Communal Harmony

শরবত নিয়ে ক্লান্ত দর্শনার্থীদের পাশে কৃষ্ণনগরের ইনসান

জেলা

প্রতি বছরই এমন করেন। সোমবারও কৃষ্ণনগরে দেখা গেল পথশ্রমে ক্লান্ত দর্শনার্থীদের শরবতের গ্লাস তুলে দিচ্ছেন ইনসান। শ্রাবণ মাসে দর্শনার্থীরা কেউ কাঁধে বাঁক নিয়ে, কেউ জল নিয়ে পুজো দিতে হাঁটছেন মাইলের পর মাইল। ইনসান এবং তার সহকর্মীরা তাঁদের হাতে তুলে দিচ্ছেন শরবত। পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি ইনসান।  তিনি বলছেন, আমরা প্রত্যেকে মানুষ হিসেবে জন্মেছি। তাই আমরা সবাই ধর্মীয় পরিচয়ের ওপরে একে অন্যের সঙ্গে থাকতে চাই। কে হিন্দু আর কে মুসলিম সেটা বড় কথা নয়, মানুষই সবার বড় পরিচয়।
বাংলা যদিও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এমন বার্তাই যুগের পর যুগ বয়ে এসেছে। বিগত কিছু সময় থেকে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজনের চেষ্টা চলছে। কিন্তু সমন্বয়ের ভাবধারা রয়েছে সংস্কৃতির গভীরে। একে অন্যের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সহায়ক হয়ে থেকে থেকেছেন। কৃষ্ণনগরে এদিন সেই সংস্কৃতিরই টুকরো দৃশ্য চোখে পড়েছে। 
কেবল বাংলা নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই সমন্বয়ের সংস্কৃতি রয়েছে। উত্তর ভারতে শ্রাবণে যারা ভক্তি জানাতে যান, সেই কানোয়ারিদের, ভরসা হন বহু মুসলিমও। সেই বরাবরের সংস্কৃতিতে যদিও সম্প্রতি ফাটল ধরানোর চেষ্টা হচ্ছে। ইনসানের মতো দুই ধর্মেরই বহু মানুষ তবু বাড়িয়ে রাখছেন সহায়তার হাত।

Comments :0

Login to leave a comment