Left Protest Delhi

শ্রমিক অসন্তোষে বিজেপি’র দমনে বামপন্থীদের বিক্ষোভ দিল্লিতে

জাতীয়

শ্রম আইন বলে কিছু নেই। চরম বঞ্চনার শিকার দিল্লি সংলগ্ন শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা। শুক্রবার দিল্লির যন্তর মন্তরে যৌথ সভায় তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করলেন বামপন্থীরা। প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠানো হলো স্মারকলিপিও। 
তীব্র বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিক এবং ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃত্বকে অপরাধী বলে দেগে দিতে নেমেছে উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারের পুলিশ। এদিনই তার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লেখক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবীদের একাধিক সংগঠন। তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘ, দিল্লির জননাট্য মঞ্চও। 
যন্তর মন্তরে সভায় যোগ দেয় সিপিআই(এম), সিপিআই, সিপিআই(এমএল), আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক এবং সিজিপিআই। 
এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে দিল্লি লাগোয়া নয়ডা, গাজিয়াবাদের মতো রাজধানী সংলগ্ন অঞ্চলের শিল্পাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে শ্রমিক অসন্তোষ। একের পর এক শিল্প ইউনিটে শ্রমিকদের অস্থায়ী হিসেবে রেখে কাজ করানো হচ্ছে। ন্যূনতম বেতন নেই। তার ওপর নেই কাজের সময়ের কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম। সম্প্রতি জ্বালানি এবং অন্য জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় অসন্তোষ হু-হু করে ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষোভ সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, আন্দোলনকারী শ্রমিক নেতাদের আইন ভঙ্গকারী বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে। চলেছে ধরপাকড়। মহিলারাও রেহাই পাননি। তুলে নিয়ে গিয়ে গোপন আটক করেছে পুলিশ। দমনের নীতিতে শ্রমিক অসন্তোষ থামবে না।
বক্তব্য রাখেন সিপিআই(এম) নেত্রী সুভাষিণী আলি, সিপিআই নেত্রী অমরজিৎ কৌর, সিপিআই(এমএল)’র শ্বেতা রাজ সহ বাম নেতৃবৃন্দ। 
প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মনে করানো হয়েছে যে শ্রম আইন তুলে দিয়ে শ্রম কোড আইন পাশ করার ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় হস্তক্ষেপ করতে হবে।

Comments :0

Login to leave a comment