University of Hyderabad

এবিভিপি'র অত্যাচারে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ধিক্কার এসএফআই সহ প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের

জাতীয়

হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে মধ্যে মায়ুখ কুন্ডুর মৃত্যুর ঘটনায় হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন -  এসএফআই সহ এএসএ, এআইএসএ, বিআরএসভি, বিএসএফ, ডিএসইউ, ফ্র্যাটার্নিটি, এমএসএফ, পিডিএসইউ, টিএসএফ  আজ তীব্র নিন্দা জানিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেওয়া করেছে। 
বিবৃতিতে সংগঠগুলির তরফে জানানো হয়েছ, ফিনান্সিয়াল ইকোনমিক্স'র এম.এ প্রথম বর্ষের  ছাত্র মায়ুখ কুন্ডুর মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য তাঁর উপর যারা গণ আক্রমণ নিয়ে এনেছিলো তাঁদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও এই ঘটনার দায়ী করা হয়েছে। 
১৭ই মে রাতে, এবিভিপি'র সঙ্গে যুক্ত একদল ছাত্র এবং বর্তমান এবিভিপি-নেতৃত্বাধীন ছাত্র ইউনিয়নের সদস্যরা, ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত মায়ুখ কুন্ডুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অজুহাতে হোস্টেলের বাইরে জড়ো হয়। মুহূর্তের মধ্যে তা এক উন্মত্ত চেহারা নেয়, সেইসঙ্গে কোনোরকম প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম না মেনেই একপ্রকার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। ভয়ের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, ক্যাম্পাসের মধ্যে চলাচলে বাঁধা দেওয়া সহ একপ্রখর জোর করেই মায়ুখ কুন্ডু'কে নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় তাঁরা। ওই ছাত্রটিকে হোস্টেলের একটি ঘরে আটকে রেখে তার উপর গুরুতর হয়রানি, অপমান এবং শারীরিক আক্রমণ করা হয়। 
পাশাপাশি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী নিরাপত্তা কর্মী, যিনি  একজন দলিত জনজাতির মানুষ, তাঁকে প্রকাশ্য অপমান করা হয়। সেদিন রাতের পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করায় এবিভিপি"র সদস্যরা তাকে জাতিগত গালিগালাজ করে সেইসঙ্গে  ভাষাগত কারণে তাকে নিয়ে উপহাসও করে। এই ঘটনাটি জাতিভিত্তিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অপমানের এক অত্যন্ত উদ্বেগজনক নিদর্শন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি ও পেশ করে ওই ছাত্র সংগঠনগুলি। সেখানে, মায়ুখের মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণ হওয়া ১৭ মে ২০২৬-এর ঘটনা তদন্তের জন্য অবিলম্বে একটি স্বাধীন তথ্য-অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা, হামলা, জবরদস্তি এবং জনসমক্ষে অপমানের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যতদ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ সহ মায়ুখ কুন্ডুর পরিবারকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ও দাবি জানায় ছাত্র সংগঠনগুলি। 
 

Comments :0

Login to leave a comment