Former TMC MLA Arrested

প্রয়াগরাজ থেকে গ্রেপ্তার বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

জেলা

বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূলের বিধায়ক খোকন দাস গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর  উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ ছিল। গোপনে ঘর ভাড়া নিয়ে গাঢাকা দিয়েছিল খোকন। সেখান থেকে পুলিশ তাকে রবিবার সকালে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ, এক সময় তৃণমূলের শাসনে ধৃত খোকন দাস সাধারন মানুষের উপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে। তাকে ট্রানজিট রিমাইন্ডে বর্ধমানে আনা হবে বলে জানাগেছে। তাই ক্ষমতা গেলেও আতঙ্ক যায়নি বর্ধমান শহরের মানুষের! বর্ধমানে শাহজাহান মডেল’-এর দুর্নত, অত্যাচারের অভিযোগে ঘিরে তোলপাড় শহর। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক ক্ষমতা হাতে পেলে যে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া যায়, তারই যেন জীবন্ত উদাহরণ প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস। পুকুর ভরাট করে জমি দখল, ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি হাতানো, বিরোধীদের ঘরছাড়া করা থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার বেনামি সম্পত্তি তৈরির অভিযোগে এবার সরব বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর এলাকার মানুষের।
স্থানীয়দের দাবি, একসময় কয়লার গুঁড়ি বাড়ি–বাড়ি পৌঁছে সংসার চালানো খোকন দাস, রাজনৈতিক ক্ষমতার শিখরে পৌঁছনোর পর অস্বাভাবিকভাবে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়ে ওঠেন। অভিযোগ, কালীঘাটের ভাইপো’র মদতে ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকার বহু মানুষের জমি ও সম্পত্তি ভয় দেখিয়ে নিজের দখলে নিয়েছেন তিনি। কোথাও জলাশয় ভরাট, কোথাও অবৈধ বালি মজুত, আবার কোথাও ব্যক্তিগত সম্পত্তি কিংবা অন্যের সম্পত্তি দখল করে নীল-সাদা রঙে ঢেকে সরকারি প্রকল্পের ছাপ দেওয়ায় নজর ঘোরানো। এলাকার মানুষ খোকন দাসকে বালি মাফিয়া বলেই চেনেন। পাশাপাশি কাঞ্চননগরের বকুলতলায় বহুতল একটি ভবনের সামনে বড় করে লেখা ছিল ‘বিধায়ক সহায়তা কেন্দ্র’। কিন্তু, এবারের ভোটে পরাজয়ের পর প্রশাসনিক নজরদারি বাড়তেই খোকনবাবু সেটিকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে দাবি করেছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা অঞ্জনা ঘোষের অভিযোগ, ১৫ বছর ধরে মানুষকে মারধর, বাড়িতে আগুন, সম্পত্তি দখল সব চলেছে। সিপিআই(এম) কর্মীদের উপর অকথ্য অত্যাচার, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, একের পর এক হামলা, পার্টি অফিস দখল সবই হয়েছে বিধায়কের মদতে। কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা কেস দিয়ে ঘরছাড়া করা হতো। ভয় দেখিয়ে কম দামে সম্পত্তি লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর এক বাসিন্দা সুমিত দাস বলেন, একটা ডোবা রাতারাতি ভরাট করে প্লট বানানো হয়। সেখানে চোরাই বালি মজুত থাকত। তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি, কারণ শাসকের বিরুদ্ধে বললেই গুণ্ডাবাহিনী বাড়িতে হামলা চালাত। স্থানীয় কানাই দাসের দাবি, ক্ষমতা হারিয়েও এলাকায় খোকন দাসের আতঙ্ক কমেনি। এখনও ভয়ে ঠিকমতো ঘুমোতে পারি না। মুখ খুললেই বিপদের আশঙ্কা। সেই  বালি মাফিয়া গ্রেপ্তার হয়েছে শুনে অনেকেই  স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।