ডিওয়াইএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির উদ্যোগে উত্তাল যৌবনের ঢল আছড়ে পড়ল বর্ধমান শহরে। মঙ্গলবার ডিওয়াইএফআইের প্রতিষ্ঠা দিবসে কাজের দাবিকে মৌলিক দাবী হিসাবে সংবিধানে যুক্ত করার সাথে সাথে স্থায়ী কর্মসংস্থান সহ কাটোয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অধিগৃহীত জমিতে শিল্পের দাবিকে সামনে রেখে জেলা শাসকের কাছে এক গুচ্ছ দাবি পেশ করা হয়। দাবি ওঠে অবিলম্বে ভোটার তালিকায় সমস্ত বৈধ ভোটারের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কেননা এই সময়ের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন, পুনর্বাসন ছাড়াই হকার উচ্ছেদ করা হচ্ছে। নতুন করে কর্মসংস্থান হারাচ্ছে প্রচুর সাধারণ যুব, সাধারণ মানুষ। এভাবে মানুষের রুটি রুজির কেড়ে বুলডোজার চালিয়ে পেটে লাথি মারার পরিকল্পনা কোনোভাবেই জনকল্যাণকর কোনো সরকার করতে পারে না। এই বুলডোজজার রাজ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
এদিন দুপুরের উত্তপ্ত আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে যৌবনের ঢল ছিলো চোখে পড়ার মতো। এদিন মিছিলে এক সুরে স্লোগান ওঠে ‘‘হাত দিয়ে বলো, সূর্যের আলো, রুখিতে পারে কি কেউ? / আমরা হলাম আগামীর আলো নয়া যৌবনের ঢেউ।’’ এদিন মিছিল শুরু হয় ব্যাপক যুব জমায়েতের মধ্য দিয়ে। বর্ধমান রেল স্টেশন থেকে রক্তেখোচিত লাল তারা পতাকার উত্তালতার মধ্যে দিয়ে মিছিলে উপস্থিত হয় শহীদ কমরেড রাজিবুল শেখের পিতা মোজাম্মেল হক, ছিলেন সংগঠনের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি অয়নাংশু সরকার, পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক ও সভাপতি। বর্ণাঢ্য মিছিল এগিয়ে চলে ডিএম অফিসের দিকে। প্রশাসন আগেই ব্যারিকেড করে রেখেছিল। যুব নেতৃত্বরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলে ওঠে তারা ভাঙ্গার পক্ষে নয় তারা গড়তে এসেছে তাই ব্যারিকেডের আজ কোন প্রয়োজন ছিল না। ডিওয়াইএফআইয়ের নির্দিষ্ট কয়েকজন নেতৃত্ব সেই দাবিপত্র নিয়ে জেলা শাসকের কাছে যায়।
Deputation
যৌবনের ঢল বর্ধমান শহরে, জেলা শাসককে ডেপুটেশন
×
Comments :0