Hawkar eviction shyamnagar

হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মিছিল ও সভা শ্যামনগরে

জেলা

হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে শ্যামনগরে মিছিল ও সভা।

শ্যামনগর ষ্টেশনে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বুধবার হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আগামী ৩০ শে জুন অবধি হকারদের উচ্ছেদ করা যাবে না। হাইকোর্টের নির্দেশের কপি নিয়ে শ্যামনগর ষ্টেশনে সিআইটিইউ-র উদ্যোগে এক মিছিল শ্যামনগর ষ্টেশন সহ রেল এলাকা পরিক্রমা করে। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সিআইটিইউ উওর চব্বিশ পরগনা জেলা কমিটির সম্পাদক গার্গী চ্যাটার্জী, উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা কমিটির সদস্য সোমনাথ সরকার সহ নেতৃবৃন্দ। রেল ষ্টেশনের সমস্ত হকার ভাইরা এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।
রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রেল ষ্টেশন ও ষ্টেশন সংলগ্ন রেলবস্তি, দোকানদারদের উচ্ছেদ করছে রেল কর্তৃপক্ষ। শ্যামনগর ষ্টেশনের হকারদের একটি অংশ বিজেপি-র নেতাদের কাছে এই উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বলেছিলেন। প্রথম দিকে বিজেপি নেতৃবৃন্দ বিষয়টি দেখছি বলে তাদের জানায়। বেশ কিছুদিন ঘোরানোর পর তাদের জানিয়ে দেয় আমাদের কিছু করার নেই। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের রেলমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুতরাং, ষ্টেশন থেকে হকার উচ্ছেদ হবে। এরপর হকাররা মানসিক দিক দিয়ে ভেঙে পড়েন। শ্যামনগর ষ্টেশনের হকারদের উচ্ছেদের বিরোধিতা করে এই এলাকার সিপিআই(এম) -র পক্ষ থেকে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। এদিন মিছিলে লাল ঝান্ডা কাঁধে নিয়ে সমস্ত হকার মিছিলে উপস্থিত ছিলেন। তাদের বক্তব্য আমাদের এই বিপদে লাল ঝান্ডা ছাড়া আর কেউ নেই।
এই মিছিলের শেষে এক সভায় সিআইটিইউ উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা কমিটির সম্পাদক গার্গী চ্যাটার্জী বলেন, আমরা এইসব গরীব হকারদের পাশে আছি। এখানে কোনও রাজনীতি নেই। আমরা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আইনের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। এইসব হকার ভাইয়েরা দীর্ঘদিন ধরে ষ্টেশনে দোকান দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে। তাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করছে। পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করা যাবে না। এই দাবিতে আমরা শেষ অবধি লড়াই করে যাবো। 
 
 

Comments :0

Login to leave a comment