাবি থেকে সরিয়ে শত্রু শত্রু খেলার মারাত্বক নেশায় মত্ত রাখছে যুবদের। 
আমরা এই দুনিয়ায় সঙ্কটের ভিত্তি খুঁজি, এই সিস্টেমকে বদলাতে লড়ি রোজ। লড়তে লড়তে যখন ভিত্তি খুঁজি তখন চোখে পড়ে কাজের সুযোগ সঙ্কোচন আদপেই গোটা ব্যবস্থার নয়া উদারবাদী কাঠামোকে টিকিয়ে রাখার একটা কৌশলে পরিণত হয়েছে। যাদের যা কাজ পাওয়া কথা তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছে না, অনেক কম মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে প্রাইভেট সংস্থায়। এই আর্টিফিশিয়াল সঙ্কট তৈরি আসলে শাসক শ্রেণির মুনাফার ধান্দার অর্থনীতিকে কায়েম করার স্বার্থেই তেরি করা। এর থেকেই ঘরছাড়া শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে প্রতি বছর। আমাদের দেশের জনসংখ্যার পরিসংখ্যান খেয়াল করলে দেখা যাবে মোট জনসংখ্যার ৬০% এর বেশি যুব বয়সি, বলা ভালো ১৫ থেকে ৪০ এর মধ্যে যাদের বয়স। গোটা বিশ্বের মধ্যে যুব বয়সি জনসংখ্যার হারে এক নম্বরে ভারত। অথচ স্থায়ী কর্মসংস্থান বা দীর্ঘমেয়াদি কাজের ক্ষেত্র সঙ্কুচিত হচ্ছে প্রতি বছর। আর এটা হচ্ছে খুব পরিকল্পনা করেই। কেন্দ্রীয় কিংবা রাজ্য সরকারের লাখ লাখ স্থায়ী শূন্যপদ রয়েছে, কিন্তু স্থায়ী নিয়োগ নেই। স্থায়ী পদে অস্থায়ী শ্রমিক কে কম মজুরি দিয়ে কাজ চালায় সরকার। আর এটা সরকারের নীতিরই অংশ বিশেষ। প্রাইভেট সংস্থা বলা ভালো মনোপলি ক্যাপিটালের মুনাফা সুনিশ্চিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই সরকার চলে তাই জব মার্কেট বা কাজের বাজারে আর্টিফিশিয়াল ক্রাইসিস তৈরি করে রাখে শ্রমিককে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতেই। এই ছদ্ম বেকারিত্ব, নয়া উদারবাদী মানসিকতাই জাঁকিয়ে বসেছে। শাসক তার নীতিকে চরিতার্থ করতেই 'পরিযায়ী' শ্রমিকের দুনিয়া ব্যাপী 'বিশ্বায়ন' ঘটিয়েছে এককথায়। স্থায়ী কাজের কনসেপ্ট-কে বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্য নিয়েই পরিযায়ী শ্রমিকের ব্যাপকতার জন্ম দেওয়া হয়েছে এই সিস্টেমে। এমনকি সরকারি শূন্যপদেও স্থায়ী নিয়োগের পরিবর্তে অস্থায়ী ভিত্তিতে চুক্তি শ্রমিক নিয়োগ করে কাজ চালায় এই সরকার। চুক্তি শ্রমিক দের মজুরি দিতে হয় কম, তাদের কাজের নিরাপত্তা নেই কোনও অথচ সামাজিক সুরক্ষা কিংবা ন্যূনতম মজুরির নিশ্চয়তা নেই কখনই। আর এই অনিশ্চয়তা জন্ম দেয় অস্থিরতার, যা সহায়ক হয় পরিযায়ী শ্রমিক তৈরির। নিজের আশপাশ পরিবার পরিজন ছেড়ে কর্মসংস্থানের বেহাল দশা বাধ্য করে একটা বড় অংশকে অজানা পথে হাঁটা দিতে। পরিযায়ী শ্রমিকের এই 'অস্থিরতাও' আসলে মুনাফার স্বার্থেই ব্যাবহার করা হয়। কলকাতার মতো মেট্রোপলিটন শহরে রোজ কয়েক লক্ষ মানুষ দিন গুজরনোর তাগিদে আসতে বাধ্য হন নিজের জায়গায় কাজ নেই বলেই। ক্ষুদ্র শিল্প কিংবা ছোট মাঝারি শিল্পের দুর্দশা পরিযায়ী শ্রমিক তৈরিতে আরও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। গত দু’বছর ধরে আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার বিচার চেয়ে উত্তাল গোটা দেশ। খোঁজ করলে দেখা যাবে আরজি কর সহ কলকাতার  স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে অধিকাংশ কর্মচারীই কনট্রাকচুয়াল। অথচ স্থায়ী শূন্যপদ পড়ে রয়েছে কয়েকশো। কর্মক্ষেত্রে যুবতীদের সমানাধিকারের পরিবর্তে তাদের কাজের সময় বেঁধে দেওয়ার নিদান দিয়ে বৈষম্য এবং কাজের অধিকার সঙ্কোচনকেই মান্যতা দিচ্ছে আরজি কর থেকে তামান্না, বারুইপুর থেকে তালিত খুনিদের মদতদাতারা। এই একের পর এক ভুল অ্যা জেন্ডার বিরুদ্ধে মূল অ্যা জেন্ডার লড়াইতে যুব সমাজকে অংশগ্রহণ করানোর শপথ নিয়েই নতুন দিন আনার মিছিলে পা মেলাবো আমরা দিন বদলের স্পর্ধায়। রুটি রুজি জীবন-জীবিকার কথাই মূল কথা, 'ভাগের অঙ্কে' ভুলিয়ে দেওয়া যাবে না মূল কথাগুলোকে। বুলডোজারের ধ্বংসলীলায় রোজ রুটি-রুজি কেড়ে নিচ্ছে হকার বন্ধুদের। ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ মুখে বুলি আওড়ে এখন চারিদিকে শুধুই 'ভয়' এর চিত্র। আমাদের সভ্যতা সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার প্রতীক হয়ে উঠেছে এই বুলডোজার রাজ। ধ্বংসের বিরুদ্ধে সৃষ্টির বার্তাতেই হকার উচ্ছেদ আটকাতে খেটে খাওয়া মানুষের ঐক্যবদ্ধ হার না মানা লড়াই নতুন পথের দিশাও দেখাচ্ছে বিদ্রোহের শহর জুড়ে।
