Joint Forum of Tea Workers

চা শ্রমিকদের লড়াই জারি থাকবে গেট মিটিংএ চা শ্রমিকরা

রাজ্য জেলা

Joint Forum of Tea Workers


চা শ্রমিকদের ওপর মালিকপক্ষের তীব্র আক্রমণ রুখতে ও বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে চা শ্রমিকদের গেট মিটিং। ন্যূনতম মজুরি, জমির পাট্টা, কোয়াটারের মেরামতি, বাগানগুলিতে প্রাপ্য গ্র্যাচুইটি ও পি এফ সহ বিভিন্ন দাবিতে শনিবার গেট মিটিং করে ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি দিল জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বারোপাটিয়া নতুনবস গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভান্ডিগুড়ি চা বাগানের সিআইটিইউ অনুমোদিত চা বাগান মজদুর ইউনিয়নের সদস্যরা।


রাজ্য সরকার চা বাগানের জমির চরিত্র বদল করে হাজার হাজার একর চা বাগানের জমি কর্পোরেটদের হস্তান্তর করতে চাইছে।  অথচ শতকের পর শতক ধরে যে শ্রমিকেরা বাগানে রয়েছেন তাদের জমির কোনো পাট্টা নেই। বহু‌ বছর পরিচর্যার অভাবে শ্রমিকদের কোয়াটারগুলি আর বাসযোগ্য নেই। শ্রমিকদের অবসরের পর গ্র্যাচুইটি ও পিএফ এর টাকা পেতে দালাল চক্রর হাতে পরতে হচ্ছে এই বাগানের শ্রমিকদের।   


এদিন বিকালে দাবিগুলি নিয়ে শ্রমিক নেতা জিয়াউল আলমের নেতৃত্বে গেট মিটিং হয় ও ভান্ডিগুড়ি চা বাগানের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। গেটে সভায় জিয়াউল আলম বলেন, চা বাগানের জমির অধিকার শ্রমিকরা ছাড়বে না।  ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। 
চা বাগানের মহিলা শ্রমিকরা জানিয়েছেন মহিলা মজদুরদের মাতৃত্বকালীন ছুটির আইন ২০১৬ সালে সরকার পাস করলেও এই বাগানে আজও তা চালু হয়নি।  বাগানের ক্রেশে শিশুদের দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই অমানবিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। বাগান ইউনিটের সম্পাদক অমল নায়েক জানিয়েছেন,  ন্যূনতম মজুরি না পাওয়া পর্যন্ত লড়াই জারি থাকবে।
 

Comments :0

Login to leave a comment