বাঁকুড়ার ইন্দাসে শেখ মহম্মদ মাফিকের মৃত্যুর ঘটনার নিন্দা করলেন অভিজিৎ দীপকে। বিজেপি দুষ্কৃতীদের হাত থেকে ছেলে আবদুল হাফিজকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন মাফিক।
বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার কোরিশুন্ডা দ্বারকাপাড়ার এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দিয়ে দিল্লি গিয়েছিলেন সাতাশ বছরের যুবক শেখ মহম্মদ আবদুল হাফিজ। (আরও পড়ুন: বাঁকুড়ায় ককরোচ আন্দোলনের কর্মীর বাড়িতে হামলা বিজেপি’র, মৃত্যু বাবার)
দীপকে সোশাল মিডিয়ায় মাফিকের ভিডিও পোস্ট করেছেন। সিজেপি কর্মী সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, যে স্কুলে পড়ত, তার অবস্থা কেমন জানতে গিয়েছিল আবদুল। স্কুলের করুণ দশা তুলে ধরায় আবদুল এবং তাঁর বাবার ওপর হামলা হয়েছে। কেবল স্কুলের উন্নতি চাওয়ার জেরে কাউকে খুন হতে হবে এ কথা শুনলেই রক্ত গরম হয়ে উঠছে।
দীপকে জানিয়েছেন যে বাঁকুড়ায় আবদুল হাফিজের বাড়িতে যাচ্ছে সিজেপি’র প্রতিনিধিদল। তিনি বলেছেন, যারা ঘৃণা ছড়ায় তারা যদি ভেবে থাকে হিংসা দিয়ে আমাদের চুপ করানো যাবে তবে ভুল ভাবছে। আমরা পিছু হটছি না।
কোরিশুন্ডা দ্বারকাপাড়ার স্কুল সম্পর্কে তথ্য জোগার করতে গিয়েছিলেন হাফিজ। তার আগে যন্তরে মন্তরে আন্দোলনেও ছিলেন। রিল করে ছড়িয়ে দেওয়ায় ইন্দাসের বিজেপি দুষ্কৃতীদের বিষ নজরে পড়েন বলে জানা গিয়েছে। গত ১৩ আগস্ট যান স্কুল সম্পর্কে জানতে। সিজেপি’র কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্কুলেই যাচ্ছেন। প্রধান শিক্ষক হাফিজকে পরে আসতে বলে খবর দেন বিজেপি নেতাদের। বাড়িতে হামলা করে বিজেপি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন শেখ মহম্মদ মাফিক। এমনকি চিকিৎসায় বাধা দেওয়া হয়। গত ১৫ আগস্ট রাতে বর্ধমানের এক হাসপাতালে মারা যান তিনি। (দেখুন: সিজেপি’র সংগঠক আশুতোষ রাঙ্কার বক্তব্য)
Comments :0