মাত্র দু’মাসেই চিনির দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ। বহু অংশেরই অভিযোগ যে ইথানল উৎপাদনের তাগিদে কমছে চিনির উৎপাদন। ক্ষোভ বাড়তে থাকায় বিবৃতি জারি করে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করল কেন্দ্র।
খোলাবাজারে ২০ জুলাই চিনির দাম ছিল কেজি-তে ৪৮.১৮ টাকা। সরকারি হিসেব অনুযায়ী ২০ আগস্ট চিনির দাম বেড়ে হয়েছে কেজি-তে ৫৫.৭০ টাকা।
শুক্রবার কেন্দ্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইথানলের জন্য চিনির ব্যবহারকে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। অন্য কয়েকটি কারণে বেড়েছে চিনির দাম।
কেন্দ্রের বক্তব্য, দেশের ভেতর প্রত্যাশার তুলনায় কম চিনির উৎপাদন হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে আখ নষ্ট হয়েছে। তার ওপর চিনি আমদানির সুযোগও কমেছে। কারণ বিশ্বে চিনির জোগান কমেছে।
দেশে চিনির দাম লাফিয়ে বাড়লেও আখচাষিরা বিশেষ লাভবান হননি। বড় চিনিকলের মালিকরাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে। ইথানল উৎপাদনে সরকারি ভরতুকির টাকাও ঢোকে এই বড় চিনিকল মালিকদের পকেটেই।
কেন্দ্রের বক্তব্য, জোগানে সঙ্কট থাকলেও চিনির জোগান প্রয়োজন মেটানোর মতো রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, কেন্দ্র বিনা শুল্কে চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছে। ১০ লক্ষ টন চিনি আমদানি করা হবে বিদেশ থেকে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বিনা শুল্কে আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।
তবে বিনা শুল্কে আমদানিতে অনেক সময়েই সাধারণ ক্রেতার সমস্যা মেটে না। কারণ আমদানিকারী বেসরকারি উৎপাদকরা মুনাফা করে।
Increase in Sugar Price
ইথানল দায়ী নয়, চিনির দাম বৃদ্ধিতে দাবি কেন্দ্রের
×
Comments :0