হকারদের পুনর্বাসন ও স্থায়ী কাজের দাবি সহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি ও বাঁকুড়ায় মিছিল করে ডিওয়াইএফআই। সেইসঙ্গে, জেলাশাসকের দপ্তরে জমা দেওয়া হয় দাবী সনদও।
পূর্নবাসন ছাড়া কোন হকার উচ্ছেদ করা চলবেনা। এসআইআর প্রক্রিয়ার নাম করে কোন বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া চলবেনা। অবিলম্বে বেকার যুবক যুবতীদের স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। আর কত যুবক পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে বাইরে চলে যাবেন? কেন তাঁদের পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাবেন? এই আওয়াজ তুলে মঙ্গলবার ডিওয়াইএফআই -এর ডাকে বাঁকুড়া শহরে যুবদের মিছিলের মধ্যে দিয়ে জেলাশাসকের কাছে ৯দফা দাবীতে ডেপুটেশন দেওয়া হল। এদিন বাঁকুড়া স্কুল ডাঙ্গা থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে তামলিবাঁধ এলাকায় এই দাবীগুলির ব্যাখ্যা করে যুব নেতৃত্ব বক্তব্য রাখেন। এদিন বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক সঞ্জয় মান্ডি, সভাপতি নিলাদ্রী শেখর সার্বভৌম, রাজ্য নেত্রী স্বর্ন ভূঁই।
সেইসঙ্গে, " স্থায়ী কাজ চাই” স্লোগানকে সামনে রেখে যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন দাবিতে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলা শাসকের কাছে ১৪ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি জমা দিল ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন (ডিওয়াইএফআই) জলপাইগুড়ি জেলা কমিটি।
স্মারকলিপিতে বেকার যুবকদের স্থায়ী কর্মসংস্থান, সরকারি শূন্যপদে স্বচ্ছ নিয়োগ, শিল্প স্থাপন, পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ বন্ধ করা, চা-বাগান শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ১৬টি ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ, ১০০ দিনের কাজে বছরে ২০০ দিনের কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, রাজগঞ্জের চতুরাগঞ্জ এলাকায় ডাহুক নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, নারী নিরাপত্তা, মাদকবিরোধী অভিযান সহ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের দাবিও তোলা হয়।
জেলা সম্পাদক বেদব্রত ঘোষ জানান, যুব, শ্রমিক, কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে যুক্ত এই দাবিগুলি দ্রুত কার্যকর করার দাবিতেই স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। জেলা শাসকের পক্ষে এক আধিকারিক স্মারকলিপি গ্রহণ করে বিষয়টি জেলা শাসকের নজরে আনার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি অর্পণ পাল, পিঙ্কী বেগম, দেবরাজ বর্মন, কর্মদেব রায়, প্রতীক দত্ত-সহ নেতৃবৃন্দ।
Comments :0