শ্যামল চক্রবর্তী
হিরোশিমার কলঙ্ক একাশি বছরে পা দিল। পৃথিবীর অনেক দেশেই শান্তিপ্রিয় মানুষ নিরাপদ পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষায় দিনটিকে নানাভাবে পালন করেন। হিরোশিমা শান্তি স্মারক প্রাঙ্গণে সকাল সোয়া আটটায় সমবেত শিশু নারী পুরুষ মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। উচ্চারিত হয় সেখানে সমবেত অভিলাষের বার্তা, এমন দিন যেন পৃথিবীতে আর কখনও ফিরে না আসে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট আমেরিকার বি-২৯ বোমার আঘাতে হতাহত হয়েছিলেন বহু মানুষ। সেই বীভৎসতার চিত্র আজও আমরা পরের প্রজন্মের শিশুদের মধ্যে দেখতে পাই। জাপানের মাটিতে তারা ‘হিবাকোশা’ হিসাবে চিহ্নিত। ৬ আগস্ট আমেরিকার জিঘাংসার স্বাদ মেটেনি। ৯ আগস্ট এরা নাগাসাকিতে আরও একটি পরমাণু বোমা ফেলেছে। একেই বলে মার্কিন সংস্কৃতি। অনেকে যা পারে না, আমরিকা তা পারে। আট দশক অতিক্রান্ত হলো। ক্ষমা চাইবার কোনও চিহ্ন নেই। রাষ্ট্রপতিদের মধ্যে শুধু বারাক ওবামা একবার জাপানে গিয়ে নিহতদের স্মৃতিতে ফুল দিয়েছিলেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে বার্তা দিয়েছিলেন, ‘যুদ্ধের আতঙ্ক কী, আমরা জানি। একটি নিউক্লিয় অস্ত্রযুক্ত পৃথিবী গড়ার জন্যে ও শান্তি প্রসারের লক্ষ্যে, আসুন, আমরা সাহস নিয়ে একসঙ্গে এগোই।’ এটি ছিল ২০১৬ সালের মে মাসের ঘটনা।
আমেরিকার প্রথম পরমাণু বোমা তৈরির ইতিহাস আজ কমবেশি সকলেই জানেন। এই নিয়ে প্রচুর লেখালেখি, বইপত্র ও সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। নাটক ও চলচ্চিত্র হয়েছে। সঙ্গীত ও চিত্রকর্মও দেখা গিয়েছে। ২০২৩ সালে নির্মিত ব্রিটিশ-আমেরিকান চলচ্চিত্রকার স্যার ক্রিস্টোফার নোলানেল ‘ওপেনহাইমার’ আমাদের মনে জাগরূক হয়ে আছে। আজ পৃথিবীর দিকে তাকালে আমরা কী দেখতে পাই? হিরোশিমা-নাগাসাকির পর সারা পৃথিবীতে প্রতিবাদের ঢেউ উত্তাল হয়েছিল। আমেরিকাকে পরমাণু বোমার ‘একক অধীশ্বর’ হয়ে থাকতে দিল না বিশ্ব রাজনীতি। শুরু হলো নিউক্লিয় অস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতা। তীর-ধনুক ঢাল তরোয়াল গোলা বন্দুকের কাল পেরিয়ে তৈরি হতে থাকল মানববিধ্বংসী সমর সম্ভার। পরমাণু অস্ত্র ও জীবাণু অস্ত্র। জীবাণু অস্ত্রের কথায় আজ যাব না। পরমাণু অস্ত্রের কথাতেই আমরা থাকব। তবে রাসায়নিক অস্ত্রের কথাও আমাদের মনে রাখতে হবে।
খুব বেশি প্রাচীন পরিসংখ্যানে যাব না। এক থেকে নয়। পৃথিবীর ন’টি দেশে এখন নিউক্লিয় বা পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। আমরা ২০২৬ সালের কথাই বলছি। শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করতে বোমা নিক্ষেপের কথা না ভেবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা মাথায় রাখছে আজকাল নানা সামরিক বাহিনী। তার প্রতিফলনও নানা যুদ্ধে দেখা যাচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) সংখ্যাতত্ত্বের খোঁজ খবর রাখে না। নিউক্লিয় অস্ত্র পৃথিবীতে থাকবে ধরে নিয়েই তারা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করে। নিউক্লিয় শক্তিকেন্দ্রে