salim DiamondHarbour

ঐক্যবদ্ধ লড়াই রক্ষা করবে খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার, ডায়মন্ডহারবারে সেলিম

রাজ্য জেলা

মঙ্গলবার ডায়মন্ডহারবারে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান সমাবেশে বলছেন মহম্মদ সেলিম।

অনিল কুন্ডু 


এ লড়াই বাঁচার লড়াই। লুটেরাদের বিরুদ্ধে খেটে খাওয়া মানুষের লড়াই। এ লড়াইয়ে জিততে হবে। নিজেদের জীবন জীবিকা, গণতন্ত্রের লড়াই করতে হবে। মঙ্গলবার ডায়মন্ডহারবারে এই আহ্বান জানান সিপিআই(এম)’র রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, নির্বাচনে খেটে খাওয়া মানুষ জেতেনি। তা হলে হকার উচ্ছেদ হতো না। খেটে খাওয়া মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গরিব মানুষের কথা লাল ঝান্ডা বলবে। সিপিআই(এম) দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটির আহ্বানে এসআইআরে নাম ডিলিট হয়ে যাওয়া ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত করার দাবিসহ জনজীবনের বিভিন্ন দাবিতে ডায়মন্ডহারবার মহকুমা শাসকের দপ্তরে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। এই কর্মসুচিকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ডহারবারে সুবিশাল মিছিল পরিক্রমা করে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান সমাবেশ হয়। এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহম্মদ সেলিম। এই সমাবেশে তিনি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সিপিআই(এম) নেতা প্রভাত চৌধুরী, দেবাশিস দে, মোনালিসা সিনহা, শানওয়াজ মোকামী সহ নেতৃবৃন্দ। পার্টি নেতা সমর নাইয়া ও দীপক দাসকে নিয়ে গঠিত সভাপতিমন্ডলী সমাবেশ পরিচালনা করেন। 
সমাবেশ থেকে ১০ জনের এক প্রতিনিধি দল ডায়মন্ডহারবারের মহকুমা শাসকের কাছে দশ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি পেশ করে আলোচনা করেন। এদিন ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে সুবিশাল মিছিল পরিক্রমা করে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান সমাবেশে যোগ দেয়। কয়েক হাজার মানুষের দৃপ্ত মিছিলে শ্লোগানে মুখরিত হয় ডায়মন্ডহারবার শহর। এই মিছিলে মহম্মদ সেলিমসহ পার্টি নেতৃত্ব ছিলেন সামনের সারিতে।
সমাবেশে সেলিম বলেন, "হকার উচ্ছেদে যাদবপুরে বুলডোজার চালিয়েছে। হাওড়া, দমদম, উত্তরপাড়ায় হকারদের দোকান ভাঙছে। দোকান ভাঙার সময় হিন্দু, মুসলমান দেখছে! আগুন লাগলে সব দোকান ঘর আগুনের আওতায় আসে। সবাই পুড়ে যাবে। মানুষের পক্ষে মানবিক হতে হয়।"
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, "রেলের জমি কোথা থেকে হলো। যখন ইংরেজ শাসন ছিল, জমিদার ছিল। রেলের জায়গায় হকার বসে নেই। তার পূর্বপুরুষরা চাষী ছিল। চাষীদের থেকে জমি নিয়েছিল। এখন গোরু নিয়ে বলছে। চাষ গেল, পশুপালন গেল।" 
তিনি বলেন, "যুদ্ধ করলে মানুষের সর্বনাশ হয়। কিছু মানুষের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়। তৃণমূল, বিজেপি যুদ্ধর পক্ষে। আজকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। একবার বেড়ে গেলে আর দাম কমে না। হিন্দু, মুসলমান এককাট্টা হতে হয়। বিদ্যুৎও আদানিদের দিয়ে দেবে। ফেলো কড়ি মাখো তেল। গরিব মানুষকে মারার চেষ্টা হচ্ছে। ভোটার তালিকায় যত লোকের নাম বাদ গিয়েছে তাদের সবার নাম ফেরত দিতে হবে। লড়াইটা ঐক্যবদ্ধ।"


 

Comments :0

Login to leave a comment