প্রয়াগরাজ থেকে গ্রেপ্তার বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূলের বিধায়ক খোকন দাস গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর  উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ ছিল। গোপনে ঘর ভাড়া নিয়ে গাঢাকা দিয়েছিল খোকন। সেখান থেকে পুলিশ তাকে রবিবার সকালে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ, এক সময় তৃণমূলের শাসনে ধৃত খোকন দাস সাধারন মানুষের উপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে। তাকে ট্রানজিট রিমাইন্ডে বর্ধমানে আনা হবে বলে জানাগেছে। তাই ক্ষমতা গেলেও আতঙ্ক যায়নি বর্ধমান শহরের মানুষের! বর্ধমানে শাহজাহান মডেল’-এর দুর্নত, অত্যাচারের অভিযোগে ঘিরে তোলপাড় শহর। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক ক্ষমতা হাতে পেলে যে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া যায়, তারই যেন জীবন্ত উদাহরণ প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস। পুকুর ভরাট করে জমি দখল, ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি হাতানো, বিরোধীদের ঘরছাড়া করা থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার বেনামি সম্পত্তি তৈরির অভিযোগে এবার সরব বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর এলাকার মানুষের।
স্থানীয়দের দাবি, একসময় কয়লার গুঁড়ি বাড়ি–বাড়ি পৌঁছে সংসার চালানো খোকন দাস, রাজনৈতিক ক্ষমতার শিখরে পৌঁছনোর পর অস্বাভাবিকভাবে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়ে ওঠেন। অভিযোগ, কালীঘাটের ভাইপো’র মদতে ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকার বহু মানুষের জমি ও সম্পত্তি ভয় দেখিয়ে নিজের দখলে নিয়েছেন তিনি। কোথাও জলাশয় ভরাট, কোথাও অবৈধ বালি মজুত, আবার কোথাও ব্যক্তিগত সম্পত্তি কিংবা অন্যের সম্পত্তি দখল করে নীল-সাদা রঙে ঢেকে সরকারি প্রকল্পের ছাপ দেওয়ায় নজর ঘোরানো। এলাকার মানুষ খোকন দাসকে বালি মাফিয়া বলেই চেনেন। পাশাপাশি কাঞ্চননগরের বকুলতলায় বহুতল একটি ভবনের সামনে বড় করে লেখা ছিল ‘বিধায়ক সহায়তা কেন্দ্র’। কিন্তু, এবারের ভোটে পরাজয়ের পর প্রশাসনিক নজরদারি বাড়তেই খোকনবাবু সেটিকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে দাবি করেছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা অঞ্জনা ঘোষের অভিযোগ, ১৫ বছর ধরে মানুষকে মারধর, বাড়িতে আগুন, সম্পত্তি দখল সব চলেছে। সিপিআই(এম) কর্মীদের উপর অকথ্য অত্যাচার, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, একের পর এক হামলা, পার্টি অফিস দখল সবই হয়েছে বিধায়কের মদতে। কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা কেস দিয়ে ঘরছাড়া করা হতো। ভয় দেখিয়ে কম দামে সম্পত্তি লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর এক বাসিন্দা সুমিত দাস বলেন, একটা ডোবা রাতারাতি ভরাট করে প্লট বানানো হয়। সেখানে চোরাই বালি মজুত থাকত। তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি, কারণ শাসকের বিরুদ্ধে বললেই গুণ্ডাবাহিনী বাড়িতে হামলা চালাত। স্থানীয় কানাই দাসের দাবি, ক্ষমতা হারিয়েও এলাকায় খোকন দাসের আতঙ্ক কমেনি। এখনও ভয়ে ঠিকমতো ঘুমোতে পারি না। মুখ খুললেই বিপদের আশঙ্কা। সেই  বালি মাফিয়া গ্রেপ্তার হয়েছে শুনে অনেকেই  স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।

Comments :0

Login to leave a comment