PROBANDHA | BENGLA VASHA | TAPAN KUMAR BAIRAGYA | MUKTADHARA | 4th YEAR | 21 MAY 2026 | KABIPAKSHA

প্রবন্ধ | বাংলা ভাষা শহিদ দিবস | তপন কুমার বৈরাগ্য | মুক্তধারা | বর্ষ ৪ | ২১ মে ২০২৬ | কবিপক্ষ

নতুনপাতা/মুক্তধারা

PROBANDHA  BENGLA VASHA  TAPAN KUMAR BAIRAGYA  MUKTADHARA  4th YEAR  21 MAY 2026  KABIPAKSHA

প্রবন্ধ | বাংলা ভাষা শহিদ দিবস

        তপন কুমার বৈরাগ্য

মুক্তধারা | বর্ষ ৪ | ২১ মে ২০২৬ | কবিপক্ষ

 

২১শে ফেব্রয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
২১ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ঢাকায় শহিদ হয়েছিলেন
সালাম,বরকত,রফিক,জব্বার,শফিউর।আমাদের
ভারতবর্ষে বাংলাভাষা শহিদ দিবস ১৯শে মে।
১৯৬১খ্রিস্টাব্দের ১৯শে মে আসামের শিলচর রেলওয়ে
স্টেশনে বাংলাভাষা আন্দোলনে ১১জন 
পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
১৯৬০খ্রিস্টাব্দের এপ্রিলমাসে আসাম  রাজ্য সরকার
অসমীয়া ভাষাকে প্রদেশের একমাত্র ভাষা হিসাবে
স্বীকৃতি দেয়। বাঙালিদেরও অসমীয়া ভাষায় কথা বলতে হবে।
আসামের বরাক উপত্যকায় বাঙালিদের বাস।তারা
চায় তাঁদের মাতৃভাষা বাঙলায় কথা বলতে।বরাক 
উপত্যকায় বাঙালিদের উপর অসমীয়া ভাষা জোর করে
চাপিয়ে দেওয়া হলো। শুরু হলো আন্দোলন। ১৯৬১খ্রিস্টাব্দের
১৯শে মে শিলচর স্টেশনে পুলিশের গুলিতে শহিদ হলেন
এগারো জন।এরা হলেন কানাইলাল নিয়োগী, চন্ডীচরণ
সূত্রধর,সত্যেন্দ্র কুমার দেব,হিতেশ বিশ্বাস,কুমুদরঞ্জন দাস,
সুনীল সরকার,শচীন্দ্র চন্দ্র পাল, তরণী দেবনাথ,
বীরেন্দ্র সূত্রধর,সুকোমল পুরকায়স্থ এবং কমলা ভট্টাচার্য।
ভাষা আন্দোলনে ইতিহাসে বিশ্বের প্রথম নারী শহিদ কমলা ভট্টাচার্য।
তিনি যখন শহিদ হন তখন তিনি কিশোরী। বয়েস ছিলো
ষোলো বছর। ১১জন শহিদ হবার পর তদানীন্তন আসাম
সরকার বরাক উপত্যকার ওখানকার মাতৃভাষা হিসাবে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেন। প্রতি বছর সারা দেশে  ১৯শে মে'কে
বাংলা ভাষা শহিদ দিবস হিসাবে পালন করা হয়।বিশেষ করে
বরাক উপত্যকায় যথাযথ মর্যাদার সাথে এই দিনটা
পালন করা হয়।সেদিনের সেই ভাষা আন্দোলনে
দলমত নির্বিশেষে আবালবৃদ্ধ বনিতা সকলেই এই 
ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাংলাভাষার
মতন কোনো ভাষায় এতো রক্ত ঝরেনি।
একটা আক্ষেপের বিষয় ২১ফেব্রুয়ারিকে যেভাবে
আমরা গুরুত্ব দিই ১৯শে মে'কে সেইভাবে আমরা
গুরুত্ব দিই না।

 

Comments :0

Login to leave a comment