আশা কর্মীদের মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ধর্মতলায় মিছিল আটকানো হলে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আশা কর্মীদের এই মিছিল আটকানোর জন্য রাজ্য জুড়ে তৎপর প্রশাসন। বিভিন্ন জেলায় আটকানো হয়েছে বাস। অনেক জায়গায় আটকও করা হয়েছে আশা কর্মীদের।
বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ রাস্তা থেকে বাদুড়িয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের আশাকর্মী অপর্ণা হালদারকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে থানায় আটকে রাখে বলে অভিযোগ করলেন আশাকর্মী ইউনিয়নের নেত্রী মহামায়া দেবনাথ। এতদসত্ত্বেও ১৫ হাজার টাকা মাসিক অনুদান সরকারি সুযোগ সুবিধা সহ একাধিক দাবিতে আশাকর্মী মহামায়া দেবনাথের নেতৃত্বে আশাকর্মী সাবিনা, জিন্নাতুন, পূর্ণিমা, মিতালিরা এসেছেন স্বাস্থ্যভবন অভিযানে। মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হয় পুলিশি তান্ডব। হিঙ্গলগঞ্জ বাদুড়িয়া সহ বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন ব্লকে পৌর এলাকায় পুলিশি অভিযান শুরু হয়। কোথাও ট্রেনে যেতে বাধা কোথাও মাঝপথ থেকে থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে রাখা ইত্যাদি চললো পুলিশের বেপরোয়া আচরণে।
মঙ্গলবার রাতে বাদুড়িয়ার আশাকর্মী মহিলা নেত্রী মহামায়া দেবনাথের বাড়িতে চড়াও হয় সিভিক ভলান্টিয়ার। গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়ে স্বাস্থ্যভবন অভিযানে যেতে বারণ করা হয়। এ হেন হুমকি উড়িয়ে মহামায়া জানান বেশ কিছুক্ষণ বাদানুবাদের পর সিভিক ভলান্টিয়ার ফিরে গেলেও রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ পুলিশের একজন মহিলা আধিকারিক সহ মহিলা পুরুষ মিলিয়ে ৯জন পুলিশকর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ার বাড়িতে একা থাকা মহামায়াকে ঘুম থেকে তুলে বলা হয় তার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। মহামায়া দরজা না খুলে তার অপরাধ জানতে চাইলে কোন উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে না করে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সিপিআই(এম) নেতা স্বপন ঘোষ, অলকেশ চৌধুরী সহ অন্যান্য পার্টি কর্মীরা। তারা অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট দেখতে চান। উত্তর না দিয়ে সিপিআই(এম) কর্মীদের সাথে শুরু হয় বাদানুবাদ। এরপর কার্যত পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় পুলিশ কর্মীরা। এরপর বুধবার সকালে আশাকর্মী ইউনিয়নের নেত্রী মহামায়া দেবনাথের বাড়ির সামনে পুলিশি প্রহরা শুরু হয়। তারপরেও মহামায়াদের আটকাতে ব্যর্থ হলো বাদুড়িয়া থানার পুলিশ।
ASHA WORKER PROTEST
পুলিশের হুমকি উপেক্ষা করে ধর্মতলায় অপর্ণা, মহামায়ারা
×
Comments :0