কলকাতার আকাশে-বাতাসে ধোঁয়ার কুণ্ডলি, প্রাণ ভরে শ্বাস নেওয়ার পরিবেশটুকুও আজ উধাও। অথচ আন্দামান নিকোবর থেকে আরাবল্লী জীব বৈচিত্র ধ্বংসের খেলায় মত্ত আদানি-আম্বানির প্রতিনিধিত্ব করা বড়লোকের বিজেপি সরকার। কলকাতার নাগরিক পরিষেবা, নিকাশি ব্যবস্থা ভয়ঙ্কর সঙ্কটে। বছরে গড়ে আড়াই লাখ গাছ কাটা পড়ছে আমাদের প্রাণপ্রিয় শহরে। পরিবেশ বাঁচাতে এতটুকু তাপ উত্তাপ নেই নতুন সরকারের। উলটে NEET পরীক্ষার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনশন করলে সোনাম ওয়াংচুকদের আটক করে নৃশংস আক্রমণ করছে অমিত শাহ এর পুলিশ আর এ রাজ্যেও কর্পোরেশনের সামনে মিটিং করা যাবে না প্রতিবাদ করা যাবে না বলে ফ্যাসিস্ত কায়দায় দমন-পীড়নকে জেনারালাইস করতে উদ্যত হয়েছে পুলিশ প্রশাসন!!! এই হিংসার ব্লু-প্রিন্টকে ঠেকাতে ভালবাসা সম্প্রীতি ঐক্যের রাজনীতিই হোক আমাদের দিন বদলের অস্ত্র।
যুব আন্দোলনের দাবি  সকলের জন্য কাজের এবং কাজকে সংবিধানে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাই। এরই সাথে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ এবং কর্মসংস্থানের অধিকারের আন্দোলন নতুন মাত্রা যোগ করেছে নয়া উদারবাদের জমানায়। বলা যায় নিজের বাড়িতে থেকে নিজের অঞ্চলে, নিজের শহরে কাজ পাওয়ার অধিকার নিয়েও আন্দোলন জোরদার হচ্ছে। শাসক শ্রেণির নয়া উদারবাদী মানসিকতার ইনজেক্ট করার মানসিকতার বিরুদ্ধে কর্মসংস্থানের অধিকার আওয়াজ তুলছে আমার জায়গায় আমার কাজ দাও।  'Where is my job' – ‘কোথায় আমার কাজ’ স্লোগানে গলা মিলিয়ে গোটা দেশে যুবসমাজ লড়াই করছে কর্মসংস্থানের অধিকারের দাবিতে। যূথবদ্ধতার সংস্কৃতিকে হাতিয়ার করেই স্থায়ী কাজ এবং ন্যূনতম ২৬০০০ টাকা মজুরি এবং সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে এই বেকার বিরোধী সরকারকে চেতাবনী দিতেই বিকল্প নীতির লড়াইকে শক্তিশালী করার শপথ নিচ্ছে এ রাজ্যের, কলকাতা শহরের যুবসমাজ। গরিব বাড়ির মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিয়ে ৮০০০ মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ এ রাজ্যে, গোটা দেশে স্কুল বন্ধের সংখ্যা প্রায় ৭০০০০। সরকারি মদতপুষ্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষা ও কাজের দাবিতে লড়াইয়ের নতুন মাইলস্টোন তৈরির সময় এখন। ধর্মেন্দ্র প্রধানরা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াবেন আর কর্পেরেশন স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, NEET পরীক্ষায় দুর্নীতি হবে এই কোরাপ্টেড সিস্টেমকেই বদলানোর জন্য আমাদের মিছিল। দুর্নীতি বন্ধ করে ১০০ দিনের কাজকে ২০০ দিন দেওয়ার লড়াই থেকে আর ‘ঘরছাড়া’ হয়ে নয় নিজের জায়গায় স্থায়ী কাজের কথা বলতেই নতুন দিন আনার পথে পা মেলাবে যুবরা দ্রোহকালের স্পর্ধা নিয়েই। এসো, সময় হয়েছে নতুন খবর আনার। স্পর্ধায় মাথা তুলবার ঝুঁকি নিয়েই মিছিলে পা মেলাই হকের দাবি লড়ে নিতেই। দুর্নীতি মুক্ত কর্পোরেশন গড়ার স্লোগান তুলে, খেয়ে পড়ে বাঁচার নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তোলার দাবিতে মুখরিত হবে কলকাতার যৌবন, কলকাতায়।
 

Comments :0

Login to leave a comment