নজরদারি করে। বিদ্যুৎ তৈরি করলে কিছু বলে না। অস্ত্র তৈরির অভিসন্ধি দেখলে সেই শক্তিকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার হুকুম জারি করতে পারে। পরমাণুকে ‘শান্তি’ ও ‘উন্নয়ন’-এর কাজে বিনিয়োগ করলে আইএইএ’র আপত্তি নেই। বলে নেওয়া ভালো, সমরাস্ত্রের নিখুঁত পরিসংখ্যান নিউক্লিয় অস্ত্রে শক্তিধর দেশগুলি ঢাকঢোল পিটিয়ে আমাদের জানিয়ে দেবে, এমনটা মনে হয় না। তবে পরিচিত দুটি সংস্থার পরিসংখ্যান আমরা এখানে উল্লেখ করছি। এখানে আমরা সামান্য হলেও ফারাক দেখতে পাই। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের হিসাব।
ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টস জানাচ্ছে বিশ্বেমোট নিউক্লিয় অস্ত্রের সংখ্যা ৯,৭৪৫। যার শতকরা ৮৩ ভাগ অস্ত্রের অধিকারী আমেরিকা ও রাশিয়া। এই অস্ত্রগুলি দেশের সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিমান, জাহাজ ও ডুবোজাহাজে থাকবে। ‘নির্দেশ’ পেলেই ব্যবহার করবে। ৩৯১২টি ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যেখানে নিউক্লিয় জ্বালানি মজুত আছে। মিলিটারিদের হাতে তুলে দেওয়া এই পরিসংখ্যানের বাইরেও কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারে কিছু অস্ত্র মজুত রয়েছে যার সংখ্যা ২,৪৪২। সব মিলিয়ে দাঁড়াল ১২,১৮৭।
আর ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার উইপনস (আইসিএএন) নিউক্লিয় অস্ত্রের সংখ্যা জানাচ্ছে , তবে মিলিটারিদের হাতে কত আছে, রাষ্ট্রের হাতে অবশিষ্ট কত আছে, আলাদা করে দেখায়নি। ভারত, চীন ও উত্তর কোরিয়ার বেলায় একটু হেরফের ঘটেছে। মোট সংখ্যার সামান্য বদল হয়ে ১২,১৮৭ এর বদলে ১২,৩৪১ হয়েছে। অনেকেই হয়তো জানেন, আইসিএএন নামের এই সংগঠনটি ২০১৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল। নোবেল কমিটি পুরস্কার দিতে গিয়ে লিখেছে, ‘নিউক্লিয় অস্ত্র ব্যবহারে মানুষের যে বিপর্যয় তৈরি হয়, সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার নিরলস কাজ করে চলেছে এই সংগঠন। নানা আলাপ-আলোচনা ও চুক্তির মাধ্যমে নিউক্লিয় অস্ত্র প্রসার রোধে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।’ মাত্র এক দশকের একটি সংগঠনের (২০০৭ সালে জন্ম) নোবেল পুরস্কার অর্জন আমরা সদর্থক বলেই বিবেচনা করব। পাঠক বন্ধুরা আগ্রহী হলে নানা দেশে তাদের কর্মকাণ্ড দেখে নিতে পারবেন।
দক্ষিণপন্থী আধিপত্যে আচ্ছন্ন যুদ্ধোন্মত্ত এই পৃথিবী। একদিনের জন্যেও একুশ শতকের পৃথিবী যুদ্ধহীনভাবে ঘুমোতে পারছে না। পারস্য উপসাগর এলাকায় জনবসতিসুদ্ধু ভূখণ্ডকে নিশ্চিহ্ন করার কুকর্মে মেতেছেন ইজরায়েল ও মার্কিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা হচ্ছে। পরক্ষণেই ‘যুদ্ধবিরতির বিরতি’ ঘোষিত হচ্ছে। