Subhendu Adhikary

সন্দেশখালিতে গিয়েই ধর্মীয় বিভাজনে উসকানি শুভেন্দুর

রাজ্য

আদালতের অনুপতি পেয়ে গেলেন। আর সন্দেশখালিতে গিয়ে ফের ধর্মীয় বিভাজনের চেষ্টাও করে এলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। 
শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে পাশে বসিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘রাতের বেলায় কেউ ঢুকলে শাঁখ বাজাবেন। আমি মাইক সেট পাঠিয়ে দেবো, সব হিন্দু মন্দিরে লাগিয়ে দেবে। কেউ জিজ্ঞেস করলে বলবেন চোর এসেছে।’’
সন্দেশখালিতে মানুষ একজোটে লড়াইয়ে নেমেছেন তৃণমূলের জমি বেলাগাম জমি দখলের বিরুদ্ধে। পুলিশ এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধেও। একজোট হয়েছে মহিলাদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে। সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শাহজাহান ও তার বাহিনীর হাতে অত্যাচারিত হয়েছেন। তাদের ভেড়ি, জমি লুঠ করা হয়েছে। মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। 
বিজেপি বারবারই সাম্প্রদায়িক বিভাজন করতে চাইছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি দিল্লি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছিলেন যে হিন্দু বিবাহিত মহিলাদের সম্মানহানি করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা। 
সিপিআই(এম) বারবারই বলছে যে বিজেপি সাম্প্রদায়িক বিভাজন করে তৃণমূলের অপরাধ আড়াল করছে। অন্যায় এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই একজোটেই করতে হবে। সন্দেশখালিতে এমনই লড়াই হবে। 
শুভেন্দুকে মহিলারা বলেন যে ২০১১ সালের পর থেকে তারা কোন নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। সেই কথা শুনে শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘শুনুন আপনারা শুনুন। কী বলছে, ২০১১ সালের পর মমতা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ভোট দিতে পারেনি।’’ 
২০১১ সালে তৃণমূল সরকারে আসীন হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন মন্ত্রী। সাংসদও ছিলেন তৃণমূলের। বামপন্থীরা বারবারই বলেছেন যে, শেখ শাহজাহান এবং তার সাকরেদদের নিয়ে সন্দেশখালিতে দুষ্কৃতী চক্র তৈরি করেছেন শুভেন্দু অধিকারীরাই।

Comments :0

Login to leave a comment