হরিয়ানার পালওয়াল জেলার ছায়ানসা গ্রামে গত ১৫ দিনে ৫ জন স্কুলছাত্রসহ অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দূষিত পানীয় জলের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা গিয়েছে গ্রামের ঘরে ঘরে এখন জ্বর, কাশি, গায়ে ব্যথা এবং বমির মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অনেক রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্বাস্থ্য দপ্তরের টিম গ্রামে ক্যাম্প করে স্ক্রিনিং এবং রক্ত পরীক্ষা চালাচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রায় ৩০০টি নমুনার মধ্যে মাত্র দুটিতে হেপাটাইটিস বি বা সি পাওয়া গেছে।
গ্রামের ১০৭টি বাড়ির জলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৩টি নমুনাই পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছে। সেগুলোতে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি এবং অপর্যাপ্ত ক্লোরিনেশন ধরা পড়েছে।
এর আগে দেশের "সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন" শহর হিসেবে পরিচিত ইন্দোরেও ২০২৫ সালের শেষের দিকে ভয়াবহ জল দূষণ দেখা দেয়। ভাগীরথপুরা এলাকায় পানীয় জলের পাইপলাইনের ওপর পাবলিক টয়লেট নির্মাণের ফলে নিকাশির জল পানীয় জলে মিশে যায়।
কয়েকশ মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন এবং একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। বার বার বাসিন্দারা অভিযোগ করলেও প্রশাসন সময়মতো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ।
দিল্লি এবং নয়ডার অবস্থাও এক। নয়ডার সেক্টর ২৯-এর ব্রহ্মপুত্র অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দারা সরবরাহিত জলে পোকা এবং পলি পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। দিল্লিতেও নিকাশি ব্যবস্থার কারণে পানীয় জলের সঙ্গে নর্দমার জল মিশে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জল সংরক্ষণের ট্যাঙ্কগুলোতে নিয়মিত ক্লোরিন ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে। পুরনো পাইপলাইন দ্রুত পরিবর্তন এবং নর্দমার লাইনের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা। কোন এলাকায় রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত সেখানে জলের উৎস পরীক্ষা করা উচিত।
Hariyana
হরিয়ানার গ্রামে হাহাকার, পানীয় জলে বিষক্রিয়ায় ১৫ দিনে ১২ জনের মৃত্যু
×
Comments :0