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ। ন’টি নিউক্লিয় অস্ত্রধর দেশের তালিকায় ইরানের নাম নেই। ইরান বলছে বারবার, শক্তি তৈরির জন্য আমরা পরমাণু কেন্দ্র গড়ে তুলছি। অন্য কোনও খারাপ উদ্দেশ্য আমাদের নেই। আমেরিকা ও ইজরায়েল সে কথা শুনতে রাজি না। তারা নিউক্লিয় অস্ত্র জমিয়ে রাখার অধিকারী। নতুন করে আর কেউ তৈরি করতে পারবে না। ইরানের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে চলছে আক্রমণ। ট্রাম্প বলছেন, ইরানের সব হিসাব তিনি লন্ডভন্ড করে দিতে পেরেছেন। রাজনীতিতে অস্থিরতা বাড়লে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তখন নিউক্লিয় অস্ত্র প্রয়োগের সম্ভাবনা গড়ে ওঠে। যতদূর জানা যায়, ইউক্রেনের হাতে কোনও পরমাণু অস্ত্র নেই। ১৯৯১ সালে যখন সোভিয়েত ভেঙেছে, ইউক্রেন পৃথিবীর তৃতীয় শক্তিধর দেশ হয়ে গিয়েছিল। অস্ত্রগুলি ছিল ইউক্রেন ভূখণ্ডে। চালু করার চাবি ও সংকেত ছিল রুশ দেশের হাতে। ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট চুক্তি হয়। ইউক্রেনের নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হবে না এই শর্তে ইউক্রেন সব অস্ত্র রুশ দেশে ফিরিয়ে দেয়। তবে ওদের দেশে শক্তি কেন্দ্র রয়েছে। ‘নিউক্লিয় অস্ত্র প্রসার রোধ চুক্তি’ কত কী পৃথিবীতে হয়েছে সেই সালতামামিতে যাচ্ছি না। নানা দেশের মধ্যে তথাকথিত নিরাপত্তা রক্ষার ‘মৈত্রী বন্ধন’ গড়ে উঠছে। যাদের নিউক্লিয় অস্ত্র নেই, তাদের সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। নিউক্লিয় অস্ত্র নির্মাতা দেশের সংখ্যা হয়তো বাড়ল না। সর্বনাশের ক্ষেত্র প্রসারিত হলো। আইসিএএন এমন বিপদের দিকে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ছ’খানা দেশের নাম করেছে ওঁরা। বেলারুশ, ইতালি, জার্মানি, তুর্কি, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ড। বেলারুশকে নিউক্লিয় অস্ত্র সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাশিয়া। ইতালির ভেতরে বোমা মজুতের কেন্দ্র করেছে আমেরিকা। জার্মানির বিমান বাহিনীকে নিউক্লিয় অস্ত্র সহায়তা দেবে বলেছে আমেরিকা। তুর্কিতে আমেরিকার নিউক্লিয় অস্ত্র উৎক্ষেপণের পরিকাঠামো রয়েছে। বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডের বেলাতেও সেই আমেরিকা। এমন ‘উদারতা’ রাশিয়ার চেয়ে আমেরিকার পাঁচগুণ বেশি। মানব হত্যার অভিপ্রায় পাঁচগুণ বেশি কিনা জানা নেই।
রাজনীতি বরাবরই মানুষকেন্দ্রিক। সেখানে মানুষের নানারকমের ভাবনা কাজ করে। মানবিক ও অমানবিক দু’রকমের ভাবনারই যাতায়াত ঘটে। সমাজ স্থবির নয়, গতিশীল। একদল মানুষ যুদ্ধে যোগদানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যদি এআই’র হাতে সঁপে দেয়, অনেক ভয়ঙ্কর পরিণামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে আমাদের। যুদ্ধক্ষেত্রে ‘ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎ’-এর জন্ম দিচ্ছে এআই। একথা আমাদের নয়। ২০১৭ সালের শান্তি নোবেল জয়ী আইসিওএন একথা বলছে। তাঁরা বলেছেন, সুখের কথা হয়তো খানিকটা, আজও কোনও দেশে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব এআইএ’র হাতে হস্তান্তর করেনি। তবে তাঁদের আশঙ্কা, এআই তো নিউক্লিয় অস্ত্র বিশেষত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে নির্দেশ দিচ্ছে। যুদ্ধজড়িত আরও কিছু কাজ করছে। ২০২৬ সালের ১৪ জুলাই আইসিএএন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আয়তনে ছোট। তবে শেষ লাইনে বলেছে, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে অটোমেশনের গতি যদি বাড়তে থাকে, তা স্থায়িত্ব দান করে না। তা যুদ্ধকে আরও বিপজ্জনক করে তোলে।’ এই সময়ে দাঁড়িয়ে এআইএ’র এই বিপদের কথা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না।
