মধুসূদন চ্যাটার্জি: বাঁকুড়া
হুজ্জুতি হয়েছিল জেলা দপ্তরের সামনে। প্রতিবাদে বের হলো মিছিল। সিপিআই(এম)’র সেই মিছিলেও বাধা দিতে নেমেছিল বজরঙ দলের বাহিনী। হাজার মানুষের স্লোগান আর ধিক্কারের জোরে শেষ পর্যন্ত পালাতে হলো এই বাহিনীকে। পুলিশের আশ্রয়ে সরে পড়তে হলো।
জনতার প্রতিরোধের এই দৃশ্য দেখল বাঁকুড়া।
গত ৩ অক্টোবর, শনিবার, বাঁকুড়া শহরে সিপিআই(এম) জেলা দপ্তরের সামনে জড়ো হয় আরএসএস-বিজেপি’র অনুগত বাহিনী। বজরঙ দলের সেই বাহিনী প্ররোচনা তৈরি করে। ‘হনুমান চালিশা’ পাঠের নামে বজরঙ দল চরম অসভ্যতা করে। সিপিআই(এম)-কে লক্ষ্য করে নানা ধরনের কুমন্তব্য করে, হুমকি দেয়। সিপিআই(এম)-কে লক্ষ্য করে কুকথাও বলা হতে থাকে।
গত এক মাসে বারবার আরএসএস-বিজেপি’র বাহিনী সিপিআই(এম)’র বিভিন্ন দপ্তরে আক্রমণ চালিয়েছে। জলপাইগুড়ি থেকে চন্দ্রকোনা বা বাঁকুড়া থেকে সিউড়িতে দেখা গিয়েছে সেই ছবি। দত্তপুকুরে ভাঙা হয়েছে পরপর সিপিআই(এম)’র দপ্তর। বিরাটি থেকে হাবড়া, চলেছে এসএফআই’র পথসভার ওপর হামলা। এমনকি গত ২ অক্টোবর, মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিবসে বিরাটিতে আরএসএস-বিজেপি ভেঙেছে তাঁর ছবিও।
সোমবার, ৫ অক্টোবর, বাঁকুড়া শহরে ধিক্কার মিছিলের ডাক দিয়েছিল সিপিআই(এম)। সমবেত হন হাজার ছাড়িয়ে মানুষ। ছিলেন সব বয়সের বাসিন্দারা। মহিলারা থেকেছেন সামনের সারিতে। স্লোগান দিয়েছেন, ভয় দেখিয়ে সিপিআই(এম)-কে চুপ করানো যাবে না। স্লোগান ওঠে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বানে।
মিছিল মহামায়াস্থান এলাকায় এলে দেখা যায় বজরঙ দলের নামে একদল জড়ো হয়েছে। মিছিলকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায় এই বাহিনীকে। তীব্রতর হয় মিছিলের গর্জন। প্রতিবাদের তোড়ে ভেসে যায় অসভ্যতার চেষ্টা। কিছু পরে এদের পালিয়ে যেতে হয়।
মিছিলের শেষে চকবাজারে হয় জমায়েত।
Rally Bankura Bajrang Dal
বাঁকুড়ায় হাজার মানুষের মিছিল, বাধা দিতে এসে পালালো বজরঙ দুষ্কৃতীরা
মিছিলের শেষে চকবাজারে প্রতিবাদী জমায়েত সিপিআই(এম)।
×
Comments :0