রাজ্যজুড়ে প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ। পাঁচ জেলায় বাজ পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন। কোচবিহারে বজ্রাঘাতে মৃত হলো ২জনের, আহত- ৩। মঙ্গলবার দুপুরে কোচবিহার ১নং ব্লকের সুকটাবাড়ি ময়নাগুড়ি এলাকায় জমিতে কাজ করছিলেন ৫ জন। হঠাৎই শুরু হয় হালকা বৃষ্টি ও বজ্রপাত। এখানেই বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয় একজনের। মৃতের নাম আরমান হোসেন(১৮)। গুরুতর জখম অবস্থায় ৩ জনকে নিয়ে আসা হয় কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। এখানেই চিকিৎসা চলছে তাদের।
অন্যদিকে এদিন দুপুরে বৃষ্টি চলাকালীন খোলা মাঠ থেকে নিজের গৃহপালিত গরু আনতে যান শীতলকুচি শাটিমারি এলাকার এক মহিলা। এখানেই বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয় তার। মৃতের নাম মেনকা বর্মন(৫৯)।
এদিন দুপুর পৌনে তিনটে নাগাদ কাচড়াপাড়ায় বাজ পরে বিবেক সরকার নামে যুবকের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে কাচড়াপাড়া পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ডের সুর্যকলোনীর মাঠের মধ্যে বসে চারজন যুবক গল্প করছিলেন। সেই সময় প্রচন্ড বাজ পরছিল। একটা গাছের পাশে সেডের তলায় বসে ফোনে কথাও বলছিল। আচমকা সেই সময় সেখানে বাজ পরে। বাজ পরে বিবেক সরকার গুরুতর অসুস্থ হয়। তাকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। অন্য তিনজনের কিছু হয় নি বলে জানা গেছে।
মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান পারলালপুর গঙ্গাঘাটে যাত্রীবাহী নৌকায় বাজ পড়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। পুলিশ জানায় নিহতদের নাম আশাতুল্লা শেখ(৮০)। আনিসুর শেখ(৪৫)। একরামুল শেখ(৮০)। কচি শেখ (২৫)। নিহতেরা মালদা জেলার পারলালপুর এবং শোভাপুর গ্রামে বাসিন্দা।
মালদহে জমিতে কাজ করার সময় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই ভাই সহ মোট ৪ জনের। বাজ পড়ে বাঁকুড়ার খাতরায় মত্যু হয়েছে ২ জনের।
পুরুলিয়া জেলায় চার যায়গায় বাজ পড়ে জখম হয়েছেন ১০ জন। তার মধ্যে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত সাত জন পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জয়পুর থানার কুশুম টিকলি (দুর্মা) গ্রামে একি পরিবারের পাঁচ জন বজ্রাঘাতে আহত হয়। তাদের পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে প্রতিমা মাহাতো -৫৪ কে মৃত বলে জানান চিকিৎসকেরা।
Lightning Strikes
রাজ্যের পাঁচ জেলায় বাজ পড়ে ১৩ জনের মৃত্যু
×
Comments :0