নানা ব্যক্তি মানুষ ও প্রতিষ্ঠান নিউক্লিয় অস্ত্রমুক্ত পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন দেখলেও তা এখনও সার্থকতা লাভ করেনি। ২০১৭ সালে আইসিএএন পৃথিবীতে নিউক্লিয় অস্ত্র পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার একটি চুক্তি রচনা করেছিল। ২০২১ সাল থেকে তা কার্যকর হয়। রাষ্ট্রসঙ্ঘ তা গ্রহণ করে। ৭৫টি দেশ এই চুক্তিকে মান্যতা দিয়েছে। ন’খানা অস্ত্রধর দেশ স্বভাবতই এতে সই করেনি। বেলারুশ সহ আগে যে ছ’টি দেশের কথা উল্লিখিত হয়েছে, এরাও কেউ সই করেনি। চুক্তিটি যেদিন গৃহীত হয়, ১২২টি দেশ সই করেছে। নেদারল্যান্ড বিরোধিতা নথিবদ্ধ করে। পৃথিবীতে ১৯৩টি দেশের সই হলে সবার সই হয়। অর্ধেক দেশও আজ পর্যন্ত সই করেনি। এমন ছবি আমাদের কাছে সুখকর নয়। আমেরিকা ও রাশিয়া শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করেছে। যা বলতেই হয়, উত্তর কোরিয়া প্রথমে সই করেছিল। পরে বাকি শক্তিধরদের কাণ্ডকারখানা দেখে সম্মতি তুলে নেয়।
২০২৫ সালে ন’টি নিউক্লিয় শক্তিধর দেশ শুধুমাত্র নিউক্লিয় অস্ত্রের গবেষণায় ১১,৯০০ কোটি ডলার খরচ করেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় শতকরা ১৯ ভাগ বেশি। একটি দেশও নেই যে খরচ কমিয়েছে। আমেরিকার খরচ সকলের বেশি। ৬৯২০ কোটি ডলার। চীনের খরচ ১৩৫০ কোটি ডলার। ব্রিটেনের খরচ ১২৬০ কোটি ডলার। রাশিয়া ৯৫০, ফ্রান্স ৭৭০, ভারত ২৮০, পাকিস্তান ১৫০, ইজরায়েল ১২০ এবং উত্তর কোরিয়া ৬৫ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার।
আর একটি ভয়াবহ উপদ্রবের কথা লিখে এই লেখা শেষ করব। ২০২৫ সালে ২৫টি বেসরকারি কোম্পানি নিউক্লিয় অস্ত্রের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নেমে পড়েছে। সকলে মিলে কমপক্ষে রোজগার করেছে ৩৮০০ কোটি ডলার। সরকারি কাজ যেন আদায় করা যায় তার জন্যে টাকা খাইয়ে দালাল নিয়োগ করা হয়েছে। ফ্রান্স ও আমেরিকায় তেমন দালাল চিহ্নিত হয়েছে। আইসি এ এনের রিপোর্টে এই ঘটনার উল্লেখ আছে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এমন দালালেরা একাধিকবার সভা করে গিয়েছে। প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ গবেষণায় কর্পোরেটদের আমন্ত্রণ জানালে তারা কেউই ’দেশপ্রেমিক’ সাজবে না, মুনাফা বাড়ানোর কাজ করে যাবে।
অনেকগুলি বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেতে হবে আমাদের। বিপদের দিকগুলি আজ হিরোশিমা দিবসে আমরা একবার ফিরে দেখতে চাইছি। চাইছি, নিজেদের প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের স্বর যেন আরও প্রত্যয় অর্জন করে।
Hiroshima Day
এমন দিন যেন আর ফিরে না আসে
×
Comments :0