ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার জন্য মার্কিন সেনার 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ'-এ ব্যবহৃত হয়েছে এক গোপন অস্ত্র। সম্প্রতি ভেনেজুয়েলান এক নিরাপত্তারক্ষীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বিবরণ সামনে আসার পর এই নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। ওই প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, মার্কিন সেনারা এমন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে যা কোন গুলি না ছুড়েই এক নিমিষে তাদের সেনাকে অকেজো করে দিয়েছিল।
ওই রক্ষী জানান, ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে হঠাৎ করেই তাদের সমস্ত রাডার সিস্টেম কোনো কারণ ছাড়াই বন্ধ হয়ে যায়। এর পরপরই আকাশে অসংখ্য মার্কিন ড্রোন দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছিলাম না কী হচ্ছে। মাত্র ২০ জনের একটি ছোট মার্কিন দল ৮টি হেলিকপ্টার নিয়ে নামে, অথচ আমাদের সংখ্যা ছিল কয়েকশ। কিন্তু তাদের প্রযুক্তির সামনে আমরা দাঁড়াতেই পারিনি।’
ওই রক্ষী জানান, মার্কিন সেনারা এমন কিছু একটা নিক্ষেপ করে যার কোন দৃশ্যমান অস্তিত্ব ছিল না, কিন্তু ছিল তীব্র শব্দ তরঙ্গের মতো প্রভাব।
তিনি বলেন, ‘হঠাৎ মনে হলো আমার মাথাটা ভেতর থেকে ফেটে যাচ্ছে। আমাদের সবার নাক দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করল, কেউ কেউ রক্ত বমি করতে লাগল। আমরা মাটিতে লুটিয়ে পড়লাম, নড়ার শক্তি পর্যন্ত ছিল না আমাদের।’
প্রাক্তন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, এই ডিরেক্টেড এনার্জি ওয়েপন বা মাইক্রোওয়েভ অস্ত্রের সাথে মিলে যায় এই ধরনের অস্ত্র উচ্চ-তীব্রতার তরঙ্গ ব্যবহার করে মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে অকেজো করে দিতে পারে, যা বমি বমি ভাব, তীব্র ব্যথা এবং রক্তক্ষরণের কারণ হয়।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক্সে এই ঘটনার বিবরণটি শেয়ার করেছেন। তবে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই মারণাস্ত্রের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ তথ্য অনুযায়ী ওই অভিযানে তাদের প্রায় ১০০ জন সেনা নিহত হয়েছেন।
USA VENEZUELA
অজানা অস্ত্র ব্যবহার করে অপহরণ মাদুরোকে
×
Comments :0